২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে খোসাসহ হিসাবে পেস্তা উৎপাদিত হয়েছে ১.৫৮ বিলিয়ন পাউন্ড, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। পুরো শতাব্দীজুড়ে চলা একটি ঊর্ধ্বমুখী ধারার সর্বশেষ ধাপ এটি।
এই উত্থানের মাত্রাটা সহজে চোখে পড়ে না। মার্কিন উৎপাদন ২০০০ সালে প্রথমবার ২০ কোটি পাউন্ড ছাড়ায়, ২০১৬ সালে ৮০ কোটি পাউন্ড পেরোয় এবং ২০২০ সালে পৌঁছায় ১০০ কোটি পাউন্ডে। সঙ্গে বেড়েছে ফলনক্ষম জমিও—গত দুই দশকে তা বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ, কারণ অনেক আগে লাগানো বাগানগুলো ফল দিতে শুরু করেছে।
দেশে-বিদেশে চাহিদাও তাল মিলিয়ে বেড়েছে। ইআরএস গবেষকদের হিসাবে, মাথাপিছু পেস্তার প্রাপ্যতা—মানুষ আসলে কতটা খাচ্ছে তার আনুমানিক মাপ—গত মৌসুমে কাঠবাদামের চেয়ে কম থাকলেও প্রথমবারের মতো আখরোট ও পিক্যানকে ছাড়িয়ে গেছে।
অন্য বেশির ভাগ মার্কিন ফল ও বাদাম উৎপাদকের তুলনায় পেস্তাচাষির দামের ওপর রপ্তানির প্রভাব বেশি। গত এক দশকে প্রতি মৌসুমে মার্কিন পেস্তা সরবরাহের প্রায় অর্ধেকই বিদেশে গেছে, ফলে দেশীয় চাষি কত দাম পাবেন তা অনেকটাই নির্ভর করে বিদেশি চাহিদার ওপর।
২০২৫ সালের ফসল দিয়ে টানা দশম বছর পেস্তা রপ্তানিতে বিশ্বে শীর্ষে থাকল যুক্তরাষ্ট্র।
উচ্চমূল্যের বিকল্প ফসল হিসেবে বাদামজাতীয় গাছ নিয়ে যাঁরা ভাবছেন, তাঁদের জন্য এই রেকর্ড একটি কথা মনে করিয়ে দেয়—অপেক্ষাটা দীর্ঘ। ২০২৫ সালে যে জমি থেকে ১.৫৮ বিলিয়ন পাউন্ড পেস্তা এসেছে, তা লাগানো হয়েছে আগের দুই দশক ধরে; আর বাদামের বাগান বছরের পর বছর কিছুই না দিয়ে তবেই দিতে শুরু করে।
তথ্য নেওয়া হয়েছে ইআরএসের ফ্রুট অ্যান্ড ট্রি নাটস আউটলুকের ২০২৬ সালের মার্চ সংস্করণ থেকে, যা তৈরি করেছেন ক্যাথারিন ওয়েবার।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)