'রিজেনারেটিভ অর্গানিক সার্টিফায়েড' (আরওসি) মানদণ্ডে উৎপাদিত খাবার প্রচলিত মানদণ্ডের তুলনায় মাপা যায় এমনভাবে বেশি পুষ্টিকর হতে পারে, বলছে রিজেনারেটিভ অর্গানিক অ্যালায়েন্স (আরওএ) ও খাদ্য পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এডেশাসের (Edacious) নতুন প্রতিবেদন। আরওএ নিজেই এই সনদ দেয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া চার বছরের অংশীদারত্বের প্রথম বছরের ফল এটি, যার উদ্দেশ্য মাটির যত্ন নেওয়া পুনরুৎপাদনশীল কৃষির খাবারের পুষ্টিমূল্য পরীক্ষা করা।
প্রথম বছরে ১৭টি ব্র্যান্ড অন্তত একটি আরওসি পণ্য পরীক্ষা করিয়েছে; ১৩টি ফল প্রকাশে রাজি হয়েছে, মোট ৪৬টি পণ্য: দানাশস্য ও ডাল, তেল, মাংস ও প্রোটিন, শাকসবজি-ফল, স্ন্যাকস ও ডিম। এডেশাস পুষ্টির ঘনত্ব এবং ভারী ধাতু ও গ্লাইফোসেটসহ দূষক মাপে, আর প্রতিটি উপাদান পরিবেশনপ্রতি মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) রেফারেন্স মানের সঙ্গে তুলনা করে; পাশাপাশি রাখা প্রচলিত পণ্যের নমুনার সঙ্গে নয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরওসি কিমা গরুর মাংসে ওমেগা-৩ ছিল ইউএসডিএ মানের চেয়ে ১২৪ থেকে ৩৮৮ শতাংশ বেশি, আর পরীক্ষিত ১০টি ডালের সবগুলোতে ফসফরাস ছিল ১৬ থেকে ৫৮৪ শতাংশ বেশি; কিছু ডাল সেলেনিয়ামের ভালো উৎস হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। আরওএর বিপণন প্রধান ডার্সি হাওয়ার্ড (Darcey Howard) জানান, প্রায় সব আরওসি মাংসে ওমেগা-৬ ও ওমেগা-৩-এর অনুপাত ১:১ থেকে ২.৩:১-এর মধ্যে, যেখানে প্রচলিত মাংসে তা ১৫:১ পর্যন্ত হতে পারে। তাঁর মতে এর কারণ সনদের মূল শর্ত, চারণভূমি ও ঘাসভিত্তিক খাবার।
এডেশাসের প্রধান নির্বাহী এরিক জে স্মিথ বলেন, পুষ্টি উপাদানের তালিকা দিয়ে নির্ধারিত হয় না; খাবার কীভাবে উৎপাদন হয় তা পাতে যা আসে তা বদলে দেয়, আর এখন তা মাপা যায়। প্রথম বছরে প্রোটিন ও আঁশে প্রকৃত পার্থক্য দেখা গেছে বলে জানান তিনি।
হাওয়ার্ডের মতে, ক্রেতারা মাটির স্বাস্থ্যের চেয়ে পুষ্টির ঘনত্ব, আঁশ আর প্রোটিনে বেশি সাড়া দেন, তাই এই তথ্য খাদ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজে লাগবে। দ্বিতীয় বছরে আরও ব্র্যান্ড ও কম প্রতিনিধিত্ব পাওয়া খাদ্যশ্রেণি যুক্ত করে ২০০টির বেশি পণ্য পরীক্ষার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রতিবেদনটি এজিফান্ডনিউজের জন্য লিখেছেন জেনিফার মারস্টন।
ছবি: USDA / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC0)
সূত্র: এজিফান্ডনিউজ





মন্তব্য
(০)