সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫২%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

দেরিতে বোনা সরিষায় ফলন বেশি, ব্রিটেনে বীজ কোম্পানির মাঠ পরীক্ষা

বীজ উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান এনপিজেড ইউকের মাঠ পরীক্ষা ও লিংকনশায়ারের এক কৃষকের অভিজ্ঞতা বলছে, জাত জোরালো হলে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে বোনা শীতকালীন তেলবীজ সরিষাও শীত পার করে ভালো ফলন দিতে পারে।

দেরিতে বোনা সরিষায় ফলন বেশি, ব্রিটেনে বীজ কোম্পানির মাঠ পরীক্ষা
ফসল

আগের মতো সেপ্টেম্বরের শুরুতে না বুনে কিছুটা দেরিতে বুনলেও শীতকালীন তেলবীজ সরিষা (অয়েলসিড রেপ) শীত পার করে ভালো ফলন দিতে পারে। ব্রিটেনের বীজ উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান এনপিজেড ইউকে (NPZ UK)-এর মাঠ পরীক্ষা এবং লিংকনশায়ারের এক কৃষকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এ কথা জানিয়েছেন ফার্মার্স উইকলির প্রতিবেদক রিচার্ড অ্যালিসন (Richard Allison)। গরম ও শুকনো গ্রীষ্ম, তুলনামূলক উষ্ণ শরৎ এবং ক্যাবেজ স্টেম ফ্লি বিটল পোকার আচরণ সম্পর্কে নতুন ধারণার কারণে সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতে বপন পিছিয়ে যাচ্ছে।

কেমব্রিজ ও উইসবিচে এনপিজেড ইউকের পরীক্ষা মাঠ পরিচালনা করেন ক্রেইগ প্যাডলি (Craig Padley)। তাঁর মতে, পুরনো বপন পঞ্জিকা আর খাটে না। তিনি বলেন, ‘আগে আমরা ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বুনতাম, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সেটি আর প্রাসঙ্গিক নয়।’ সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে বুনলেও গাছ প্রায় আটটি পাতা নিয়ে শীতে ঢোকে এবং টিকে যায় বলে জানান তিনি।

গত মৌসুমে প্রতিষ্ঠানটির পরীক্ষায় দেরিতে বোনা প্লটে হেক্টরপ্রতি গড় ফলন হয়েছে ৪ দশমিক ৬৮ টন, আর স্বাভাবিক সময়ে বোনা প্লটে ৪ দশমিক ৩৭ টন। প্যাডলির ব্যাখ্যা, পার্থক্যের বড় কারণ বসন্তে ফ্লি বিটলের লার্ভার ক্ষতি। উষ্ণ মাটিতে আগে বোনা গাছে গড়ে প্রায় ২০টি করে লার্ভা পাওয়া গেছে, দেরিতে বোনা প্লট সেই আক্রমণ এড়িয়ে গেছে। এ বছর শরতের শুরু শুকনো থাকায় আগাম পরীক্ষার বপনও হয়েছে ২০ আগস্ট।

গাছের বৃদ্ধির হিসাব বোঝাতে প্যাডলি জার্মানির কিয়েলের একটি ফলিত বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে এনপিজেডের অর্থায়নে হওয়া ‘ডে-ডিগ্রি’ বা তাপ-এককের গবেষণার কথা বলেন। অঙ্কুরোদগমে লাগে প্রায় ১৫০ ডে-ডিগ্রি, প্রতি জোড়া পাতায় আরও ১২০ থেকে ১৫০, আর প্রায় ১,০০০ ডে-ডিগ্রি পেরোলে ফুলের কুঁড়ি তৈরি শুরু হয়। আগাম বোনা ফসল শীতের আগেই ১,২০০ ডে-ডিগ্রি পার করে কাণ্ড লম্বা করতে শুরু করে, ফলে সম্ভাব্য ফুলের সংখ্যা তখনই বাঁধা পড়ে যায়। দেরিতে বোনা ফসলে কুঁড়ি তৈরির কাজ বসন্ত পর্যন্ত চলে। এনপিজেড চার থেকে ছয় পাতার সময় বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক প্রয়োগ করে গাছকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ থামিয়ে রাখে।

