সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘ

রমজানের শুরুতেই কলকাতায় ফলের দাম চড়া

শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। এ মাসে সূর্যোদল থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। সন্ধ্যায় সূর্য ডোবার পরপরই পরিবার-পরিজন নিয়ে ইফতার করতে বসেন তারা। এসময় খেজুরসহ বিভিন্ন ধরনের ফলের চাহিদা থাকে বেশ। এ কারণে বেড়ে যায় ফলমূলের চাহিদা, সেই সঙ্গে বাড়ে দামও। এবারও রমজানের

ফল

শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। এ মাসে সূর্যোদল থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। সন্ধ্যায় সূর্য ডোবার পরপরই পরিবার-পরিজন নিয়ে ইফতার করতে বসেন তারা। এসময় খেজুরসহ বিভিন্ন ধরনের ফলের চাহিদা থাকে বেশ। এ কারণে বেড়ে যায় ফলমূলের চাহিদা, সেই সঙ্গে বাড়ে দামও। এবারও রমজানের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে ঊর্ধ্বমুখী ফলের দাম।

উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের খুচরা ফল বিক্রেতা বিনয় দাশ দাবি করেছেন, চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকায় ফলের দাম একটু বেশি। আর রমজান মাসে ফলের দাম বরাবরই কিছুটা বেশি থাকে, এটি ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে এক কেজি জামরুল বিক্রি হচ্ছে ১০০ রুপিতে। কোথাও একটু আকারের জামরুলের দাম হাঁকা হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৫০ রুপি। প্রতি কেজি তরমুজ ৩০ রুপি।

আরও পড়ুন>>

আপেলের দাম কেজিপ্রতি ২০০ রুপি। তবে তুরস্ক, আমেরিকা ও কাশ্মীরের আপেল বিক্রি হচ্ছে ৪০০ রুপিতে। দক্ষিণ আফ্রিকার আপেলেল দাম চাওয়া হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ রুপি।

ব্লুবেরি এক বাক্স ৩০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। কিউইর দাম একেকটা ৬০ রুপি। আঙ্গুর প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ রুপি। কালো আঙ্গুরের দাম কেজিপ্রতি ২০০ রুপি।

প্রতি কেজি বেদানা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৫০ রুপিতে। আনারস একেকটার দাম ৯০ রুপি। পেঁপে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ রুপি। ড্রাগন ফল (সাদা) প্রতি কেজি ২০০ রুপি, লাল রঙের ড্রাগন ফল ৩০০ রুপি প্রতি কেজি। চেরি ফল প্রতি কেজি ২ হাজার ৫০০ রুপি। পেয়ারা প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৫০ রুপি।

ইফতারে খেজুরের কদর থাকে সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী শহরাঞ্চলগুলোতে সৌদির খেজুর বিক্রি হচ্ছে প্রতি বাক্স ২৫০ রুপি। লোকাল খেজুর কিনতে গুনতে হচ্ছে ১৮০ রুপি থেকে ২৩০ রুপি।

আরও পড়ুন>>

ফল না হলেও ইফতারে আরেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান শসা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ রুপিতে।

শিয়ালদহের ফল বিক্রেতা জুয়েল চৌধুরী বলেন, ফলের দাম খুব বেশি বাড়েনি। রমজান মাসে সব ফলেরই জোগান ভালো। তরমুজ এতদিন প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ রুপিতে বিক্রি হয়েছে। সেই তরমুজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ রুপিতে। তবে আপেলের জোগান কম থাকায় দামটা একটু বেশি।

তিনি বলেন, রমজান মাসের শুরুতে মোটামুটি বেচাকেনা হচ্ছে। কয়েকটা রোজা পার হলে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছি।

রমজান উপলক্ষে ফল কিনতে আসা মোহাম্মদ মোজহার চৌধুরী বলেন, যে আপেল দু'দিন আগেও প্রতি কেজি ৩০০ রুপিতে কিনেছি, সেটি এখন ৪০০ রুপি চাইছে। যে পেয়ারা ৮০ রুপি দিয়ে কিনেছিলাম, সেগুলো চাচ্ছে ১৫০ রুপি। কীভাবে বলবো এত দাম কেন? কিন্তু ইফতারে ফল ছাড়া চলে না, তাই দাম বেশি থাকলেও অল্প করে নিয়ে যেতে হচ্ছে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
এগ্রোটেক

চাষিকে তথ্য-বিশ্লেষক হতে হবে না, বলছেন Orchard Robotics-এর Charlie Wu

Orchard Robotics-এর প্রতিষ্ঠাতা Charlie Wu বলছেন, ট্রাক্টরে বসানো তাঁদের এআই ক্যামেরা গাছ ধরে ধরে ফল গোনে ও মাপে, শ্রম ও উপকরণ সাশ্রয়ে প্রথম বছরেই তিন থেকে দশ গুণ ফেরত দেয়; আপেল থেকে কোম্পানিটি এখন আরও এক ডজন ফসলে যাচ্ছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()