সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৬%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

শখ থেকে শুরু, এখন কবুতরেই চলে ইয়ামিনের পড়াশোনার খরচ

শখের বসে হাট থেকে দুই জোড়া কবুতর কিনে পালন শুরু করেন মো. ইয়ামিন (২২) নামে ভোলার এক শিক্ষার্থী। এরপর থেকেই বাড়তে থাকে তার কবুতরের সংখ্যা। প্রতি মাসেই কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করেন তিনি। এই কবুতর বিক্রির টাকায়ই চলে ইয়ামিনের পড়াশোনা ও নিজের হাতখরচ।

লাইভস্টক

শখের বসে হাট থেকে দুই জোড়া কবুতর কিনে পালন শুরু করেন মো. ইয়ামিন (২২) নামে ভোলার এক শিক্ষার্থী। এরপর থেকেই বাড়তে থাকে তার কবুতরের সংখ্যা। প্রতি মাসেই কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করেন তিনি। এই কবুতর বিক্রির টাকায়ই চলে ইয়ামিনের পড়াশোনা ও নিজের হাতখরচ।

মো. ইয়ামিন ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুলাতুলি গ্রামের সৈয়দ আহমেদ হাওলাদার বাড়ির মো. ইউনুছ হাওলাদারের ছেলে। তিনি ভোলা সদরের পরানগঞ্জ এলাকার নাজিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

ইয়ামিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, বসতঘরের পাশে ইয়ামিন ঘর তুলে দিয়েছেন কবুতরের জন্য। সকাল হলেই ঘর থেকে বের হয়ে তার বসতঘরের পাশে বিভিন্ন গাছের ডালে অবস্থান নেয় কবুতরগুলো। ইয়ামিন বাটিতে খাবার নিয়ে উঠানে দাঁড়ালেই ছুটে আসে তারা। এরপর উঠানে খাবার ছিটিয়ে দেন ইয়ামিন। খাওয়া শেষে কবুতরগুলো চলে যায় বিভিন্ন স্থানে। আবার সন্ধ্যার অন্ধকার ঘনিয়ে আসলেই কবুতরগুলো ঘরে ফিরে আসে।

মো. ইয়ামিন জাগো নিউজকে জানান, কবুতর পালনের খুবই শখ ছিল তার। বেশ কয়েক বছর আগে বাবার সঙ্গে স্থানীয় হাটে গিয়ে দুই জোড়া কবুতর কিনে পালন শুরু করেন তিনি। ওই কবুতর থেকেই বাড়তে থাকে কবুতরের সংখ্যা। বর্তমানে তার কাছে বাংলা কবুতর, রেচার কবুতর, হোমা কবুতর, কিং কবুতর, কাকজি কবুতর ও বোম্বাই কবুতর রয়েছে। প্রতিমাসেই কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করেন তিনি।

বছরে প্রায় ১০০ জোড়ার অধিক কবুতরের বাচ্চা বিক্রি করেন তিনি। প্রতি জোড়া কবুতর ৩০০ থেকে প্রায় ১ হাজার টাকায় পর্যন্ত বিক্রি করেন। কবুতর বিক্রির টাকা দিয়েই কবুতরের খাবার, নিজের পড়াশুনা ও হাতখরচ চালান বলেও জানান ইয়ামিন।

ইয়ামিন আরও জানান, তার কবুতরগুলোকে তিনি চাল, চালের খুদ, ধান, সরিষা, গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন খাবার খাওয়ান। কবুতর পালনে তাকে বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই উৎসাহ দেন। পড়াশুনা শেষে যদি ভালো কোনো সরকারি চাকরি না হয় তাহলে তিনি কবুতরের বড় করে খামার করবেন। আর একজন বড় উদ্যোক্তা হবেন। বেকার যুবকরা যদি মোটামুটি বড় পরিসরে কবুতরের খামার করতে পারেন তাহলে মাসে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা বা তারও বেশি আয় করা সম্ভব।

ইয়ামিনের বাবা মো. ইউনুছ হাওলাদার জানান, তার ছেলের শখ ছিল কবুতর পালনের। তাই তাকে দুই জোড়া কবুতর কিনে দেন তিনি। এখন ইয়ামিনের অনেক কবুতর রয়েছে। স্থানীয়রা ইয়ামিনের কবুতর দেখতে বাড়িতে আসেন।

তিনি আরও জানান, ইয়ামিন তার কবুতর বিক্রির টাকা দিয়ে কবুতরের জন্য ঘর তুলেছে। সে নিজের পড়াশুনা, কবুতরের খাবার ও নিজের হাতখরচও কবুতর বিক্রির টাকা দিয়ে করে।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান জানান, ইয়ামিনের মতো অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা শখের বসে কবুতর পালন শুরু করে এখন বাণিজ্যিকভাবে কবুতরের খামার করেছেন। এছাড়াও ভোলা জেলায় অনেক যুবক রয়েছেন যারা কবুতরের খামার করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। সকলকেই আমরা সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছি।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

ডিমের ভেতরেই লিঙ্গ নির্ণয়: পাঁচ বছরে ইউরোপের ৪০ শতাংশ বাজারে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধায়

ডিম ফোটার আগেই বাচ্চার লিঙ্গ নির্ণয়ের প্রযুক্তি পাঁচ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের লেয়ার বাজারের শূন্য থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে, পুরুষ বাচ্চা মারার ওপর নিষেধাজ্ঞার জোরে; যুক্তরাষ্ট্রে কেবল প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডগুলো এটি নিয়েছে, খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে নারাজ।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

NoFence আনল তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 ও পশুপাল ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম

নরওয়ের ভার্চুয়াল ফেন্সিং কোম্পানি NoFence তাদের তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 বাজারে এনেছে—স্যাটেলাইট ব্যাকআপ আর এমন সফটওয়্যার নিয়ে, যা চারণের হিসাব নিজে লেখে, সময়সূচি ধরে পাল সরায় এবং গরমে আসা গাভি চিহ্নিত করে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()