প্যাডলির মতে, দেরিতে বপনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাত বাছাই। এমন জাত দরকার, যা শরতে দ্রুত গজায় এবং পুরো মৌসুমে দ্রুত বাড়ে। এগুলো প্রায়ই হাইব্রিড, তবে সব হাইব্রিড দেরিতে বপনের উপযোগী নয়।

লিংকনশায়ার উল্ডস এলাকায় চুনাপাথরের ওপর পলিময় এঁটেল দোআঁশ মাটিতে ২৬০ হেক্টর জমি চাষ করেন জেমস থম্পসন (James Thompson)। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগে তিনি সরিষা বোনেন না। আগের গম ফসলের লম্বা নাড়া রেখে দেন, মুরগির বিষ্ঠা দেন এবং বর্গমিটারে ৮৫ থেকে ১০০টি বীজ বোনেন। কবুতর ও ফ্লি বিটলের মনোযোগ সরাতে সঙ্গী ফসল হিসেবে বাকহুইট ও ফেসেলিয়া লাগান। বপনের পর দুবার রোলার দেন, শামুক ও পোকার দিকে নজর রাখেন এবং পাতায় দুবার পুষ্টি স্প্রে করেন। তাঁর ফসলে কখনো বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রক লাগেনি। জাত বাছাইয়ে তিনি সবার আগে দেখেন গাছের জোর।

ছবি: Oast House Archive / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: ফার্মার্স উইকলি

Farmers Weeklyসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

মতামত

উৎপাদন বেড়েছে পাঁচ গুণ, সঙ্গে বেড়েছে অপচয় আর ক্ষুধা: উম্মে সালমার কলাম

দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত কলামে উম্মে সালমা লিখেছেন, বাংলাদেশে উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় ৩৪ শতাংশ ক্ষয় বা অপচয় হয়, অথচ দেশের ৬৬ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার কিনতে পারেন না।

দ্য ডেইলি স্টার৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ঠাকুরগাঁওয়ে গুদাম উপচে ট্রাকেও সার, তবু কৃষক কিনছেন বাড়তি দামে

মাদারগঞ্জ বিএডিসি গুদামে ধারণক্ষমতার তিন গুণের বেশি সার আর বাইরে ৫৭টি সারবোঝাই ট্রাক অপেক্ষায়; অথচ কৃষকেরা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ২০০-২৫০ টাকা বেশি দিচ্ছেন।

আজকের পত্রিকা৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বাংলাদেশ

AEZ-৪: করতোয়া-বাঙ্গালী প্লাবনভূমি, নদীর পলি, উর্বর মাটি আর কৃষকের পরিশ্রমে গড়া উত্তরের কৃষি অঞ্চল

দেশের চতুর্থ কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল করতোয়া-বাঙ্গালী প্লাবনভূমি সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার পূর্বাঞ্চলজুড়ে প্রায় ২ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর। নদীর পুরোনো পলিতে গড়া এই অঞ্চলে পাশাপাশি উঁচু জমি আর নিচু বেসিন, মাটি অম্লীয়, কয়েকটি পুষ্টির ঘাটতিও আছে। ধান, পাট, আলু, সরিষার এই মাঠে গাবতলীর কৃষকের জমিতে নতুন ফসল বিন্যাসের পরীক্ষা লাভের পথ দেখাচ্ছে। স্যাটেলাইট তথ্য আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিটি জমির জন্য ঠিক ফসল বাছতে সাহায্য করতে পারে, যদি প্রতিটি পূর্বাভাস আগে মাঠে যাচাই হয়।

তানিয়া চৌধুরী৫ অক্টোবর ২০২৬১১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)