বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সারা দেশে পালিত হবে জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য: ‘ই-সিগারেট/ভ্যাপ ও নিকোটিন পণ্য নিষিদ্ধ করুন, শিশু-তরুণদের রক্ষা করুন’। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) এ কথা জানিয়েছে।
দিবসটি ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর পালিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ধানমন্ডির আবাহনী খেলার মাঠের সামনে তামাক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা ৩৫টি সংগঠনের প্রতিনিধিরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। দেশের নানা জায়গায় সভা, সেমিনার ও মানববন্ধনও হবে।
জোটের হিসাবে, ২০১৭ সালে দেশে ই-সিগারেট ব্যবহারকারী ছিলেন মাত্র ০.২ শতাংশ। ২০২৬ সালে তরুণ ধূমপায়ীদের মধ্যে এই হার বেড়ে ৭.৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সংগঠনটি বলছে, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্যের দ্রুত বিস্তার জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন হুমকি।
বিজ্ঞপ্তিতে হাসপাতালগুলোর ওপর ক্যানসারসহ অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান চাপের কথাও বলা হয়েছে। জোট জানিয়েছে, প্রায় সাত হাজার ক্যানসার রোগীর কেমোথেরাপির সিরিয়াল ২০২৮ সাল পর্যন্ত গড়িয়েছে।
বাটার অভিযোগ, ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এ ই-সিগারেট ও নিকোটিন পণ্য নিষিদ্ধ করা হলেও পরে আইন সংশোধনের সময় বিধানটি বাদ পড়ে যায়। ফলে নতুন নিকোটিন পণ্যের বাজার বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে শিশু ও তরুণদের মধ্যে।
উদাহরণ হিসেবে জোট ইংল্যান্ডের ২০২৬ সালের নতুন আইনের কথা বলেছে, যাতে ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্ম নেওয়া কারও কাছে তামাকজাত পণ্য বিক্রি করা যাবে না; বিধানটি ২০২৭ সাল থেকে কার্যকর হবে। বাংলাদেশেও ই-সিগারেট, ভ্যাপ ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধ করে শক্ত আইন করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
ছবি: TBEC Review / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)