সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

রাজশাহীতে আম বেচাকেনায় ‘ঢলন’ প্রথা বন্ধের সিদ্ধান্ত

রাজশাহী অঞ্চলের আম ব্যবসায় দীর্ঘদিনের প্রচলিত 'ঢলন' প্রথা বন্ধ করে এখন থেকে কেজি দরে আম বেচাকেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী অঞ্চলের আম ব্যবসায় দীর্ঘদিনের প্রচলিত 'ঢলন' প্রথা বন্ধ করে এখন থেকে কেজি দরে আম বেচাকেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ।

তিনি বলেন, আমচাষিরা যেন ন্যায্যমূল্য পান, সেটি নিশ্চিত করাই প্রশাসনের লক্ষ্য।

সভায় জানানো হয়, এতদিন ৪০ কেজির দাম দেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে আড়তদাররা ৪৪ থেকে ৫৪ কেজি পর্যন্ত আম নিতেন। এতে চাষিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কেজি হিসেবে আম বেচাকেনা হবে। একই সঙ্গে আড়তদারদের জন্য প্রতি কেজিতে তিন টাকা কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। এ সময় বক্তব্য রাখেন রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের উপ-পরিচালক শাহানা আখতার জাহান, ফল গবেষণা কেন্দ্র রাজশাহীর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুল ইসলাম, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের এজিএম মাহমুদুল আলম স্বজল।

সভায় রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আমচাষি, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়িত হলে আমচাষিদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার সকালে "আমের লাভ গিলে খাচ্ছে 'ঢলন' প্রথা" শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আম ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের অর্থনীতি প্রতিবছরই সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশের বাজারেও বাড়ছে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের কদর। তবে এই সাফল্যের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা 'ঢলন' নামে একটি প্রথা আমচাষিদের লাভের বড় অংশ কেড়ে নিচ্ছে।

প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কেজিভিত্তিক আম বেচাকেনা চালুর কথা থাকলেও বাস্তবে এখনো রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন মোকাম ও পাইকারি বাজারে কৃষকদের ৪০ কেজির (এক মণ) পরিবর্তে ৫২ থেকে ৫৪ কেজি পর্যন্ত আম দিতে হচ্ছে। অথচ মূল্য পরিশোধ করা হচ্ছে ৪০ কেজির হিসেবেই। ফলে প্রতি মৌসুমে শতকোটি টাকার আম বিনামূল্যে চলে যাচ্ছে ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের হাতে।

মনির হোসেন মাহিন/এসআর/এএমএ

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

স্ক্যাব রোগে কাশ্মীরের ভালো আপেল কম, উৎসবের চাহিদা মেটাতে পারছে না মান্ডি

চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্ক্যাব রোগ ছড়িয়ে পড়ায় এখন মান্ডিতে আসা কাশ্মীরি আপেলের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বি ও সি গ্রেডের, অথচ দিওয়ালির আগে এ গ্রেডের উপহার প্যাকের চাহিদা ভালো।

ইকোনমিক টাইমস১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বিনা খরচের স্যাটেলাইট ছবিতে খেতের খবর, সপ্তাহে একবার হোয়াটসঅ্যাপে পরামর্শ

ভারতের নাগপুরের স্টার্টআপ বর্ষাকৃষি স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে কৃষকের নিজের খেতের ১৮ মাসের ছবি পড়ে সবুজভাব ও বৃষ্টি মিলিয়ে দেখে, তারপর সপ্তাহে একটি ছোট হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় জানায় কী দেখতে হবে।

Rural Voice১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ইসলাম

স্পেনের জলপাই খামারে আন্দালুসের ইসলামি ঐতিহ্য তুলে ধরছেন এক মুসলিম দম্পতি

মালাগার কাছে ৩৫ একরের খামারবাড়ি কিনে ‘হাউস অব আন্দালুস’ গড়ছেন হেনরিয়েটা সোভাতি ও ইমাম আজমল মাসরুর; সেখানে ৪০০ জলপাইগাছ, পরিকল্পনা কোরআনিক বাগান ও গ্রন্থাগারের।

বার্তা২৪১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)