সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস ১২ কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের আমের বাজার খুলছে

বাংলাদেশের সুস্বাদু ও জনপ্রিয় আমের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া। দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সরকারি সমন্বয়ের ফলে মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি তাজা আম রপ্তানির পথ এখন অনেকটাই সুগম হয়েছে।

ফল

বাংলাদেশের সুস্বাদু ও জনপ্রিয় আমের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া। দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সরকারি সমন্বয়ের ফলে মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি তাজা আম রপ্তানির পথ এখন অনেকটাই সুগম হয়েছে।

জুন মাসে মালয়েশিয়ার কৃষি বিভাগের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে আম উৎপাদন, সংরক্ষণ ও রপ্তানি ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করবে।

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন, ২০২৩ সাল থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি তাজা আম রপ্তানির সুযোগ তৈরিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছে। এ লক্ষ্যে হাইকমিশন বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে মালয়েশিয়ার কৃষি বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্র সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি কীটপতঙ্গ ঝুঁকি বিশ্লেষণ (পেস্ট রিস্ক অ্যানালাইসিস-পিআরএ) প্রতিবেদনও প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনআমের উৎপাদন বৃদ্ধির আশার মধ্যেও রপ্তানি নিয়ে শঙ্কা দেশের কোথায় কবে পাড়া হবে কোন জাতের আম? সাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু, ভালো দামের আশা

হাইকমিশন মালয়েশিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি বিভাগ, বিভিন্ন ব্যবসায়িক চেম্বার, সম্ভাব্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং সুপারশপগুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। মালয়েশিয়ায় আমের ব্যাপক চাহিদা এবং দেশটিতে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসীর কারণে এই বাজারকে ঘিরে রপ্তানিকারকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার ও হাইকমিশনের সক্রিয় উদ্যোগের ফলস্বরূপ মালয়েশিয়ার কৃষি বিভাগ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের আম বাগান এবং তাজা ফল প্যাকিং সুবিধাগুলোতে 'ভেরিফিকেশন অব কমপ্লায়েন্স' (ভিওসি) পরিদর্শনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়। মালয়েশিয়ার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী তাজা আম আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় কীটপতঙ্গ ঝুঁকি বিশ্লেষণ (পিআরএ) সম্পন্নের পূর্বশর্ত হিসেবে এ ধরনের পরিদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মালয়েশিয়ার এই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়ার কৃষি বিভাগের দুই সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী ৭ থেকে ১৩ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন আম উৎপাদন এলাকা, প্যাকিং ব্যবস্থা, সংরক্ষণ সুবিধা এবং রপ্তানি প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবে।

জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প পুরো পরিদর্শন কার্যক্রমের সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পরিদর্শনে প্রয়োজনীয় মান ও নিরাপত্তা শর্ত পূরণের বিষয়টি নিশ্চিত হলে চলতি আম মৌসুমেই মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি তাজা আম রপ্তানি শুরু করা সম্ভব হবে। আর মালয়েশিয়ার বাজার উন্মুক্ত হলে তা শুধু বাংলাদেশের আম রপ্তানির নতুন দিগন্তই উন্মোচন করবে না, বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশেও বাংলাদেশের আম প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের মতে, মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের আমের সফল প্রবেশ দেশের কৃষি রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()