সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস কিমি/ঘ

২০২৯ সালের মধ্যে কৃষিতে ৮ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেনেগালের অ্যাগ্রিকানেক্ট কম্প্যাক্ট

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সঙ্গে ডাকারে চালু হওয়া অ্যাগ্রিকানেক্ট সেনেগাল কম্প্যাক্ট দানাশস্য, উদ্যানফসল ও প্রাণিসম্পদে মনোযোগ দিয়ে তিন বছরে জাতীয় পর্যায়ে ৯০ শতাংশের বেশি খাদ্য নিরাপত্তা ও ১০০টি সমবায় গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে।

এগ্রোবিজ

সেনেগাল সরকার ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ডাকারে ‘অ্যাগ্রিকানেক্ট সেনেগাল কম্প্যাক্ট’ চালু করেছে—দেশটির কৃষি-খাদ্যব্যবস্থার রূপান্তর ও লাখো সেনেগালবাসীর খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত করার এক উদ্যোগ।

কম্প্যাক্টটি ‘সেনেগাল জাতীয় রূপান্তর এজেন্ডা ২০৫০’ ও ২০২৫–২০৩৪ সালের খাদ্য সার্বভৌমত্ব কৌশলের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। এটি একটি একক বাস্তবায়ন ব্যবস্থা, যা সরকার এবং আইডিএ, আইএফসি ও মিগার মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক গ্রুপকে কারিগরি ও আর্থিক অংশীদার, বেসরকারি খাত ও উৎপাদক সংগঠনগুলোর সঙ্গে এক জায়গায় আনে। এর মনোযোগ তিনটি মূল্যশৃঙ্খলে—দানাশস্য, উদ্যানফসল ও প্রাণিসম্পদ—এবং কাজ তিন অক্ষে: কৃষি অবকাঠামো ও সেবায় কাঠামোগত বিনিয়োগ, ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে খাতভিত্তিক নীতির সংশোধন, আর উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ।

লক্ষ্যগুলো সময়বদ্ধ। ২০২৯ সালের মধ্যে কম্প্যাক্ট জাতীয় পর্যায়ে ৯০ শতাংশের বেশি খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন ও কৃষি খাতে ৮ লাখ আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায়। দানাশস্যের চাহিদা পূরণের হার ৪৮ থেকে ৭৮ শতাংশে, চালে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ৬৪ শতাংশে তোলা এবং সারা দেশে ১০০টি কমিউনিটিভিত্তিক কৃষি সমবায় গড়ার লক্ষ্যও ঠিক করা হয়েছে। সরকার একে জাতীয় কৃষি ও খাদ্যনীতি প্রণয়ন, সমন্বয় ও বাস্তবায়নের ধরনে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলছে।

কৃষি, খাদ্য সার্বভৌমত্ব ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মাবুবা দিয়ান বলেন, ‘অ্যাগ্রিকানেক্ট চুক্তির লক্ষ্য আমাদের জনগণের জীবন বাস্তবে বদলে দেওয়া। এরা সেই পরিবার, যারা সন্তানদের আরও ভালো খাওয়াতে পারবে; সেই কৃষক, যাঁদের আয় বাড়বে ও স্থিতিশীল হবে; সেই তরুণ, যাঁরা আধুনিক ও লাভজনক কৃষিতে কাজ ও ভবিষ্যৎ খুঁজে পাবেন।’

পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট উসমান দিয়াগানা বলেন, ‘অ্যাগ্রিকানেক্টে আমাদের চালিত করছে এই বিশ্বাস যে সেনেগালের কৃষি সেনেগালকে খাওয়াতে পারে, তরুণদের সুযোগ দিতে পারে এবং ভাগ করা সমৃদ্ধির ইঞ্জিন হতে পারে।’ তিনি জানান, আইডিএ, আইএফসি ও মিগার সমন্বিত কাজের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগকে একটি লক্ষ্যে—প্রতিটি সেনেগালবাসীর জন্য খাদ্য সার্বভৌমত্ব ও কর্মসংস্থান—কেন্দ্রীভূত করতে চান তাঁরা। সেনেগাল ২০৫০ এজেন্ডার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আহমাদু আল আমিনু লো কম্প্যাক্টকে প্রকল্পের ধারা সাজানোর এক আদর্শ প্ল্যাটফর্ম বলেন এবং জানান, প্রতিটি অংশীজনের কাছে ফলভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

কম্প্যাক্টের পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন ২০৫০ এজেন্ডার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, আর বাস্তবায়ন করবে কৃষি, খাদ্য সার্বভৌমত্ব ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় তার ‘ডেলিভারি ইউনিট’-এর মাধ্যমে। পরিকল্পনা, সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণের জন্য অংশীদারদের কারিগরি গ্রুপের সহায়তায় একটি যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি গঠিত হবে। কম্প্যাক্টটি তৈরি হয়েছে আইএফএডি, এফএও, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা, আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক, ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক, জাইকা, জিআইজেড, নেদারল্যান্ডস, মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশন ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে পরামর্শ করে।

সেনেগালের একজন শস্য বা সবজিচাষির নজর রাখার মতো সংখ্যা দুটি—দানাশস্যের চাহিদা পূরণের হার আর ১০০টি সমবায়—কারণ ওগুলোই ঠিক করবে বিনিয়োগ খামারের দরজা পর্যন্ত পৌঁছাল, না বন্দরে থেমে গেল।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক

worldbankদা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাম্পার ফলনেও লোকসানের হিসাব কষছেন চাষীরা

ধান-চালে সমৃদ্ধ উত্তরের জেলা নওগাঁয় আউশ ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে চাষীদের। অনুকূল আবহাওয়ায় কাঙ্খিত ফলন পেয়ে খুশি তারা। তবে কৃষকের মুখের সেই হাসি মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যাচ্ছে দামের কারণে।

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
মৎস্য

ইলিশের উল্টো যাত্রা

একসময় গল্পটা ছিল উল্টো। পদ্মা-মেঘনার ইলিশ সীমান্ত পেরিয়ে যেত পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। কলকাতার বাঙালির কাছে বাংলাদেশের ইলিশ ছিল বিশেষ আকর্ষণের নাম। দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশের ইলিশ ভারতে যাওয়ার খবর নিয়ে সংবাদমাধ্যমে উৎসবের আবহ তৈরি হতো। আর এখন সেই গল্পে যেন হঠাৎ উল্টো পাতা খুলেছে। ভারত থেকে ইলিশ আসছে বাংল

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৭ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সাধারণ মানুষও কিনতে পারবেন টিসিবির ‘ঐচ্ছিক পণ্য’

টিসিবির নতুন নির্দেশিকায় আগের মতো ফ্যামিলি কার্ডধারীরা প্রতি মাসে পাবেন ভোজ্যতেল, চিনি ও ডাল। রমজানে বাড়তি মিলবে খেজুর ও ছোলা। তবে এর বাইরেও সুগন্ধি সাবান, গুঁড়ো সাবান, লন্ড্রি সাবান, লবণ, চা, আটা ও মসলা থাকবে 'ঐচ্ছিক পণ্য' হিসেবে। অর্থাৎ কার্ডধারী ছাড়াও যে কেউ এসব পণ্য কিনতে পারবেন।

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()