সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

অচল ‘কৃষকের অ্যাপ’, গুদামে ধান বিক্রির কৃষক তালিকা দিতে অনীহা ময়মনসিংহের কৃষি কর্মকর্তাদের

সরকারি গুদামে সরাসরি ধান কেনার ডিজিটাল মাধ্যম ‘কৃষকের অ্যাপ’ ময়মনসিংহে খোলেই না; আর খাদ্য অফিস কৃষি বিভাগের তালিকা মানে না, এই অভিযোগে আসন্ন আমন সংগ্রহের কৃষক তালিকা দিতে চাইছেন না ১৩ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা।

অচল ‘কৃষকের অ্যাপ’, গুদামে ধান বিক্রির কৃষক তালিকা দিতে অনীহা ময়মনসিংহের কৃষি কর্মকর্তাদের
ফসল

সরকারি খাদ্যগুদামে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার ডিজিটাল মাধ্যম ‘কৃষকের অ্যাপ’ ময়মনসিংহে কাজ করছে না। কৃষকেরা জানান, মোবাইলে অ্যাপটি ইনস্টল করার পর তা খোলেই না; সার্ভার ত্রুটি ও কারিগরি জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এটি নিষ্ক্রিয়। ফলে আসন্ন আমন সংগ্রহ মৌসুমে অ্যাপে নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন না সাধারণ চাষিরা।

নীতিমালা অনুযায়ী কৃষক বাছাইয়ের দুটি পথ: অ্যাপ আর উপজেলা কৃষি অফিসের তৈরি আবাদকারী কৃষকের তালিকা। খাদ্য মন্ত্রণালয় ৩০ সেপ্টেম্বরের চিঠিতে ইউনিয়নওয়ারি প্রকৃত কৃষকের তালিকা ২১ অক্টোবরের মধ্যে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে পাঠাতে বলেছে। নভেম্বর থেকে আমন সংগ্রহ শুরুর কথা, তবে এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা এখনো ঠিক হয়নি। গত বছর জেলার ১৯টি গুদামে ২ হাজার ২৫৬ টন আমন ধান কেনা হয়েছিল।

কিন্তু জেলার ১৩টি উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা এবার তালিকা দিতে অনীহা দেখাচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, এনআইডি, মোবাইল ও ব্যাংক হিসাব মিলিয়ে যে তালিকা পাঠানো হয়, খাদ্য অফিস তার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশের বেশি নাম বাদ দিয়ে লটারির নামে নিজেদের পছন্দের লোক ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছ থেকে ধান নেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, অনেক কৃষকের কাছ থেকে সই নিয়ে মাত্র ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা দিয়ে বিদায় করা হয় বলে তাঁদের কাছে অভিযোগ আসে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদুল হাসান অভিযোগ নাকচ করে বলেন, নীতিমালা মেনে উন্মুক্ত লটারিতেই কৃষক চূড়ান্ত হয়, অনিয়মের সুযোগ নেই। অ্যাপের কারিগরি দিক কেন্দ্রীয়ভাবে চলে; সারা বছর বন্ধ থাকে, নির্দিষ্ট সময়ে সরকার তা খুলে দেয়। আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশরাফুল আলম বলেন, খাদ্য বিভাগ কৃষকদের চেনে না, তাই কৃষি বিভাগের তালিকা লাগে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে এ মৌসুমে ময়মনসিংহে ২ লাখ ৭০ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে রোপা আমন হয়েছে, জেলায় কৃষক প্রায় ১০ লাখ। তালিকার অনিয়ম ও হয়রানির কারণে সাধারণ কৃষকেরা গুদামে ধান দিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। স্থানীয় কৃষকেরা অবিলম্বে অ্যাপ সচল করা এবং কৃষি অফিসের তালিকা স্বচ্ছভাবে মানার দাবি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, অ্যাপটি সচল রাখতে নজরদারি দরকার। কৃষকেরা এখনো পুরোপুরি ডিজিটাল হয়ে ওঠেননি বলে কৃষি কর্মকর্তাদের তালিকাই প্রধান ভরসা হওয়া উচিত, এবং সেই তালিকা ধরেই শতভাগ ধান কেনা উচিত। প্রতিবেদনটি সমকালের ময়মনসিংহ প্রতিনিধির।

ছবি: Press Information Department / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন); ২০১৫ সালে পাবনার একটি খাদ্যগুদামে আমন সংগ্রহ কার্যক্রম

সূত্র: সমকাল

সমকালসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

সার জমাট বাঁধা ও নষ্ট হওয়া ঠেকাতে সংরক্ষণের ছয় নিয়ম

শুকনো ঘর, মেঝে থেকে উঁচু পাটাতন, হুক ছাড়া ওঠানামা, আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষা, গুছিয়ে সাজানো আর আগে কেনা সার আগে ব্যবহার: সারের অপচয় ঠেকানোর পরামর্শ।

এগ্রিকেয়ার২৪১১ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

প্রকৃত কৃষক চিনতে ১২ সংখ্যার ডিজিটাল আইডি: পশ্চিমবঙ্গে এগ্রিস্ট্যাক নিবন্ধন শুরু

ভারতের ডিজিটাল কৃষি মিশনে প্রতিটি কৃষকের পরিচয়, জমি ও ফসলের তথ্য একটি ১২ সংখ্যার ইউনিক ফার্মার আইডিতে যুক্ত হচ্ছে, যাতে ভর্তুকি, বিমা আর ফসল কেনার টাকা সরাসরি প্রকৃত কৃষকের ব্যাংক হিসাবে যায়।

এই সময়১১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

৬৫ বছরে বিএডিসি: বছরে ১.৪৪ লাখ টন বীজ, ১৬১ সৌরসেচ পাম্প আর ৮২টি পলিশেড

১৬ অক্টোবর ৬৫ বছরে পা দিচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন; ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সংস্থাটি ১ দশমিক ৪৪ লাখ টন বীজ উৎপাদন, ২২ হাজার হেক্টরে সেচ সম্প্রসারণ এবং দেশের নন-ইউরিয়া সারের ৭৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ সরবরাহ করেছে।

দেশ রূপান্তর১১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)