আয়ারল্যান্ডে উপকরণের ক্রমবর্ধমান খরচ, গরুর যক্ষ্মা, পানিদূষণ ও তরুণ কৃষকের সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে 'একই কাঠামোগত শিকড়' আছে, আর পুনরুৎপাদনশীল (রিজেনারেটিভ) কৃষিতে রূপান্তর একসঙ্গে এসবের সমাধান দিতে পারে। ৫ অক্টোবর প্রকাশিত ইউরোপিয়ান অ্যালায়েন্স ফর রিজেনারেটিভ এগ্রিকালচারের (ইএআরএ) এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এগ্রিল্যান্ড।
'রিজেনারেটিং সিস্টেমিক রিস্ক: আ কেস স্টাডি অন আয়ারল্যান্ড' নামের প্রতিবেদনটি ইএআরএর আইরিশ সদস্য কৃষকদের সঙ্গে মিলে তৈরি, যাতে টিগ্যাস্ক, কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান দপ্তর, ইউনিভার্সিটি কলেজ ডাবলিন ও সংগঠনটির নিজস্ব গবেষণার তথ্য ব্যবহার হয়েছে। ইএআরএর ভাষায়, বর্তমান কৃষি মডেল কৃষক, করদাতা এবং ক্রমশ এর পেছনের ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির জন্যও অতিরিক্ত ব্যয়বহুল।
উদাহরণ হিসেবে লিমেরিকের একটি পুনরুৎপাদনশীল দুগ্ধ খামারের কথা বলা হয়েছে: প্রতিবেদনের দাবি, আশপাশের খামারে যক্ষ্মা ছড়ালেও এই খামার মুক্ত থেকেছে, কেনা খাদ্য ৯৬ শতাংশ কমেছে, কোনো কৃত্রিম সার ব্যবহার হয় না, আর লিটারপ্রতি লাভ ৪০ থেকে ৫৮ সেন্ট, যেখানে জাতীয় গড় ৩০ থেকে ৩৯ সেন্ট।
ইএআরএর হিসাবে সারা দেশে পুনরুৎপাদনশীল কৃষির পথে যেতে খরচ হবে ৩৭০ কোটি ইউরো, কিন্তু আমদানিকৃত উপকরণে সাশ্রয় হবে প্রায় ১,৪০০ কোটি ইউরো। সংকট মোকাবিলায় এখন যে সরকারি অর্থ খরচ হয় তা ঘুরিয়ে এবং সুবিধাজনক ঋণ, ফলাফলভিত্তিক বিমা ও ন্যায্য চুক্তির মতো বেসরকারি অর্থায়নে এই রূপান্তরের খরচ জোগানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এসব অঙ্ক ইএআরএর নিজস্ব হিসাব ও উদাহরণ; সংগঠনটি নিজেই বলছে, প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত নীলনকশা নয়, আয়ারল্যান্ডে ইতিমধ্যে চলা একটি আন্দোলনে অবদান।
ছবি: Dr Neil Clifton / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)