ব্রাজিলের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় (Ministry of Agriculture and Livestock, মাপা) তার কৃষি প্রতিরক্ষা সচিবালয়ের মাধ্যমে সিনজেনটা (Syngenta)-র কীটনাশক এনজিও প্লেনো (Engeo Pleno, নিবন্ধন নম্বর ০৬১০৫)-র নিবন্ধন বাতিল করেছে; ২০২১ সালে শুরু হওয়া একটি প্রশাসনিক লঙ্ঘন প্রক্রিয়ার সমাপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত। ২০২৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ফেডারেল সরকারি গেজেট 'দিয়ারিও অফিসিয়াল দা উনিয়াও'-তে প্রকাশিত ৫৯ নম্বর আদেশে (Ato nº 59) বাতিল আনুষ্ঠানিক হয়েছে এবং দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, বিপণন ও বিতরণ তাৎক্ষণিকভাবে নিষিদ্ধ হয়েছে।
সিদ্ধান্তটি ২১০৫২.০২৩৫৩১/২০২১-৭৮ নম্বর প্রক্রিয়ার ইতি টেনেছে। কৃষি প্রতিরক্ষা আপিলের বিশেষ কমিশন (CERDA) ২০২৬ সালের ৯০ নম্বর সিদ্ধান্তে নিবন্ধন বাতিল বহাল রাখে এবং শাস্তিটি জরিমানায় রূপান্তর বা সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য সিনজেনটার আবেদন নাকচ করে।
আইনি ভিত্তি হিসেবে ব্রাজিলের মূল কীটনাশক আইন ১৯৮৯ সালের ৭,৮০২ নম্বর আইনের ১৭ অনুচ্ছেদের ৬ নম্বর দফা এবং ২০০২ সালের ৪,০৭৪ নম্বর ডিক্রির ৮৬ অনুচ্ছেদের ৫ নম্বর উপধারা উল্লেখ করা হয়েছে—যেসব বিধান কোনো পণ্যের অনুমোদিত ফর্মুলা বা উৎপাদন শর্তে প্রতারণা বা অননুমোদিত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাতিলের সুযোগ দেয়। সিনজেনটার ক্ষেত্রে ঠিক কোন কারণটি প্রযোজ্য, তা সরকারি নোটিশ বা পরবর্তী বাণিজ্য সংবাদ কোথাও বলা হয়নি; লঙ্ঘনের বিস্তারিত মন্ত্রণালয়ও প্রকাশ করেনি।
বাতিল কার্যকর হওয়ার আগে কৃষক ও পরিবেশকদের কাছে বিক্রি হওয়া মজুত লেবেলে লেখা মেয়াদ পর্যন্ত বৈধভাবে ব্যবহার করা যাবে; ফলে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে ভবিষ্যৎ মৌসুমে, চাষিদের হাতে থাকা পণ্যে নয়। গেজেট প্রকাশের পর ব্রাজিলের একাধিক কৃষিবাণিজ্য সংবাদমাধ্যম নিবন্ধন নম্বর, আদেশ নম্বর ও প্রক্রিয়ার বিবরণ আলাদাভাবে নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত সিনজেনটা নিবন্ধন বাতিল নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো বিবৃতি দেয়নি; নাকচ হওয়া CERDA আপিলের বাইরে কোম্পানিটি আরও আইনি চ্যালেঞ্জে যাবে কি না, তা-ও এখনো স্পষ্ট নয়।
ছবি: James Martins / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Global Agriculture





মন্তব্য
(০)