সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

মুরগির খামারে মোশারেফের মাসে আয় লাখ টাকা

মুরগির খামারে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ধনিয়া গ্রামের চৌকিদার বাড়ির মো. মোশারেফের। তিনি বর্তমানে প্রতি মাসেই প্রায় ৮-৯ লাখ টাকার মুরগি পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করেন। প্রতি মাসেই তার আয় লাখ টাকার বেশি। এ ছাড়া মোশারেফের মুরগির খামারে কাজ করে ভালোভাবেই সংসার চালাচ্ছেন কয়ে

লাইভস্টক

মুরগির খামারে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ধনিয়া গ্রামের চৌকিদার বাড়ির মো. মোশারেফের। তিনি বর্তমানে প্রতি মাসেই প্রায় ৮-৯ লাখ টাকার মুরগি পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করেন। প্রতি মাসেই তার আয় লাখ টাকার বেশি। এ ছাড়া মোশারেফের মুরগির খামারে কাজ করে ভালোভাবেই সংসার চালাচ্ছেন কয়েকজন। মোশারেফের দাবি, তার ইচ্ছা ও পরিশ্রম থেকেই আজ সফল খামারি হয়েছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, মোশারেফ তার বাড়ির আশপাশে গড়ে তুলেছেন ৫টি ব্রয়লার মুরগির খামার। বসতঘরের পেছনে করেছেন একটি ও বাড়ির সামনে করেছেন ৪টি খামার। সব খামারেই ব্রয়লার মুরগি রাখেন। মুরগির ছোট বাচ্চা কিনে এনে বড় করে তোলেন। নিজেই শ্রমিকদের সাথে কাজ করছেন। মোশারেফ কখনো খামারে গিয়ে মুরগিকে খাবার দিচ্ছেন। কোনো খামারে গিয়ে পানি দিচ্ছেন। আবার খামারের ময়লাও পরিষ্কার করছেন।

সফল খামারি মো. মোশারেফ জানান, এইচএসসি পাস করেই চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেন। সেখানে দীর্ঘদিন কাজ করেন। কিছু টাকা সঞ্চয় করেন। এরপর গ্রামের বাড়ি গিয়ে কিছু একটা করার চিন্তা মাথায় আসে। কী করবেন সেটি ভাবতে পারছিলেন না। ২০১২ সালে বিয়ে করেন। ২০১৪ সালের দিকে মাথায় আসে ব্রয়লার মুরগির খামার করার চিন্তা। তখন চাকরি ছেড়ে গ্রামের বাড়ি ফিরে আসেন। নিজের সঞ্চয়ের টাকায় মুরগির খামারের জন্য ঘর তৈরি করেন। সঙ্গে বাচ্চারও খামার গড়ে তোলেন। মাঝপথে টাকার সংকট দেখা দেয়। একটি এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে মুরগির খাবার কেনেন। তারপর মুরগি বিক্রি করে কিস্তির টাকা পরিশোধ করেও বেশ লাভবান হন।

মোশারেফ জানান, একটি খামার কয়েক মাস করার পর আরেকটি করার পরিকল্পনা করেন। এরপর ১ বছরের মাথায়ই আরেকটি খামার তৈরি করেন। তখন একজন শ্রমিক রাখেন। দুজনই দুটি খামারে বেশ শ্রম দিতে থাকেন। মুরগি বিক্রি করে বেশ লাভবানও হতে থাকেন। এরপর একে একে আরও ৩টি খামার গড়ে তোলেন।

তিনি আরও জানান, ৫টি খামার থেকে প্রতি মাসে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার মুরগি পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করেন ৮-৯ লাখ টাকা। মুরগির খাবার খরচ ও ৩ শ্রমিকের বেতনসহ যাবতীয় খরচ বাদে প্রায় ১ লাখ টাকার মতো লাভ থাকে। তবে এখন পর্যন্ত তিনি সরকারি ভাবে সহযোগিতা পাননি। যদি কোনো সুযোগ-সুবিধা পান, তাহলে আরও খামার করে বেশি আয় করতে পারবেন বলে দাবি করেন।

খামারের শ্রমিক মো. রাজিব জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি মোশারেফের খামারে কাজ করেন। প্রথমে দেড় হাজার টাকা বেতনে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে ১৫ হাজার টাকা বেতন দেন মোশারেফ। তার দাবি, দীর্ঘ বছর ধরে কাজ করে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তারও পরিকল্পনা আছে মুরগির খামার করার।

আরেক শ্রমিক মো. আবুল কামাল জানান, তিনি আগে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করতেন। সেসময় প্রতিদিন কাজ থাকতো না। অভাবে সংসার চলতো। প্রায় ৩ বছর ধরে তিনি মোশারেফের খামারে নিয়মিত মাসিক বেতনে কাজ করেন। মাসে ১৪ হাজার টাকা পান। ওই টাকায় তার সংসার ভালোই চলছে বলে দাবি করেন।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, 'মোশারেফের মতো ভোলা জেলায় এমন হাজারও খামারি আছেন। যারা ব্রয়লার ও দেশীয় মুরগির খামার করে লাখ টাকা আয় করছেন। আমরা সবাইকেই পরামর্শ দিই সফলতার জন্য। এ ছাড়া অনেককে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতাও করেছি।'

জুয়েল সাহা বিকাশ/এসইউ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

ডিমের ভেতরেই লিঙ্গ নির্ণয়: পাঁচ বছরে ইউরোপের ৪০ শতাংশ বাজারে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধায়

ডিম ফোটার আগেই বাচ্চার লিঙ্গ নির্ণয়ের প্রযুক্তি পাঁচ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের লেয়ার বাজারের শূন্য থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে, পুরুষ বাচ্চা মারার ওপর নিষেধাজ্ঞার জোরে; যুক্তরাষ্ট্রে কেবল প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডগুলো এটি নিয়েছে, খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে নারাজ।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

NoFence আনল তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 ও পশুপাল ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম

নরওয়ের ভার্চুয়াল ফেন্সিং কোম্পানি NoFence তাদের তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 বাজারে এনেছে—স্যাটেলাইট ব্যাকআপ আর এমন সফটওয়্যার নিয়ে, যা চারণের হিসাব নিজে লেখে, সময়সূচি ধরে পাল সরায় এবং গরমে আসা গাভি চিহ্নিত করে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()