সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

ভারত থেকে আমদানি বাড়ায় ঢাকার বাজারে কমেছিল পেঁয়াজের দাম

২০২১ সালের ২১ অক্টোবর ঢাকার খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকার বেশি থেকে নেমে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় এসেছিল; পূজার পর ভারত থেকে বাড়তি পেঁয়াজ আসা ও আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের পর এই দরপতন ঘটে।

ভারত থেকে আমদানি বাড়ায় ঢাকার বাজারে কমেছিল পেঁয়াজের দাম
এগ্রোবিজ

২০২১ সালের অক্টোবরের শুরুতে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম মাসের তৃতীয় সপ্তাহে কমতে শুরু করেছিল। ২১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে জাগো নিউজ ২৪ জানায়, কয়েক দিন আগেও খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ টাকার বেশিতে বিক্রি হলেও তখন তা মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় মিলছিল। ব্যবসায়ীরা দাম কমার প্রধান কারণ হিসেবে ভারত থেকে বাড়তি পেঁয়াজ আসার কথা বলেছিলেন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজার আর অস্থির হবে না বলে আশা করেছিলেন।

খুচরা ও পাইকারি বাজারে দাম কত ছিল


জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খুচরা বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। এর প্রভাবে দেশি পেঁয়াজের দামও কমে প্রায় ৬০ টাকায় নেমেছিল, যদিও কিছু দোকানে বাছাই করা ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

রাজধানীর সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার শ্যামবাজারেও প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম প্রায় ১০ টাকা কমেছিল। সেখানকার ব্যবসায়ী খোকন হোসেন জাগো নিউজকে জানান, তিনি বাছাই করা দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫২ থেকে ৫৪ টাকায় বিক্রি করছিলেন, যা কয়েক দিন আগে ৬২ থেকে ৬৪ টাকায় উঠেছিল। সাধারণ মানের দেশি পেঁয়াজের দাম তখন ছিল ৪৫ থেকে ৪৭ টাকা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পূজার ছুটি শেষ হওয়ার পর ভারত থেকে প্রচুর পেঁয়াজ এসেছিল এবং পাইকারিতে সেগুলো ৪২ থেকে ৪৩ টাকায় পাওয়া যাচ্ছিল, ফলে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমেছিল।

দাম কেন বেড়েছিল, কেন কমল


দামের এই ওঠানামা শুরু হয়েছিল মাসের গোড়ায়। দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ২০২১ সালের ৪ অক্টোবর জানায়, দেশি পেঁয়াজ তখন খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, যা মাত্র তিন দিন আগে ছিল ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা। ভারতের নাসিকসহ পেঁয়াজ উৎপাদনকারী বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আমদানি খরচ কেজিপ্রতি ৪৬ থেকে ৪৮ টাকায় উঠেছিল বলে ব্যবসায়ীরা পত্রিকাটিকে জানান। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, সে বছর দেশে ২৬ লাখ টনের বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছিল, যা দেশের বার্ষিক চাহিদার চেয়ে বেশি। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সম্পাদক হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া এই দাম বৃদ্ধিকে একটি সিন্ডিকেটের কারসাজি বলে অভিযোগ করেছিলেন।

দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারও পদক্ষেপ নিয়েছিল। গ্লোবাল ট্রেড অ্যালার্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ পেঁয়াজ আমদানির ওপর থেকে ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে এবং ছাড়ের মেয়াদ ধরা হয় ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত। এর উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসায়ীদের আমদানি খরচ কমানো এবং ঊর্ধ্বমুখী দাম সামাল দেওয়া। ঢাকা ট্রিবিউন ১৬ অক্টোবর জানায়, আগের সপ্তাহে কোথাও কোথাও ৮০ টাকায় ওঠা পেঁয়াজের দাম তিন দিনে ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছিল। হাতিরপুল কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আফজাল হোসেন পত্রিকাটিকে বলেছিলেন, পূজা শেষ হওয়া এবং আমদানি শুল্ক কমায় আমদানিকারকেরা ভারত থেকে বেশি পেঁয়াজ আনছিলেন।

