সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

মেহেরপুরে আমের বাম্পার ফলন, রপ্তানি নিয়ে দুশ্চিন্তা

মেহেরপুরের প্রকৃতিজুড়ে ভেসে আসছে আমের মুকুলের ঘ্রাণ। জেলার বাগানগুলোতে এখন মুকুলের সমারোহ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিক ও চাষিরা। তবে ভালো ফলনের আনন্দের পাশাপাশি রপ্তানি বাজার ও আম সংগ্রহের সময়সীমা নিয়ে তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

ফল

মেহেরপুরের প্রকৃতিজুড়ে ভেসে আসছে আমের মুকুলের ঘ্রাণ। জেলার বাগানগুলোতে এখন মুকুলের সমারোহ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিক ও চাষিরা। তবে ভালো ফলনের আনন্দের পাশাপাশি রপ্তানি বাজার ও আম সংগ্রহের সময়সীমা নিয়ে তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

মেহেরপুরের বিভিন্ন আম বাগান ঘুরে দেখা গেছে, গাছে গাছে সোনারঙা মুকুলের সমারোহ। ছোট-বড় সব বাগানের আমগাছগুলো যেন মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ছে। বাগানে এখন চাষিদের দম ফেলার সময় নেই। পোকার আক্রমণ থেকে মুকুল বাঁচাতে তারা নিরলসভাবে গাছের পরিচর্যা করে যাচ্ছেন।

চাষিরা বলছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুল আসার হার অনেক বেশি। আবহাওয়াও এখন পর্যন্ত আমের জন্য বেশ সহায়ক। তবে দিনের বেলা প্রচণ্ড গরম আর রাতে জেঁকে বসা ঠান্ডার বৈরী আচরণ কিছুটা ভাবিয়ে তুলছে। সব ঠিক থাকলে আর সপ্তাহখানেকের মধ্যেই মুকুল থেকে গুটি বের হবে। বৈশাখের শেষভাগে বাজারে আসবে 'মধুমাসের' সুস্বাদু আম।

আমের ভালো ফলন হলেও বাগান মালিক সাখাওয়াত হোসেনের মনে একরাশ উৎকণ্ঠা। তার অভিযোগ, আম পাড়ার বা সংগ্রহের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বা 'ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার' অনেক সময় তাদের বিপাকে ফেলে।

স্থানীয় বাগান মালিক বিল্লাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'গত কয়েক বছর ধইরে প্রশাসনের কাছ থাইকে সঠিক সময়ে আম ভাঙার অনুমতি আমরা পাইনি। গাছে আম পেকে ঝরে পড়ে যায় কিন্তু আমরা বাজারে তুলতে পারি না। পাশাপাশি আম রপ্তানি না হওয়ায় আমাদের অনেক টাকা লোকসানে পড়তে হয়।'

বাগান মালিক সুমন হোসেন বলেন, 'মুকুল তো ভালো হইছে কিন্তু রপ্তানির বাজার যদি তৈরি না হয় আর ঠিক সময়ে আম ভাঙার দিনক্ষণ না দেয়, তবে আমাদের সব কষ্ট বৃথা যাবে। আমরা চাই সরকার আম রপ্তানির ব্যবস্থা করুক, যাতে আমরা ন্যায্য দাম পাই।'

কৃষি বিভাগ অবশ্য চাষিদের দুশ্চিন্তা দূর করতে নানা উদ্যোগের কথা জানাচ্ছে। মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সনজীব মৃধা বলেন, 'আমরা মাঠ পর্যায়ে চাষিদের বাগান পরিচর্যার বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। পাশাপাশি আম রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছি। কৃষকদের উদ্বেগের বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। আম সংগ্রহের সঠিক সময় নির্ধারণের বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়কে বিস্তারিত জানাবো, যাতে বাগান মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।'

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান আছে। এসব বাগান থেকে এ বছর ৪৪ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত অনুকূলে থাকলে এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
এগ্রোটেক

চাষিকে তথ্য-বিশ্লেষক হতে হবে না, বলছেন Orchard Robotics-এর Charlie Wu

Orchard Robotics-এর প্রতিষ্ঠাতা Charlie Wu বলছেন, ট্রাক্টরে বসানো তাঁদের এআই ক্যামেরা গাছ ধরে ধরে ফল গোনে ও মাপে, শ্রম ও উপকরণ সাশ্রয়ে প্রথম বছরেই তিন থেকে দশ গুণ ফেরত দেয়; আপেল থেকে কোম্পানিটি এখন আরও এক ডজন ফসলে যাচ্ছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()