সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

সেপ্টেম্বরেও গাছে আম: সাপাহারের ৭৫ বিঘার বাগানে গৌরমতি-কাটিমনে ৬৩ লাখ টাকার আশা

নওগাঁর সাপাহারে সোহেল রানার বরেন্দ্র এগ্রো বাগানে ১,৮০০ গৌরমতি ও ১,৭০০ কাটিমন গাছে অসময়ের আম ঝুলছে; মণপ্রতি ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ফল

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার উদ্যোক্তা সোহেল রানার বাগানে সেপ্টেম্বরেও গাছে গাছে আম ঝুলছে। অসময়ের এই আম বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে, আর এক মৌসুমে ৬৩ লাখ টাকার আম বিক্রির আশা করছেন তিনি।

বরেন্দ্র এগ্রো নামের ৭৫ বিঘার বাগানে ১ হাজার ৮০০ গাছে বিলম্বিত জাতের গৌরমতি এবং ১ হাজার ৭০০ গাছে বারোমাসি কাটিমন আম ধরেছে। আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে গৌরমতি এবং সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কাটিমন বাজারজাত শুরু হয়েছে।

সোহেল রানা গৌরমতি গাছ থেকে ৪০০ মণ এবং কাটিমন থেকে ৪৫০ মণ আম পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। মণপ্রতি গড়ে ৭ হাজার টাকা দরে কাটিমন থেকে ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং কমপক্ষে ৮ হাজার টাকা দরে গৌরমতি থেকে ৩২ লাখ টাকা—সব মিলিয়ে ৬৩ লাখ টাকার অমৌসুমি আম বিক্রির হিসাব তাঁর।

বাগানটি এলাকায় আলোড়ন তুলেছে; প্রতিদিন বহু মানুষ দেখতে আসছেন এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেকে নিজেরাও এমন বাগান করার কথা ভাবছেন। বাগান পরিচর্যায় স্থানীয় অন্তত ১০ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যাঁরা দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরি পান।

নওগাঁ জেলায় মৌসুমি জাতের পাশাপাশি বিলম্বিত গৌরমতি ও বারোমাসি কাটিমন চাষের প্রবণতা বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নওগাঁর উপপরিচালক মো. মনজুর রহমান জানান, বিলম্বিত জাত হওয়ায় বাগানমালিকেরা আমের দাম বেশি পাচ্ছেন; কৃষি বিভাগ আমচাষিদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে এবং জেলার চাষিরা ক্রমে লাভজনক ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছেন। খবরটি কৃষি সময়ের নওগাঁ সংবাদদাতার।

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

দুর্গাপুরের পরিত্যক্ত কয়লার ডিপোতে ৫০০ মাল্টাগাছ: এক একরের বাগানে এবার ৬–৭ লাখ টাকা বিক্রির আশা তিন উদ্যোক্তার

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০২১ সালে বারি-৩ ও ভিয়েতনামি জাতের মাল্টা লাগান রনি মিত্রেরা; বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, গত বছর সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফল বিক্রি, এবার দ্বিগুণের সম্ভাবনা; বাগানে কেজি ৮০–১০০ টাকায় কিনছেন পাইকারেরা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

সিরাজগঞ্জে ৪০০ হেক্টরের লক্ষ্য ছাড়িয়ে পেয়ারা, বাগান থেকেই পাইকারি ৪০–৪৫ টাকা কেজি: থাই ও কাজী জাতে দ্বিগুণ লাভের আশা

রায়গঞ্জ, কাজীপুর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া ও সদরে বাম্পার ফলন; যমুনার চরেও বাগান বাড়ছে; এক বাগানে দিনে ৫–৭ শ্রমিক, চারা লাগানোর ছয় মাসে ফল, পাঁচ বছর ফল দেয়—জানালেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মাওলা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

চা চাষের অনুপযোগী এক একরে ১৪ হাজার ড্রাগনগাছ: কুলাউড়ার সিরাজনগর চা-বাগানে দ্বিতীয় বছরেই ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি

২০২৪ সালে ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়া বাগানে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাত; কীটনাশক ছাড়া চাষ, ফুল আসার ২৫–২৬ দিনে ফল; চা-শ্রমিকেরা বাড়তি কাজ ও বিনামূল্যে ফল পাচ্ছেন, বলছেন ম্যানেজার শামীম ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()