সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

ফুলকপির মৌসুম শেষ হওয়ার আগে যে রান্নাগুলো অবশ্যই খেতে হবে

শীত ফুরিয়ে গেলো, সেই সঙ্গে বাজারে কমতে শুরু করেছে শীতের বাহারি সবজিগুলোও। এর মধ্যে অন্যতম ফুলকপি। এই সবজি স্বাদ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। তাই ফুলকপি দিয়ে বাঙালি রান্নায় নানা ধরনের পদ তৈরি করা যায়। ফুলকপির মৌসুম শেষ হওয়ার আগে চলুন জেনে নিই এমন কিছু মজাদার রেসিপির কথা, যা প্রতিটি বাঙালি পরিবারে বিশেষ স্থান

শাকসবজি

শীত ফুরিয়ে গেলো, সেই সঙ্গে বাজারে কমতে শুরু করেছে শীতের বাহারি সবজিগুলোও। এর মধ্যে অন্যতম ফুলকপি। এই সবজি স্বাদ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। তাই ফুলকপি দিয়ে বাঙালি রান্নায় নানা ধরনের পদ তৈরি করা যায়। ফুলকপির মৌসুম শেষ হওয়ার আগে চলুন জেনে নিই এমন কিছু মজাদার রেসিপির কথা, যা প্রতিটি বাঙালি পরিবারে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

১. ফুলকপির পাকোড়া ও চপফুলকপির পাকোড়া বা চপ হল স্ন্যাক্সের আদর্শ পদ। ফুলকপিকে ভালো করে সিদ্ধ করে মসলা মেখে বেসনে ডুবিয়ে তেলে ভাজলেই তৈরি হয়ে যায় গরম গরম পাকোড়া। এটি চায়ের সঙ্গে খেতে দারুণ লাগে।

২. ফুলকপির কাটলেটফুলকপির কাটলেট একটি সুস্বাদু স্ন্যাক্স। সিদ্ধ ফুলকপি, আলু, পেঁয়াজ, মরিচ ও মসলা মিশিয়ে গোল আকৃতি দিয়ে ব্রেডক্রাম্বে কোট করে ভেজে নিলেই তৈরি। এটি শিশুদেরও খুব পছন্দের।

৩. ফুলকপির ফুলকারিফুলকপির ফুলকারি হল বাঙালি রান্নার একটি ক্লাসিক পদ। ফুলকপিকে আলু ও টমেটোর সঙ্গে রান্না করে মসলার ঘন ঝোল তৈরি করা হয়। এটি ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে খুবই ভালো লাগে।

৪. মালাই ফুলকপিমালাই ফুলকপি একটি রিচ ডিশ। ফুলকপিকে দুধ, মালাই এবং মসলার সঙ্গে রান্না করে তৈরি করা হয়। এটি বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা যায়।

৫. মাছ ও ডিমের তরকারিতে ফুলকপিফুলকপি মাছ বা ডিমের তরকারির সঙ্গে মিশিয়ে রান্না করলে স্বাদ আরও বাড়ে। রুই বা কাতলা মাছের সঙ্গে ফুলকপি দিয়ে ঝোল ঝোল তরকারি তৈরি করা যায়। আবার ডিম ভেজে ফুলকপির সঙ্গে মিশিয়ে রান্না করলেও দারুণ স্বাদ হয়।

৬. ফুলকপির রোস্টফুলকপির রোস্ট একটি সহজ ও সুস্বাদু পদ। ফুলকপিকে হালকা ভেজে নেওয়ার পর পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও মসলা দিয়ে রোস্ট করা হয়। এটি ভাত বা পরোটার সঙ্গে খেতে খুবই ভালো।

৭. ফুলকপির মুসল্লমফুলকপির মুসল্লম একটি বিশেষ পদ। সচরাচর কম দেখা যায়। তবে বানানো সহজ। পুরো ফুলকপিকে মসলা মাখিয়ে তেলে ভেজে বা গ্রিল করে তৈরি করা হয়। এটি দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনই স্বাদেও অনন্য।

৮. ফুলকপির কোরমাফুলকপির কোরমা একটি রিচ ডিশ। ফুলকপিকে নারকেলের দুধ ও মসলার সঙ্গে রান্না করে তৈরি করা হয়। এটি পোলাও বা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

৯. মেথি স্বাদে ফুলকপির কারিমেথি ফুলকপির কারি হল একটি স্বাস্থ্যকর পদ। মেথি বীজ ও ফুলকপির কম্বিনেশন স্বাদে ও গন্ধে অনন্য। এটি ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে খুবই ভালো।

ফুলকপি দিয়ে তৈরি এই পদগুলো শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। ফুলকপির মৌসুম শেষ হওয়ার আগে এই পদগুলো রান্না করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উপভোগ করুন। প্রতিটি পদই বাঙালি রান্নার ঐতিহ্য ও স্বাদের প্রতীক। তাই দেরি না করে আজই রান্নায় চেষ্টা করুন এই সুস্বাদু সবজিটি দিয়ে!

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

লেজারে আগাছা দমন করা Carbon Robotics-এর আয় ১০ কোটি ডলার ছাড়াল, লক্ষ্য এখন আইপিও

সিয়াটলের লেজার-আগাছানাশক যন্ত্র নির্মাতা Carbon Robotics ২০২৬ সালের মার্চে শেষ হওয়া বছরে ১০ কোটি ডলার আয় অতিক্রম করেছে, একটি নতুন অঘোষিত কৃষিযন্ত্র বানাচ্ছে এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে, জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠাতা Paul Mikesell।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৩১ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

পেঁয়াজের দামে ধস, বিপাকে কৃষক

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবারও কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না পেঁয়াজ চাষিরা। বিশেষ করে রাজশাহী ও পাবনায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে।

শাইখ সিরাজ১০ জুলাই ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

যেভাবে ডিম রান্না করলে একবার খেলে বারবার চাইবে

ডিম আমাদের খাবারের তালিকায় পরিচিত ও সহজলভ্য খাবার। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ডিম দিয়ে তৈরি করা যায় নানা রকম সুস্বাদু পদ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া রান্নায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে একটি জনপ্রিয় বিদেশি রেসিপি, চাইনিজ টমেটো এগ স্ক্র্যাম্বল। এই খাবারটি মূলত চীনের খুবই পরিচিত একটি ঘরোয়া পদ, যা এখন বাংলাদেশেও বেশ

জাগো নিউজ ২৪৬ মে ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()