সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৭ মিমি

পাখির কলতানে ঘুম ভাঙে যেখানে

তাহমিদ হাসান

পরিবেশ

তাহমিদ হাসান

জনপদের কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা শহরের অদূরে গড়ে ওঠা সাভার গণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র যেন প্রকৃতির আনিন্দ্য সুন্দর এক লীলাভূমি। প্রকৃতিতে শীতের ছোঁয়া লাগতে না লাগতেই গণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও তার আশেপাশের জলভূমি মেতে উঠেছে অতিথি আপ্যায়নে। স্থানীয় ও অভিজ্ঞদের মতে আগামী কয়েক মাস এসব পাখির দেখা মিলবে এ অঞ্চলে।

এখানে ভোর বেলার আলো জাগে পাখিদের কলতানে, আর শীতের হালকা হিমেল হাওয়া বয়ে আনে প্রকৃতির এক নতুন রূপ। জলাশয়ের নীরব জলে ভেসে বেড়ায় রঙিন পাখিদের প্রতিচ্ছবি, আর বাতাসে মিশে থাকে তাদের ডানার ফাঁকে ভেসে আসা দূরন্ত সুর।

শীতের আগমনী বার্তায় যেন এই প্রাকৃতিক লীলাভূমি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। সাইবেরিয়ার বরফ ঢাকা প্রান্তর কিংবা লাদাকের শীতল ভূমি পেরিয়ে পরিযায়ী পাখিরা আসে এদেশে। তাদের সঙ্গে যেন প্রকৃতিও আনে নতুন এক সুর, নতুন এক আবেশ। জনপদের কোলাহল পেরিয়ে এই অতিথি পাখিদের কলকাকলিতে মেতে ওঠে পুরো অঞ্চল।

মূলত বর্ষার শেষে থেকে এই অঞ্চলে এসব পাখির আগমন শুরু হলেও শীতের প্রথম ভাগেই জমজমাটভাবে তাদের অবস্থান পাওয়া যায়। তবে মার্চ মাসের প্রায় শেষের দিকে ফিরে যায় এসব পরিযায়ীরা।

এই সময়টাতে বাংলাদেশের জলাশয়গুলোর পানি কমতে থাকে। ফলে খুব সহজেই পাখির পছন্দের খাবার শামুক, ঝিনুক, ছোট মাছ, পানির নিচে ভাসমান কচিপাতাসহ বেশ কিছু উপাদান তাদের খাবারের চাহিদা মেটায়। প্রায়শই গণস্বাস্থ্যের পিএইচের রাস্তার দু'ধারে জলাশয়ে দলবেধে থাকতে দেখা যায় পাখিদের।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বড় লেক থেকে ছোট জলাশয়ের ছুটে যায় এই পাখিগুলো। সন্ধ্যার পরপরই দল বেঁধে উঠে যায় পাশের গাছ কিংবা বাঁশ ঝাড়গুলোর মাথায়। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসাইবা ইসলাম বলেন, 'শীতকালের অপররূপ সৌন্দর্যের মাত্রা আরো বাড়িয়ে তোলে এই পরিযায়ী পাখিরা। তবে শীত শেষে যখন তারা চলে যায় তখন এই লেক গুলা কেমন শূন্যতায় ভরে ওঠে।'

গণস্বাস্থ্যের অভ্যন্তরের আবাসগুলোতে থাকা কর্মচারীদের থেকে জানা যায়, পাখপাখালির কলতানেই ঘুম ভাঙে তাদের। সকালে ঝাকবেধে বিভিন্ন প্রজাতির নাম না জানা পাখি আসলেও হাঁস প্রজাতির পাখিগুলোই সারাদিন চোখে পড়ে। পানিতে ছোট বড় বিভিন্ন জাতের হাঁসের বাচ্চাও চোখে পড়ে।

তবে এই লেক জলাশয়গুলো সংরক্ষণ করার অভাবে পাখিদের আবাস বিপর্যয়ের মুখেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের। শীতপ্রধান অঞ্চলে যখন প্রকৃতির বিরূপতায় পাখিদের খাবার বরফে ছেয়ে যায়। ঠিক তখনই খাদ্য সংকট থেকে বাঁচতে উপযোগী স্থান খুঁজতেই এঅঞ্চলে এসে স্বল্পকালীন আবাস গড়ে পাখিরা।

এ সম্পর্কে পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক মেসবাহ্-উস-সালেহীন জানান, 'এক সময় আবহাওয়াগত কারণে লাখ লাখ পাখি এই ভূ-খণ্ডে আসতো ও তাদের বিচরণও তেমন লক্ষণীয় ছিল। তবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও এসব ব্যাপারে সুচিন্তা না থাকায় নষ্ট হচ্ছে পাখিদের আবাসস্থল।'

'বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে তাদের টিকে থাকা। এই ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা দেশীয় পাখিরাও। সামগ্রিক সচেতনতা ও পরিকল্পিত প্রকল্পই এসব জীববৈচিত্রকে রক্ষা করতে পারে।'

লেখক: শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মী

জেএমএস/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()