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর, যা ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানির জন্য গড়ে তোলা হয়েছিল। ছবি: শাহিনুর রহমান সোহাগ / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর, যা ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানির জন্য গড়ে তোলা হয়েছিল। ছবি: শাহিনুর রহমান সোহাগ / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা ও টিসিবির ভূমিকা


কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী মো. হুমায়ূন জাগো নিউজকে বলেন, সরবরাহ কম থাকায় অক্টোবরের শুরু থেকে দাম অনেক বেড়েছিল; পরে সরবরাহ ঠিক হয়ে যাওয়ায় বাজারে প্রচুর ভালো পেঁয়াজ আসছিল। তাঁর মতে, দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৫০ টাকার মধ্যে নামলে সেটিকে স্বাভাবিক দাম বলা যায়, এবং কিছুদিনের মধ্যেই দাম সেখানে নামবে বলে তিনি আশা করছিলেন।

খিলগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী ইয়াকুব জানান, হঠাৎ দাম বাড়ায় অনেকে পেঁয়াজ কিনে মজুত করেছিলেন; নতুন চালান আসায় সেই পেঁয়াজ আবার বাজারে ছাড়া হবে এবং দাম দ্রুত কমবে বলে তিনি মনে করছিলেন। তিনি আরও বলেন, বাজারে প্রতিযোগিতা অনেক, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশও (টিসিবি) কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছিল, আর দাম কমতে থাকায় চাহিদাও কমে গিয়েছিল।

ঢাকার কারওয়ান বাজার এলাকা। ছবি: mohigan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
ঢাকার কারওয়ান বাজার এলাকা। ছবি: mohigan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

টিসিবি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা, যার যাত্রা শুরু ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি। নির্বাচিত কিছু নিত্যপণ্যের মজুত রেখে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে বাজারদর স্থিতিশীল রাখাই সংস্থাটির মূল কাজ। কোভিড-১৯ মহামারির সময় টিসিবি দেশজুড়ে ট্রাকে করে ও দোকানের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি বাড়িয়েছিল, যাতে প্রান্তিক মানুষ কম দামে নিত্যপণ্য কিনতে পারেন।

২০২১ সালের ১২ জুলাই লকডাউনের সময় ঢাকার বাসাবোতে টিসিবির ট্রাকে পণ্য বিক্রি। ছবি: তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
২০২১ সালের ১২ জুলাই লকডাউনের সময় ঢাকার বাসাবোতে টিসিবির ট্রাকে পণ্য বিক্রি। ছবি: তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

ছবি: Salim Khandoker / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, ঢাকা ট্রিবিউন, গ্লোবাল ট্রেড অ্যালার্ট, উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

পেঁয়াজের দাম ৬০-৭০ রুপি, পূর্ব বর্ধমানের ৯ জায়গায় ৩৫ রুপি কেজিতে বিক্রি শুরু

খুচরা বাজারে দাম চড়ায় পশ্চিমবঙ্গের কৃষি বিপণন দপ্তর নাফেডের মাধ্যমে নাসিক থেকে পেঁয়াজ এনে নিয়ন্ত্রিত বাজার সমিতির শিবিরে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৩৫ রুপি কেজিতে বিক্রি করছে।

সংবাদ প্রতিদিন৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

শ্রীপুরের বিলের লাল শাপলা শুকিয়ে কেজি ৮০-১০০ টাকা, মৌসুমে পরিবারপ্রতি আয় ৪০-৪৫ হাজার

গাজীপুরের শ্রীপুরের প্রহ্লাদপুর ইউনিয়নের ডুমনি ও পারুন্নি বিল থেকে বর্ষায় লাল শাপলা তুলে রোদে শুকিয়ে বিক্রি করছেন ডুমনি গ্রামের শতাধিক দরিদ্র পরিবার।

দিনাজপুর টিভি৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

ইউটিউব দেখে দেড় বিঘায় প্যাশন ফল, পাঁচ মাসেই ফল এল মেহেরপুরের মিঠুর বাগানে

মেহেরপুর সদরের গোভীপুরের কৃষক মো. মিঠু ঝিনাইদহ থেকে ২৩০টি চারা এনে মাচায় আনারকলি বা প্যাশন ফল চাষ করেছেন; খরচ প্রায় দুই লাখ টাকা, এ মৌসুমে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ফল বিক্রির আশা।

এগ্রি বার্তা৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)