সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস কিমি/ঘ

সমন্বিত খামারে সফল সোহান, বছরে লাভ ১৫ লাখ

২০১৫ সালের শুরুর দিকে কৃষি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন এক তরুণ। তার স্বপ্ন এমন কিছু করবেন, যাতে নিজের পাশাপাশি অন্যেরও কর্মসংস্থান হবে। সেই ভাবনা থেকেই শুরু করেন সমন্বিত খামার গড়ে তোলার কাজ। বাবার দেওয়া ২ বিঘা জমি আর ৫০ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেন সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা। লাভের মুখও দেখা শুরু করেন দ্বিতীয়

লাইভস্টক

২০১৫ সালের শুরুর দিকে কৃষি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন এক তরুণ। তার স্বপ্ন এমন কিছু করবেন, যাতে নিজের পাশাপাশি অন্যেরও কর্মসংস্থান হবে। সেই ভাবনা থেকেই শুরু করেন সমন্বিত খামার গড়ে তোলার কাজ। বাবার দেওয়া ২ বিঘা জমি আর ৫০ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেন সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা। লাভের মুখও দেখা শুরু করেন দ্বিতীয় বছর থেকে। তা-ই নয়, মাত্র ৭ বছরের মাথায় দেখেন অভাবনীয় সফলতা। এখন সব খরচ বাদ দিয়ে তিনি বছরে লাভ করছেন ১৩-১৫ লাখ টাকা।

তিনি চুয়াডাঙ্গার উদ্যমী তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আব্দুল কাদির সোহান। সমন্বিত খামার করে শুধু নিজেই স্বাবলম্বী হননি, পাশাপাশি সুযোগ করে দিয়েছেন কয়েকজনের কর্মসংস্থানের। তাকে দেখে কৃষি ক্ষেত্রে সফলতার স্বপ্ন বুনছেন অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক।

সময়টা ২০০৮ সাল। মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত আব্দুল কাদির সোহান মাঝেমধ্যে বাবার সঙ্গে যেতেন ফসলের মাঠে। মাঠের চমৎকার ফল-ফসলের বাগানে মুগ্ধ হয়ে সেদিনই চিন্তা করেন খামার গড়ার। পড়াশোনা শেষ না করে খামার গড়ার সিদ্ধান্তে সে সময় সাড়া মেলেনি পরিবারের। সেদিন কিছুটা আশাহত হলেও থেমে থাকেননি তিনি।

আব্দুল কাদির সোহান বলেন, 'এসএসসি পাস করে কৃষির ওপরে ডিপ্লোমা শুরু করি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার এমএস জোহা ডিগ্রি কলেজে। ২০১৫ সালে কৃষি ডিপ্লোমা শেষে করে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে ব্যাচেলর অব এগ্রিকালচার এডুকেশন (বিএজিএড) ডিগ্রি অর্জন করি। বাবার ইচ্ছে ছিল, আমি ভালো কোনো স্কুল বা কলেজে চাকরি করি। কিন্তু আমি তা না করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য বাবার কাছ থেকে ২ বিঘা জমি এবং ৫০ হাজার টাকা নিয়ে সমন্বিত খামার গড়ে তোলার কাজ শুরু করি।'

তিনি বলেন, 'প্রথম বছর ২ বিঘা জমিতে বারোমাসী কাটিমন আম, থাই সিডলেস লেবু এবং থাই পেয়ারা দিয়ে শুরু করি। প্রথম বছর লাভের মুখ দেখতে না পারলেও দ্বিতীয় বছর কিছু বর্ধিত জমি লিজ নিয়ে তা থেকে কিছুটা লাভ করতে সমর্থ হই। কিছুদিন পর ৩০ বিঘা অর্থাৎ ১০ একর জমি নিয়ে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করি। বর্তমানে আমার খামারে বারোমাসী কাটিমন আম, ডকমাই আম, বারি৪ আম, কিউ যাই, পালমার ব্যানানা, সূর্য ডিম, আলফানচু, চাকাপাতা, ব্রুনাইটিং, গৌরমতী, আর টু ই টু জাতের আম, চাইনিজ কমলা, দার্জিলিং কমলা, বারি মাল্টা-১, ২, ভিয়েতনামি বারোমাসী মাল্টা, ফিলিপাইনস ব্ল্যাক সুগারক্যান, বিভিন্ন প্রজাতির ফুলসহ সিজনাল শাক-সবজি ও দেশীয় ফুল-ফলের চাষ করি।'

সোহান আরও বলেন, '৯ বিঘা জমিতে আছে মাছ চাষ। করোনাকালে আমার 'মনমিলা গার্ডেন অ্যান্ড নার্সারি' নামক সমন্বিত খামারের উৎপাদন ও মুনাফার হার কিছুটা কম হয়। বর্তমান ২০২২ সালের এপ্রিলে ১ বছরের আয়-ব্যয় হিসাব করে আমার লাভের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ লাখ টাকার মতো। খামারে এখন ১০ জন মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। এরমধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী। তাদের জন্য প্রতিমাসে দেড়লাখ টাকা ব্যয় হয়। আমার ভালোই লাগে, খামার থেকে ১০ জন মানুষের রুটি-রুজির ব্যবস্থা হচ্ছে। আমিও বাবা-মা, স্ত্রী ও দু'কন্যা নিয়ে স্বচ্ছল জীবনযাপন করছি।'

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, 'তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সোহান সমন্বিত খামার গড়ে নিজে যেমন স্বাবলম্বী হয়েছেন; তেমনি বেশ কিছু নারী-পুরুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। আমাদের অফিস থেকেও তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে জেলা ও জেলার বাইরে থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ফল, ফুলের চারা এনে চাষ করছেন। আবার খামার থেকে উৎপাদিত চারা বিক্রি করে সফলতা অর্জন করেছেন।'

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

বাজার ব্যবস্থাপনা

ঢাকার বাজারে আটা-ময়দার দাম বাড়ল, মুরগি ও ডিম এখনো চড়া

এক মাসে খোলা আটার কেজিতে ৫ টাকা ও ময়দায় ১০ টাকা বেড়েছে; ব্রয়লার মুরগি ১৯০–২০০ টাকা কেজি আর ডিম ডজন ১৫০ টাকায় আটকে আছে দেড় মাস ধরে।

প্রথম আলো১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

দুগ্ধ চেকঅফের অর্থ আর ইএসজি কর্মসূচিতে ব্যয় করা যাবে না, ঘোষণা ইউএসডিএর

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ দুগ্ধ চেকঅফ তহবিল থেকে পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসন (ইএসজি) উদ্যোগে অর্থায়ন বন্ধ করেছে এবং অন্য সব পণ্যের চেকঅফেও একই নিয়ম প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছে।

usda১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাদ্য সংকটে হাইতির ১৩ হাজার পরিবারে পৌঁছাচ্ছে বীজ ও ছোট গবাদিপশু

আঞ্চলিক মানবিক তহবিলের অর্থায়নে এফএওর জরুরি খাদ্য উৎপাদন কর্মসূচি হাইতির তিনটি সবচেয়ে সংকটাপন্ন বিভাগে ২০৫ টনের বেশি বীজ ও ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ছোট প্রাণী বিতরণ করছে।

এফএও নিউজরুম১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()