ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর আফতাবনগর পশুর হাটে গরু বিক্রি করতে এসেছেন মাদারীপুরের এনামুল ফরাজি। পারিবারিকভাবেই কৃষিকাজ ও গরুর খামারি তারা। তবে এর আগে কখনো ঢাকায় গরু নিয়ে আসেননি। পদ্মা সেতুর কারণে যাতায়াতে সুবিধা হওয়ায় এবারই প্রথম গরু নিয়ে ঢাকা এসেছেন তিনি। কিন্তু আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় ও গরু বিক্রি না হাওয়ায় সন্তুষ্ট নন এনামুল।
শুক্রবার (৮ জুলাই) আফতাবনগর গরুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, বিদেশি জাতের ৩টা গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এনামুল ফরাজি ও তার ভাতিজা মিরাজ ফরাজি। গরুগুলো আকৃতিতেও বেশ বড়। চাচা-ভাতিজা মিলে মাদারীপুরের দুদখালি ইউনিয়নের পাতিলাদি গ্রাম থেকে ৪টা গরু নিয়ে ঢাকায় এসেছেন। পারিবারিকভাবেই তারা খামারি। প্রতি বছর মাদারীপুরে স্থানীয় হাটে গরু বিক্রি করেন তারা। এবারই প্রথম ঢাকায় গরু এনেছেন। ভালো দাম পাবেন এই আশায় ঢাকায় আসলেও গরুগুলো বিক্রি হচ্ছে না।
জাগো নিউজকে এনামুল বলেন, আমাদের খামারে ৪২টা গরু আছে। তার মধ্য থেকে ঢাকায় এনেছি চারটা। এর মধ্যে গত তিনদিনে মাত্র একটা গরু বিক্রি হয়েছে। অথচ গ্রামের হাটে ১৪টা গরু বিক্রি হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ভেবেছিলাম ঢাকায় টাকা ওয়ালা মানুষ আছে, বিক্রি হবে ভালো। কিন্তু দামও বলে কম, কেনেও কম। গ্রামে খুব বেশি দামাদামি করে না। কিন্তু ঢাকায় আড়াই লাখ টাকার গরু দেড় লাখের বেশি বলে না।
এনামুলের ভাতিজা মিরাজ ফরাজি জাগো নিউজকে বলেন, ৫ জুলাই রাতে ৪টা গরু নিয়ে ঢাকায় এসেছি। এর মধ্যে ৭ জুলাই একটা গরু এক লাখ ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। বাকি তিনটার মধ্যে সবচেয়ে বড়টা প্রথম দিকে দাম চেয়েছিলাম ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। মাঝারি আকৃতির গরুর দাম চেয়েছিলাম ৫ লাখ ২০ হাজার এবং ছোটটার ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু গত তিনদিনে বিক্রি না হওয়াতে এখন দাম কমিয়ে বড়টা ৪ লাখ ৫০ হাজার, মাঝারিটা ৪ লাখ ৩০ হাজার ও ছোটটা ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাচ্ছি। তারপরও বিক্রি হচ্ছে না।
এমআইএস/কেএসআর/এএসএম





মন্তব্য
(০)