সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস কিমি/ঘ

দুই কেজি ওজনের বেগুন চাষ করে চমকে দিয়েছেন সেলিম

ভোলায় প্রথমবারের মতো একটি নতুন জাতের বেগুন চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মো. সেলিম (৩৫) নামে একজন কৃষক। ক্ষেতে বেগুনের ব্যাপক ফলন হওয়ায় তিনি বেশ খুশি। তার ক্ষেতের এ বেগুনের একেকটির ওজন ১ থেকে ২ কেজি পর্যন্ত।

শাকসবজি

ভোলায় প্রথমবারের মতো একটি নতুন জাতের বেগুন চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মো. সেলিম (৩৫) নামে একজন কৃষক। ক্ষেতে বেগুনের ব্যাপক ফলন হওয়ায় তিনি বেশ খুশি। তার ক্ষেতের এ বেগুনের একেকটির ওজন ১ থেকে ২ কেজি পর্যন্ত।

বেগুনগুলো দেখতে লাউয়ের মতো হওয়ায় কৃষক সেলিমের গ্রামের লোকজন এটির নাম দিয়েছেন লাউবেগুন। আর এই বেগুন দেখতে প্রতিদিন তার গ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম থেকে কৃষক ও স্থানীয়রা ভিড় জমাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিরহাট গ্রামের কৃষক মো. সেলিম প্রায় ৮ বছর ধরে কৃষি কাজ করছেন। প্রতিবছর শীত মৌসুমে ৬৫ শতাংশ জমিতে দেশি বেগুন, টমেটো, শসা, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও সয়াবিন চাষ করেন। কিন্তু তেমন সফলতা অর্জন করতে পারছিলেন না তিনি। তবে এবছর বারি-১২ জাতের বেগুন চাষ করে সফল হয়েছেন তিনি। কৃষক মো. সেলিম জানান, প্রতিবছর দেশি বেগুন চাষ করলেও লাভবান হতে পারছিলাম না। এবছর কৃষি বিভাগ থেকে আমাকে বারি-১২ জাতের বেগুনের বীজ ও সার দিয়েছে চাষ করার জন্য। আমার ৬৫ শতাংশ জমির মধ্যে ২০ শতাংশ জমিতে বারি-১২ জাতের বেগুন রোপণ করি। আর বাকি জমিতে টমেটো, ফুলকপি, পাতাকপি ও সয়াবিনের চাষ করি।

২০ শতাংশ জমিতে আমার ২ থেকে ৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ৩ মাস ১০ দিনের মধ্যে বেগুনগুলো ১ কেজি আর কোনো কোনোটি দেড় কেজি আবার কোনোটি ২ কেজি ওজনের হয়। পরে ক্ষেত থেকে বেগুন তুলে পাইকারি বাজারে বিক্রির জন্য প্রথমদিন নিয়ে গেলে পাইকাররা দেখে অবাক হন। প্রথমদিন প্রতি কেজি বেগুন ৬০ টাকা দামে বিক্রি করেছি। বর্তমানে পাইকারি বাজারে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, এপর্যন্ত ১২ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছি। ক্ষেতে এখনও যে পরিমাণ বেগুন রয়েছে তাতে আরো ২০ হাজার টাকারও বেশি বিক্রি করতে পারবো। চাষ করার আগে বুঝতে পারিনি এতো লাভজনক এটি। আশা আছে আগামী বছর এক একর জমিতে এ বেগুন চাষ করবো।

ভোলা কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. হাসান ওয়ারিসুল কবীর জাগো নিউজকে বলেন, ভোলা জেলায় এবারই প্রথম বারি-১২ জাতে বেগুন চাষ হয়েছে। এবছর আমরা ভোলার সাত উপজেলায় ২০০ জন কৃষককে আমরা বিনা মূল্যে বীজ ও সার দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে বারি-১২ জাতের বেগুন চাষ করিয়েছি। এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৫০ জন কৃষক রয়েছে। আমরা খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পেরেছি কৃষকরা প্রত্যেকেই সফল হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ওই কৃষকদের সফলতা দেখে নতুন করে অনেক কৃষক আমাদের সাথে যোগাযোগ করছেন বারি-১২ জাতের বেগুন চাষ করার জন্য। আমারা আশা করছি আগামীতে কয়েক হাজার কৃষক দিয়ে এ জাতের বেগুন চাষ করবেন।

জুয়েল সাহা বিকাশ/এমএমএফ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

মনিরামপুরে নারকেলের ছোবড়া থেকে কোকোপিট: মাটিবিহীন চারা উৎপাদনের উপকরণ বানিয়ে আত্মকর্মসংস্থান আনসার সদস্যের

যশোরের মনিরামপুরের কুলটিয়া ইউনিয়নের আনসার-ভিডিপি সদস্য মো. রবিউল ইসলাম ছোবড়া থেকে আঁশ ছাড়ানোর পর বাকি পিথ প্রক্রিয়াজাত করে কোকোপিট তৈরি করছেন—প্রো-ট্রেতে টমেটো, মরিচ, বেগুন, ক্যাপসিকাম ও কপির চারার গ্রোয়িং মিডিয়াম; জেলা ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রতিদিনের সংবাদ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

নবীনগরে মালচিংয়ে পার্পল কিং বেগুন: দিনে ৪০–৪৫ কেজি, কেজি ৮০–১২০ টাকা—সেলুন ছেড়ে কৃষিতে মাঈন উদ্দিনের সাফল্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিদ্যাকুট গ্রামের মাঈন উদ্দিন বি-স্ট্রং প্রকল্প ও উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন করে আগাছা কম, আর্দ্রতা ভালো, ফলন বেশি পেয়েছেন; আরও দুই মাস হারভেস্ট চলবে, মৌসুম শেষে ৩ লাখ টাকার বেশি লাভের আশা, আগামীতে ৪ বিঘায় সম্প্রসারণ।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন বেগুনের কাণ্ডে কলম করে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চারা: শতাধিক নার্সারিতে বছরে ১.২ কোটি টাকার কেনাবেচা

সদর উপজেলার নাটাই উত্তর, রামরাইল ও মাছিহাতা ইউনিয়নে ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রাফটিং ও বীজ থেকে চারা উৎপাদনে জীবিকা নির্বাহ করছেন; উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হিসাবে প্রায় ৫ লাখ গ্রাফটিং চারা, মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা—জুন-অক্টোবরের বৃষ্টিতে সাধারণ টমেটো না হওয়ায় আমদানিনির্ভরতা কমানোর পথ।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()