সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস ১১ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৪ মিমি

মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি, মধ্যবিত্তদের ভরসা ‘ব্ল্যাক বেঙ্গল’

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে জমে উঠেছে চুয়াডাঙ্গার পশুর হাট। এবার বড় গরুর চাহিদা কম থাকলেও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি ঝোঁক বেশি। গরুর দাম বেশি হওয়ায় মধ্যবিত্তরা ঝুঁকছেন জেলার ঐতিহ্যবাহী ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের দিকে।

লাইভস্টক

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে জমে উঠেছে চুয়াডাঙ্গার পশুর হাট। এবার বড় গরুর চাহিদা কম থাকলেও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি ঝোঁক বেশি। গরুর দাম বেশি হওয়ায় মধ্যবিত্তরা ঝুঁকছেন জেলার ঐতিহ্যবাহী ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের দিকে।

জেলার চার উপজেলায় এখন প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে বসছে পাঁচটি প্রধান পশুর হাট। এসব হাট হলো আলমডাঙ্গা (বুধবার), ডুগডুগি (সোমবার), শিয়ালমারি (বৃহস্পতিবার), গোকুলখালি (শুক্রবার) এবং ৯ মাইল ভূলটিয়া (শনিবার)। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় হাট আলমডাঙ্গার। এখানে বেচাকেনাও বেশি। এসব হাটে গিয়ে দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচেপড়া ভিড়।

ক্রেতাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক বেশি। ফলে বড় গরুর পরিবর্তে অনেকেই মাঝারি আকৃতির গরু কিংবা ছাগল কিনছেন।

বুধবার (৪ জুন) আলমডাঙ্গা পশুহাট ঘুরে দেখা গেছে, বিক্রির জন্য গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া নিয়ে এসেছেন কৃষক ও খামারিরা। বিভিন্ন জেলা থেকেও ক্রেতারা আসছেন। তবে বড় গরুর ক্রেতা কম। সেই তুলনায় মাঝারি গরু ও ছাগলের চাহিদা বেশি। বর্তমানে তিন মণ মাংস হবে এমন গরু বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ হাজার টাকায়।

'আমি মধ্যবিত্ত মানুষ, গরু কেনার সামর্থ্য নেই। তাই আমাদের জেলার বিখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলই কিনেছি'

কোরবানির জন্য গরু কিনতে এসেছেন রহিম আলী। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‌'প্রচণ্ড গরম আর ভিড়ের মধ্যে গরু কেনা বেশ কষ্টকর। তবে যেভাবেই হোক, আজ একটা মাঝারি গরু কিনবো।'

আরেক ক্রেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, 'কোরবানি নিয়তের বিষয়। আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় দেই। কিন্তু আমি মধ্যবিত্ত মানুষ, গরু কেনার সামর্থ্য নেই। তাই আমাদের জেলার বিখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলই কিনেছি।'

আরও পড়ুন:

শিয়ালমারি হাটেও একই চিত্র দেখা গেছে। হাটে ক্রেতার ভিড় থাকলেও গরু বিক্রির হার খুব বেশি নয়। অনেকেই পছন্দের পশু খুঁজে বেড়াচ্ছেন। কেউ ব্যস্ত দরকষাকষিতে।

বেচাকেনা কম বলে জানালেন খামারি আব্দুল সাত্তার। তিনি বলেন, 'তিনটি গরু নিয়ে এসেছি। একসময় এই গরুগুলোর দাম বলা হতো সাত লাখ টাকা। এখন একজন মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ বলেছে। অথচ গরুগুলো পালতে অনেক খরচ হয়েছে। খাবারের দাম অনেক বেড়েছে। এই দামে বিক্রি করলে লোকসান হবে।'

আরেক গরু বিক্রেতা আব্দুল মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, 'চার মণের একটি দেশি গরু এক লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। দাম কিছুটা কম হলেও বিক্রি করতে হয়েছে।'

'তিনটি গরু নিয়ে এসেছি। একসময় এই গরুগুলোর দাম বলা হতো সাত লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত একজন মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ বলেছে...এই দামে বিক্রি করলে লোকসান হবে'

ছাগল কিনতে আসা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, '২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় একটি ছাগল কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। হাটে অনেক ছাগল রয়েছে। পছন্দমতো একটি কিনবো।'

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান, জেলার চার উপজেলায় কোরবানিযোগ্য গরু আছে ৫১ হাজার, ছাগল এক লাখ ৪৪ হাজার এবং ভেড়া তিন হাজার ৯০০। জেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে এক লাখ ২৪ হাজার পশু। অতিরিক্ত পশু ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য জেলায় পাঠানো যাবে।

তবে, চুয়াডাঙ্গার ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল শুধু কোরবানির সময়ই নয়, সারা বছরই দেশে-বিদেশে চাহিদাসম্পন্ন একটি জাত। জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়া এ ছাগল এবার কোরবানির বাজারেও মধ্যবিত্তের কাছে হয়ে উঠেছে অন্যতম নির্ভরতা।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

ডিম-মুরগির দাম কারসাজিতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি, খামারিরা বলছেন গরমেই উৎপাদন কম

ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তর ডিম ও মুরগির দাম কারসাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিলেও পোলট্রি উদ্যোক্তারা বলছেন, অতিরিক্ত গরমে উৎপাদন কমাই দাম বাড়ার কারণ।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?

ঝটপট প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে কিংবা সকালের নাশতায় ডিমের জুড়ি নেই। ব্যস্ত সকালে সময় বাঁচাতে অনেকেই একসঙ্গে কয়েকটি ডিম সিদ্ধ করে রাখেন। পরিবারের সবাই খাওয়ার পরও দু-একটি ডিম বেঁচে গেলে তখন প্রশ্ন আসে-সেগুলো কি পরে খাওয়া যাবে? নাকি সিদ্ধ ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়? সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে সিদ্ধ ডিম ফেলে দেওয়ার

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

কলম্বিয়ার নতুন আইনে গবাদিপশুর বাণিজ্য বাঁধা পড়ল বন পর্যবেক্ষণে

২০২৬ সালের ৪ জুন কার্যকর হওয়া লেই ২৫৮৫ কলম্বিয়ার গবাদিপশুর ট্রেসেবিলিটিকে বন পর্যবেক্ষণ ও ভূমির নথির সঙ্গে যুক্ত করেছে; আইনের তিনটি অনুচ্ছেদ গড়ে উঠেছে অ্যালায়েন্স অব বায়োভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল ও সিআইএটি-র কাজের ওপর ভিত্তি করে।

CGIAR১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()