সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

ফসলে কেন অনুখাদ্য প্রয়োজন

ফসলে অনুখাদ্য বা মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন। কারণ এগুলো উদ্ভিদের সঠিক বৃদ্ধি, বিকাশ এবং ফলনের জন্য অপরিহার্য। অনুখাদ্যগুলো উদ্ভিদের এনজাইম, হরমোন এবং ক্লোরোফিল গঠনে সহায়তা করে। এগুলো মাটি থেকে পুষ্টি শোষণ, ফুল ও ফল ধারণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যেমন দস্তা পাতার ক্লোরোফিল তৈরি ও বৃদ্ধিতে

ফল

ফসলে অনুখাদ্য বা মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন। কারণ এগুলো উদ্ভিদের সঠিক বৃদ্ধি, বিকাশ এবং ফলনের জন্য অপরিহার্য। অনুখাদ্যগুলো উদ্ভিদের এনজাইম, হরমোন এবং ক্লোরোফিল গঠনে সহায়তা করে। এগুলো মাটি থেকে পুষ্টি শোষণ, ফুল ও ফল ধারণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যেমন দস্তা পাতার ক্লোরোফিল তৈরি ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, আয়রন ক্লোরোফিল সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ এবং বোরন ফুল ও ফলের গঠন উন্নত করে।

তাই ফসলে পরিমিত পরিমাণে অনুখাদ্য সরবরাহ করলে উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। একটি গাছের বেঁচে থাকতে ১৭টি উপাদান প্রয়োজন হয়। তাই সুষম সার বা মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট (অনুখাদ্য) ব্যবহার করা জরুরি। গাছে এই ১৭টি উপাদানের যে কোনো একটির অভাব থাকলে গাছ অল্প কিছুদিনের মধ্য আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে যায় এবং বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ শুরু হয়।

গাছের অনুখাদ্যের অভাবে যেসব সমস্যা হয়

১. পাতা হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে, ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে২. ফুল-ফল ঝরে পড়া৩. ফলের আকার ছোট হয়ে যাওয়া৪. গাছের বৃদ্ধি থেমে যাওয়া৫. বিভিন্ন ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের আক্রমণ বেড়ে যায়।

তাই প্রতিটি গাছে অনুখাদ্য ব্যবহার জরুরি। গাছের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি উপাদান সঠিক অনুপাতে মিশিয়ে এই অনুখাদ্য তৈরি করা হয়। এটি প্রয়োগ করলে বাড়তি কোনো সার প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় না। যা একবার ব্যবহার করলে আগামী ৪-৫ মাস আর কোনো সার ব্যবহার করতে হবে না। মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গাছের পরিচর্যা বলতে আমরা বুঝি, গাছের সার প্রয়োগ, পোকামাকড়ের সমস্যা দেখা দিলে কীটনাশক ব্যবহার এবং ছত্রাক ঘটিত সমস্যায় ছত্রাকনাশক ব্যবহার করে থাকি। একটি বিষয় আমরা অনেক সময় গুরুত্ব দিয়ে দেখি না। সেটি হলো, মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা অনুখাদ্য প্রয়োগ করা। এ অনুখাদ্য লাগে কম কিন্তু এর অভাবজনিত সমস্যা খুবই বড় এবং জাটিল।

মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট ফার্টিলাইজারের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী ভূমিকা

১. গাছের পাতা গাঢ় সবুজ করে মাত্র ৩-৪ দিনে২. গাছ ঝিমিয়ে পড়লে দ্রুত সতেজ করে৩. ফুলের রং ও অধিক পরিমাণে ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়৪. সালোকসংশ্লেষণ কার্যক্রমে সহায়তা করে৫. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে৬. গাছের শিকড়ের শক্তি বাড়ায়।

সঠিক পরিমাণে মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট ব্যবহার করলে গাছের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তাই সুষম মাত্রায় মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট ব্যবহার করলে গাছ হয়ে উঠবে সতেজ, সুন্দর ও প্রাণবন্ত। রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে যদিও এর ফলাফল খুবই দ্রুত পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে গাছের শিকড়ের ক্ষতি হতে পারে। একই জমিতে দীর্ঘদিন রাসায়নিক সার ব্যবহার করার কারণে মাটিতে রাসায়নিকের উপস্থিতি বেড়ে যায় এবং অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে মাটির অনুজীব, যারা গাছের খাবার সরবরাহ করতে সহায়তা করে, তাদের ক্ষতি হয়।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
এগ্রোটেক

চাষিকে তথ্য-বিশ্লেষক হতে হবে না, বলছেন Orchard Robotics-এর Charlie Wu

Orchard Robotics-এর প্রতিষ্ঠাতা Charlie Wu বলছেন, ট্রাক্টরে বসানো তাঁদের এআই ক্যামেরা গাছ ধরে ধরে ফল গোনে ও মাপে, শ্রম ও উপকরণ সাশ্রয়ে প্রথম বছরেই তিন থেকে দশ গুণ ফেরত দেয়; আপেল থেকে কোম্পানিটি এখন আরও এক ডজন ফসলে যাচ্ছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()