রাইজোবিয়াম ইনোকুল্যান্টের ‘ব্ল্যাক বক্স’ খুলতে ২৩ লাখ ডলারের সিড রাউন্ড সম্পন্ন করেছে লাইলাক অ্যাগ্রিকালচার। কৃষক নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য যে পণ্য কেনেন, তা অনেক সময় শিকড় পর্যন্ত পৌঁছায়ই না।
ইনোভার নেতৃত্বে এই রাউন্ডে যুক্ত ছিল ৭০১ ফান্ড, অ্যাগ ভেঞ্চারস অ্যালায়েন্স, এভারগ্রিন ক্লাইমেট ইনোভেশনস, নর্থ ডাকোটা ডেভেলপমেন্ট ফান্ড, প্যাথওয়ে ভেঞ্চারস ও টল গ্রাস ভেঞ্চারসসহ কয়েকটি তহবিল।
ডাল ফসলে রাইজোবিয়াম প্রয়োগ প্রধান উৎপাদন অঞ্চলগুলোতে স্বাভাবিক চর্চা। এই ব্যাকটেরিয়া শিকড়ে বসে গুটি তৈরি করে এবং বাতাসের নাইট্রোজেনকে গাছের ব্যবহারযোগ্য রূপে বদলে দেয়।
সমস্যা হলো, মাটির স্থানীয় ব্যাকটেরিয়া প্রায়ই ইনোকুল্যান্টকে হারিয়ে দেয় — বলছেন লাইলাকের প্রধান নির্বাহী নাটালি ডিনিকোলা। ইনোকুল্যান্ট নাইট্রোজেন সংবন্ধনে যত ভালোই হোক, শিকড়ে বসতে না পারলে তার কোনো মূল্য নেই।
২০২৪ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. বার্নি গেডেস, কৃষি প্রযুক্তির দুই অভিজ্ঞ ম্যাট ক্রিস্প ও টম স্নাইপস এবং এনডিএসইউর বায়োটেকনোলজি স্নাতক ওয়াট ওয়ার্কেনথিয়েন। গেডেস শিকড় তুলে গুটি পরীক্ষা করে দেখতেন, ভেতরের ব্যাকটেরিয়া কৃষকের কেনা বাণিজ্যিক পণ্যের ব্যাকটেরিয়া নয়।
লাইলাকের প্ল্যাটফর্ম এনডিএসইউর সংগ্রহে থাকা বৈচিত্র্য থেকে একসঙ্গে দুটি বৈশিষ্ট্য বাছে — নাইট্রোজেন সংবন্ধনের দক্ষতা এবং মাটিতে আগে থেকে থাকা ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতার ক্ষমতা।
ডাল চাষির কাছে প্রশ্নটি সরল: মৌসুমের ইনোকুল্যান্ট খরচে নাইট্রোজেন মিলছে কি না। বাংলাদেশে মসুর, ছোলা ও খেসারি মূলত অবশিষ্ট রসে, সামান্য সারে হয় — সেখানে নির্ভরযোগ্য ইনোকুল্যান্ট ফলন বাড়ানোর সবচেয়ে সস্তা পথগুলোর একটি।
সূত্র: অ্যাগফান্ডারনিউজ





মন্তব্য
(০)