সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯১%বাতাস কিমি/ঘ

অপরিপক্ব হওয়ায় নির্ধারিত তারিখের পরও বাজারে মিলছে না আম

ম্যাংগো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গুটি জাতের আম নামানো হলেও বাজারে দেখা মিলছে না। গত বুধবার (১৫ মে) থেকে গাছ থেকে গুটি জাতের আম পাড়া শুরু হয়। অপরিপক্ব আম নামাতে অনীহা বাগান মালিকদের।

ফল

ম্যাংগো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গুটি জাতের আম নামানো হলেও বাজারে দেখা মিলছে না। গত বুধবার (১৫ মে) থেকে গাছ থেকে গুটি জাতের আম পাড়া শুরু হয়। অপরিপক্ব আম নামাতে অনীহা বাগান মালিকদের।

এর আগে গত ১২ মে (শনিবার) আম সংগ্রহ, পরিবহন, বিপণন ও বাজারজাত পর্যবেক্ষণ-সংক্রান্ত সভায় ম্যাংগো ক্যালেন্ডার ঘোষণা করা হয়। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, গোপালভোগ, লখনা বা লক্ষণভোগ ও রানীপছন্দ আম সংগ্রহ করা যাবে ২৫ মে, হিমসাগর ও খিরসাপাত ৩০ মে, ল্যাংড়া ও ব্যানানা আম ১০ জুন, আম্রপালি ও ফজলি আম ১৫ জুন নামানোর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বারি আম-৪ ৫ জুলাই, আশ্বিনা ১০ জুলাই ও গৌড়মতি ১৫ জুলাই থেকে নামাতে পারবেন বাগান মালিকরা। তবে সবার শেষে ২০ আগস্ট থেকে বাজারে পাওয়া যাবে ইলামতি জাতের আম।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত মৌসুমে রাজশাহী জেলায় আম উৎপাদন হয়েছিল ১৯ হাজার ৫৭৮ হেক্টর জমিতে। এ বছর জেলায় ১৯ হাজার ৬০২ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৩১৫ মেট্রিক টন।

এদিকে রাজশাহীর অন্যতম আমের হাট জেলার পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজার। এ হাটেও শুরু হয়নি আম বেচাকেনা। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় আম পরিপক্ব হতে সময় লাগছে। হাটগুলো জমতে অপেক্ষা করতে হবে আরও অন্তত ১০ দিন।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাকা আম না থাকলেও কাঁচা বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। দুয়েকজন বিক্রেতা সাতক্ষীরা থেকে আনা পাকা আম বিক্রি করছেন। তবে আমের ব্যবসা জমতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন আড়তদাররা।

রাজশাহীর সাহেব বাজারের আম ব্যবসায়ী শাহিন ইসলাম বলেন, গুটি আম পাড়া শুরু হয়েছে। কিন্তু আমরা এখনও পাই নি। আরও ১০ দিনের মতো সময় লাগবে। এবার গাছে পাকতেই একটু দেরি হচ্ছে। পুরোপুরি পরিপক্ব হলেই নিয়ে আসবো। গতবার আম একটু বেশি ছিল, এবার একবারেই আম কম। তাই দামটাও একটু বেশি হবে।

রাজশাহীর অন্যতম আম উৎপাদনকারী উপজেলা বাঘার আম চাষি সোহান ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসকের ডেটে তো আর আম পাকে না। তাদের তারিখে গুটি আম পাকেনি। তবুও কেউ কেউ পাড়া শুরু করেছে। আরও ১০ দিনের মতো সময় হলে আমটা ভালোভাবে বাজারে দেওয়া যাবে।

আমের আড়ৎদার রায়হান আলী বলেন, আরও তিনদিন পর আম পাওয়া যেতে পারে। আম পুষ্ট কম হয়েছে। আরেকটু পুষ্ট হলেই পাওয়া যাবে। সামনে সপ্তাহে আম ভালোভাবে পাওয়া যাবে। তবে এবার আমের দাম একটু বেশিই হবে।

বানেশ্বর হাট ইজারাদার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমের হাট এখনও লাগেনি। জ্যৈষ্ঠ মাস পার হচ্ছে। গুটি আম কিছু আসার কথা। কিন্তু সেই আম তো দেখতে পাচ্ছি না। আর এমনিতেই এবার আমের পরিমাণ কম। গাছে শুধু পাতা, আম নেই। অন্যবারের তুলনায় এবার চার ভাগের একভাগও বিক্রি হবে কিনা সন্দেহ।

রাজশাহীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) উম্মে ছালমা বলেন, জেলায় বাণিজ্যিক চাষি বেশি। তারা গুটি আম খুব একটা হার্ভেস্ট করে না। খুব বেশি যে গুটি আম চাষ হয় সেটাও না। এখানে যা হয় ব্রান্ডের আম। আর ম্যাংগো ক্যালেন্ডার সবার সর্বসম্মতিক্রমেই ঘোষণা করা হয়েছে। আর একই জাত বা গাছের আম একেক সময় পাকে। যার গাছের আম পরিপক্ব সে বাড়বে। বলাই আছে অপরিপক্ব আম পাড়া যাবে না।

সাখাওয়াত হোসেন/আরএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()