সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

শেষ সময়ে খুলনার ছোট তরমুজ স্বাদে এগিয়ে, দাম চড়া

রসালো ফল তরমুজের প্রতি মানুষের আকর্ষণ সবসময়ই বেশি। তবে মৌসুমের শেষদিকে এসে এই ফলটির বাজারে তৈরি হয়েছে এক ধরনের বৈপরীত্য—স্বাদে মিষ্টি বাড়লেও দামও বেড়েছে।

ফল

রসালো ফল তরমুজের প্রতি মানুষের আকর্ষণ সবসময়ই বেশি। তবে মৌসুমের শেষদিকে এসে এই ফলটির বাজারে তৈরি হয়েছে এক ধরনের বৈপরীত্য—স্বাদে মিষ্টি বাড়লেও দামও বেড়েছে।

শুক্রবার (১ মে) বাড্ডা, রামপুরা, খিলগাঁও ও মালিবাগ এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে বাজারে মূলত খুলনা অঞ্চলের তরমুজই বেশি পাওয়া যাচ্ছে। আকারে তুলনামূলক ছোট, খোসা পাতলা এবং স্বাদে বেশি মিষ্টি হওয়ায় এসব তরমুজ ক্রেতাদের মধ্যে আলাদা কদর পাচ্ছে। তবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে দামও ঊর্ধ্বমুখী।

রামপুরা বাজারে তরমুজ বিক্রি অরা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এখন বাজারে মূলত খুলনার তরমুজই আসছে। এগুলো আকারে ছোট, কিন্তু খুব মিষ্টি। খোসাও পাতলা, তাই ভেতরের অংশ বেশি পাওয়া যায়। ক্রেতারা খেয়ে সন্তুষ্ট, কিন্তু দাম নিয়ে একটু আপত্তি করেন।

তিনি জানান, বড় সাইজের বা বরিশালের তরমুজ এখন আর পাওয়া যাচ্ছে না। আগে বরিশালের বড় বড় তরমুজ ছিল, সেগুলো এখন শেষ। তাই বাজারে সরবরাহ কমে গেছে, আর এ কারণেই দাম বাড়ছে।

খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় তরমুজ বিক্রি করা আব্দুল করিম বলেন, এই সময়ের তরমুজের স্বাদ সবচেয়ে ভালো। খুলনার তরমুজ ছোট হলেও মিষ্টি বেশি, তাই যারা একবার নিচ্ছেন, তারা আবারও আসছেন। কিন্তু সমস্যা হলো, পাইকারি বাজারেই এখন দাম বেশি। আমরা বেশি লাভ করছি না, বরং খরচ বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, আর ১৫-২০ দিন পর তরমুজ বাজারে পাওয়া নাও যেতে পারে। বড় ও বরিশালের তরমুজ এবারের মতো শেষ। এখন অল্পকিছু পাওয়া যাচ্ছে। তবে বরিশালের তরমুজ লাল হলেও, মিষ্টি নাও হতে পারে। কিন্তু খুলনার তরমুজের লাল ও মিষ্টি গ্যারান্টি। তরমুজের মৌসুম শেষের পথে, তাই সামনে দাম আরও বাড়বে।

মালিবাগ চৌধুরীপাড়া এলাকার বিক্রেতা সোহেল মিয়া একই অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, এখন দিন যত যাচ্ছে, তরমুজের দাম তত বাড়ছে। কারণ সরবরাহ কমছে। খুলনার তরমুজই এখন ভরসা। এগুলো ভালো মানের, কিন্তু পরিমাণ কম। তাই দামও বেশি রাখতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক ক্রেতা এসে দাম শুনে চলে যান, আবার অনেকে স্বাদের জন্য কিনে নেন। কিছুদিন আগে তরমুজের কেজি ৩০ টাকা বিক্রি করেছি। কিন্তু এখন ৪০ টাকার নিচে বিক্রি করার কোনো উপায় নেই। বাছাই করা কিছু তরমুজ ৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।

ক্রেতাদের মুখেও তরমুজের স্বাদের প্রশংসা। কিন্তু দাম নিয়ে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। রামপুরার বাসিন্দা নাজমা বেগম বলেন, এখনকার তরমুজ সত্যিই খুব মিষ্টি। আগে যেগুলো কিনতাম, সেগুলোর চেয়ে অনেক ভালো। কিন্তু দাম বেশি। কিছুদিন আগে বড় একটা তরমুজ ২০০ টাকায় পাওয়া যেত। এখন ছোট একটি তরমুজ কিনতেই ২০০ টাকা লাগছে।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের সবাই মিলে খাওয়ার জন্য আগে বড় তরমুজ কিনতেন, এখন ছোট তরমুজ কিনেও খরচ বেশি পড়ছে। আগে একটা তরমুজ ২-৩ দিন খাওয়া যেত। এখন একটা তরমুজ একদিন হয়না। এই হলো অবস্থা।

খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, গরমে তরমুজের চাহিদা বেশি থাকে। বৃষ্টির কারণে এখন একটু ঠান্ডা পড়েছে, তবে তরমুজের চাহিদা কমেনি। কিন্তু এখন দাম বেশি। তাই চাইলেই বেশি কেনা যাচ্ছে না। আবার তরমুজ দীর্ঘ দিন রেখেও খাওয়া যায় না। এ জন্য যখন যা পাওয়া যায় তাই কিনে খেতে হয়।

তিনি বলেন, বিক্রেতারা বলছেন খুলনার তরমুজ, তাই ভালো এটা ঠিক আছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য দামটা একটু কম হলে ভালো হতো। এখন যে তরমুজ ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে তা ১০০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে থাকলে ঠিক আছে।

তরমুজের দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা অসন্তুষ্ট থাকলেও বিক্রেতাদের মতে, মৌসুমের শেষভাগে তরমুজের এই দাম বৃদ্ধি অস্বাভাবিক নয়। রামপুরার তরমুজ বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, শেষ সময়ের ফল সবসময়ই একটু দামি হয়। এখন যেগুলো আসছে, সেগুলো বেছে বেছে আনা হয়। তাই দাম বেশি।

ক্রেতাদের কেউ কেউ আবার স্বাদকে প্রাধান্য দিয়ে দাম মেনে নিচ্ছেন। রামপুরার বাসিন্দা শিমুল বেগম বলেন, দাম বেশি হলেও এখনকার তরমুজ অনেক ভালো। আগে বড় তরমুজ কিনলেও অনেক সময় ভালো লাল হতো না। আবার কিছু তরমুজ লাল হলেও মিষ্টি হতো না। এখন সব তরমুজ লাল ও মিষ্টি। ভালো জিনিস একটু বেশি দাম দিয়ে খেলেও ক্ষতি নেই। তবে দাম আরও বাড়লে খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে।

এমএএস/এমএএইচ/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
এগ্রোটেক

চাষিকে তথ্য-বিশ্লেষক হতে হবে না, বলছেন Orchard Robotics-এর Charlie Wu

Orchard Robotics-এর প্রতিষ্ঠাতা Charlie Wu বলছেন, ট্রাক্টরে বসানো তাঁদের এআই ক্যামেরা গাছ ধরে ধরে ফল গোনে ও মাপে, শ্রম ও উপকরণ সাশ্রয়ে প্রথম বছরেই তিন থেকে দশ গুণ ফেরত দেয়; আপেল থেকে কোম্পানিটি এখন আরও এক ডজন ফসলে যাচ্ছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()