সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৭৮%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.২ মিমি

ঈদে চমক বাড়িয়েছে রেকাত আলীর গোলাপি মহিষ

নাটোর শহর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের ধারে ডাল সড়ক এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে ড্রিমল্যান্ড ক্যাটেল অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম। এই ফার্মে রয়েছে অদ্ভুত ধরনের তিনরঙা মহিষ এবং সাদা রঙের মহিষ। অ্যালবিনো জাতের এই ইন্ডিয়ান জাতের মহিষগুলো বাংলাদেশে দুষ্প্রাপ্য।

লাইভস্টক

নাটোর শহর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের ধারে ডাল সড়ক এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে ড্রিমল্যান্ড ক্যাটেল অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম। এই ফার্মে রয়েছে অদ্ভুত ধরনের তিনরঙা মহিষ এবং সাদা রঙের মহিষ। অ্যালবিনো জাতের এই ইন্ডিয়ান জাতের মহিষগুলো বাংলাদেশে দুষ্প্রাপ্য।

খামারের মালিক আলহাজ রেকাত আলী জানান, তার ফার্মে সাদা রঙের মহিষ এবং কালো গোলাপি ও সাদা রঙের মিশ্রিত মহিষ রয়েছে। এগুলো মূলত অ্যালবিনো এবং অ্যালবিনো রিভো জাতের মহিষ। ইন্ডিয়ান জাতের এই মহিষগুলো খোদ ইন্ডিয়াতেও দুষ্প্রাপ্য। তিনি অত্যন্ত শখের বসে ভিন্নরকম দেখতে এই মহিষগুলো ইন্ডিয়া থেকেই সংগ্রহ করেছেন। তার ফর্মে এই মহিষগুলো দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করেন ক্রেতা এবং দর্শনার্থীরা।

রেকাত আলী জানান, তিনি তার গরুগুলো হাটে তোলেন না বা হাটে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেন না। ক্রেতারা তার ফার্মে এসে দেখেশুনে দমে পোষালে গরু, মহিষ, ছাগল ও দুম্বা কিনে নিয়ে যান। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দাম এবং ক্রেতাদের ভিড় কম।

আরও পড়ুন

ফার্মে পাকিস্তানের শাহীওয়াল, কসবা, হাম বাঙ্কার, ইন্দোনেশিয়ান লাল হুন্ডি এবং দেশি জাতের গরু রয়েছে। এছাড়া তার ফার্মে ছাগল ও দুম্বা লালনপালন করা হয়।

তিনি জানান, ফার্মে ইন্দোনেশিয়ান জাতের কিছু বড় গরু রয়েছে, যেগুলো ১০০০ থেকে ১২৫০ কেজি ওজনের। এই গরুগুলো ১৫ লাখ থেকে ৩০ লাখ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হয়। এছাড়া দেখতে সুন্দর অ্যালবিনো জাতের মহিষগুলো সাড়ে ৫০০ কেজি থেকে ৮৫০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। এগুলো মূলত ৩ লাখ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার মধ্যে কেনাবেচা হচ্ছে।

ফার্মের গরুগুলোকে সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে লালনপালন করা হয়। এজন্য তিনি ২০ বিঘা জমিতে ঘাসের চাষ করেছেন। এর পাশাপাশি ভাতের মাড়, গমের ভুসি, খৈল, এংকার পাউডার মিশিয়ে গরু, মহিষগুলোকে খাওয়ানো হয়। এ কারণে এই ফার্মের পশুর চাহিদাও থাকে বেশি।

তবে এ বছর ক্রেতাদের তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অন্যান্য বছরে তুলনায় এবার গরু, মহিষ, ছাগল ও দুম্বার দামও কম রয়েছে। এর মধ্যে গো-খাদ্য ও শ্রমের দাম বেড়েছে। বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।

নওগাঁ থেকে গরু কিনতে আসা এক ক্রেতা জানান, অনলাইনে গরু দেখে তার কাছে দাম বেশি মনে হয়েছিল। তাই সরাসরি রেকাত আলীর ফার্মে আসেন এবং গরুর সাইজ দেখে একটি গরু ক্রয় করেছেন।

রেকত আলী জানান, অনলাইনে পশু বিক্রি করা ঝামেলার। ক্রেতা ফার্মে এসে সরাসরি দেখে শুনে কম-বেশি কিছু দামে পশু ক্রয় করতে পারেন। সেটাই অনেকটা ভালো এবং দামাদামি নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হয় না।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

বাজার ব্যবস্থাপনা

ঢাকার বাজারে আটা-ময়দার দাম বাড়ল, মুরগি ও ডিম এখনো চড়া

এক মাসে খোলা আটার কেজিতে ৫ টাকা ও ময়দায় ১০ টাকা বেড়েছে; ব্রয়লার মুরগি ১৯০–২০০ টাকা কেজি আর ডিম ডজন ১৫০ টাকায় আটকে আছে দেড় মাস ধরে।

প্রথম আলো১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

দুগ্ধ চেকঅফের অর্থ আর ইএসজি কর্মসূচিতে ব্যয় করা যাবে না, ঘোষণা ইউএসডিএর

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ দুগ্ধ চেকঅফ তহবিল থেকে পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসন (ইএসজি) উদ্যোগে অর্থায়ন বন্ধ করেছে এবং অন্য সব পণ্যের চেকঅফেও একই নিয়ম প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছে।

usda১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাদ্য সংকটে হাইতির ১৩ হাজার পরিবারে পৌঁছাচ্ছে বীজ ও ছোট গবাদিপশু

আঞ্চলিক মানবিক তহবিলের অর্থায়নে এফএওর জরুরি খাদ্য উৎপাদন কর্মসূচি হাইতির তিনটি সবচেয়ে সংকটাপন্ন বিভাগে ২০৫ টনের বেশি বীজ ও ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ছোট প্রাণী বিতরণ করছে।

এফএও নিউজরুম১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()