সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ১৪ কিমি/ঘ

পানিশূন্য হুরাসাগর, বিপাকে চাষি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের বুক চিরে উত্তর-দক্ষিণে বয়ে গেছে হুরাসাগর নদী। একসময় গ্রীষ্মকালে নদীর পানি ব্যবহার করেই ফসল ফলাতেন কৃষক। আবার বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি জমা হতো জলাধারে। এতে সারা বছর কৃষকের পানির চাহিদা মিটতো। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে শুষ্ক মৌসুমে এই নদীতে আর পানি মিলছে না।

ফসল

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের বুক চিরে উত্তর-দক্ষিণে বয়ে গেছে হুরাসাগর নদী। একসময় গ্রীষ্মকালে নদীর পানি ব্যবহার করেই ফসল ফলাতেন কৃষক। আবার বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি জমা হতো জলাধারে। এতে সারা বছর কৃষকের পানির চাহিদা মিটতো। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে শুষ্ক মৌসুমে এই নদীতে আর পানি মিলছে না।

বছরের অর্ধেকেরও বেশি সময় থাকে পানিশূন্য। এর প্রভাব পড়ছে চাষাবাদে। শুধু তাই নয়, পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপেও উঠছে না পানি। এতে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। অথচ জাহাজযোগে একসময় এ অঞ্চলের মানুষ কলকাতায় চলাচল করতেন বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কালের বিবর্তনে পানিশূন্য হয়ে পড়েছে হুরাসাগর। প্রাণহীন নদীর ওপর দিয়ে এঁকেবেঁকে চলে গেছে পায়ে হেঁটে চলার রাস্তা। নদীর সব রূপ-লাবণ্য হারিয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে কৃষিতে। নদীনালা, খাল-বিলে পানি না থাকায় সেচকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানি। এতে একদিকে যেমন ফসল উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে, তেমনি ভূগর্ভস্থ পানির স্তরেও চাপ পড়ছে।

উপজেলার পোরজনা গ্রামের কৃষক আফসার আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‌'হুরাসাগরে এখন চার মাস পানি থাকে। এখন মেশিনেও পানি ওঠে না। জমিতে যে পানি দেবো সেই ব্যবস্থাও নেই।'

কোরবান শেখ নামের আরেক চাষি জাগো নিউজকে বলেন, 'নদীতে পানি নেই। এমনকি নলকূপেও ঠিকভাবে পানি উঠছে না। এতে ফসলের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।'

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মশকর আলী জাগো নিউজকে বলেন, 'শুষ্ক মৌসুমে নদীতে যখন পানি থাকে না, তখন ছোট নদী ও খালগুলোও পানিশূন্য থাকে। এতে ফসল উৎপাদনে কৃষকের সমস্যা হয়। বিশেষ করে পানির স্তর নিচে নেমে যায়। এতে সেচপাম্পে পর্যাপ্ত পানি না ওঠায় ব্যয় বেড়ে যায়।'

হুরাসাগর পাবনা ও সিরাজগঞ্জের নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৬৬ কিলোমিটার, প্রস্থ ৬০ মিটার ও গভীরতা সাত মিটার।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি দীপক কুমার কর জাগো নিউজকে বলেন, 'এ অঞ্চলের নদ-নদী ও খাল-বিল শুকিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ভারতের মরুকরণ প্রক্রিয়া। দেশের পানির হিস্যা আদায়ে বহুমুখী পরিকল্পনা ও কর্মপন্থার কথা বলা হলেও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আজও কোনো সাড়া মেলেনি।'

সিরাজগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, নদীতে নাব্য একদমই নেই। বর্ষাকালে বৃষ্টি থেকে আমরা যে পানি পাই, সেটা ধরে রাখা যাচ্ছে না। এতে যে পরিমাণ পানি ভূগর্ভে যাওয়ার কথা, সেটা যাচ্ছে না। এজন্য আমরা প্রতিবছর ভূগর্ভ থেকে যে পানি তুলছি, সে পরিমাণ পানি রিচার্জ হচ্ছে না। ফলে সংকট দেখা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, যদি নদীগুলো খনন করে নাব্য ফিরিয়ে আনা যায়, তাহলে নদী ও খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি জমা হবে। পানি সংকট কেটে যাবে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর কমে যায়। এসময় বড় নদী বাদে ছোট নদীগুলোর পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যায়। যে কারণে শুষ্ক মৌসুমে ছোট নদীগুলোয় পানিপ্রবাহ পাওয়া যায় না।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ক্যামেরায় সয়াবিনের রোগ ধরা পড়ে দেরিতে, লক্ষণের আগেই সংকেত চান InnerPlant-এর বিজ্ঞানীরা

InnerPlant-এর দুই বিজ্ঞানীর মত, ড্রোন, ক্যামেরা বা এআই—সবই সয়াবিনের ছত্রাক রোগ ধরে লক্ষণ দেখা দেওয়ার পরে, যখন স্প্রে করার সময় পেরিয়ে গেছে; তাঁদের প্রস্তাব, সংক্রমণের প্রায় ১০ দিন আগেই সংকেত দিতে পারে এমন গাছ।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

ট্রাক্টরের গতিতে মাটির এনপিকে মানচিত্র: ১ কোটি ২৫ লাখ ডলার তুলল TerraBlaster

মঙ্গলযানে প্রথম ব্যবহৃত লেজার-প্রযুক্তিতে ট্রাক্টর চলার সঙ্গে সঙ্গে মাটির নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও পিএইচ পড়া TerraBlaster ২০২৭ সালে বাণিজ্যিক বিক্রির আগে Ulu Ventures-এর নেতৃত্বে ১ কোটি ২৫ লাখ ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৫ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফসল

কৃষি নিয়ে সরকারের পদক্ষেপের ১৮০ দিন

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি কৃষি। অথচ ন্যায্যমূল্য, মানসম্মত সার-কীটনাশক, সেচ, কৃষিঋণ ও শস্যবীমা পেতে কৃষক দীর্ঘদিন অবহেলিত। কৃষকের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।

শাইখ সিরাজ২২ আগস্ট ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()