নওগাঁর সাপাহার উপজেলার উদ্যোক্তা সোহেল রানার বাগানে সেপ্টেম্বরেও গাছে গাছে আম ঝুলছে। অসময়ের এই আম বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে, আর এক মৌসুমে ৬৩ লাখ টাকার আম বিক্রির আশা করছেন তিনি।
বরেন্দ্র এগ্রো নামের ৭৫ বিঘার বাগানে ১ হাজার ৮০০ গাছে বিলম্বিত জাতের গৌরমতি এবং ১ হাজার ৭০০ গাছে বারোমাসি কাটিমন আম ধরেছে। আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে গৌরমতি এবং সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কাটিমন বাজারজাত শুরু হয়েছে।
সোহেল রানা গৌরমতি গাছ থেকে ৪০০ মণ এবং কাটিমন থেকে ৪৫০ মণ আম পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। মণপ্রতি গড়ে ৭ হাজার টাকা দরে কাটিমন থেকে ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং কমপক্ষে ৮ হাজার টাকা দরে গৌরমতি থেকে ৩২ লাখ টাকা—সব মিলিয়ে ৬৩ লাখ টাকার অমৌসুমি আম বিক্রির হিসাব তাঁর।
বাগানটি এলাকায় আলোড়ন তুলেছে; প্রতিদিন বহু মানুষ দেখতে আসছেন এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেকে নিজেরাও এমন বাগান করার কথা ভাবছেন। বাগান পরিচর্যায় স্থানীয় অন্তত ১০ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যাঁরা দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরি পান।
নওগাঁ জেলায় মৌসুমি জাতের পাশাপাশি বিলম্বিত গৌরমতি ও বারোমাসি কাটিমন চাষের প্রবণতা বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নওগাঁর উপপরিচালক মো. মনজুর রহমান জানান, বিলম্বিত জাত হওয়ায় বাগানমালিকেরা আমের দাম বেশি পাচ্ছেন; কৃষি বিভাগ আমচাষিদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে এবং জেলার চাষিরা ক্রমে লাভজনক ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছেন। খবরটি কৃষি সময়ের নওগাঁ সংবাদদাতার।
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)