ভোলার লালমোহন উপজেলার খামারে উৎপাদিত ডিম ও মুরগি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের নানা বাজারে যায়, অনেক উদ্যোক্তা স্বাবলম্বীও হয়েছেন। তবে মুরগির খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, রোগবালাই, ওষুধের বাড়তি খরচ আর ডিমের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় মাঝেমধ্যেই লোকসান গুনছেন খামারিরা।
রমাগঞ্জ ইউনিয়নের খামারি হাজী আব্দুল মালেক প্রায় ২০ একর জমিতে খামার করেছেন। তাঁর প্রায় ১৫ হাজার লেয়ার মুরগি থেকে দিনে ৮ থেকে ১০ হাজার ডিম আসে, কাজ করেন ১০ জন শ্রমিক। তিনি বলেন, খাদ্যের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে, রোগ ঠেকাতে নিয়মিত ওষুধও দিতে হয়।
তাঁর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের কোনো চিকিৎসকের কাছ থেকে খামার পরিচালনা বা রোগবালাই নিয়ে পরামর্শ পাননি, কাউকে খামারে আসতেও দেখেননি। একই অভিযোগ খায়রুল হাসান কাঞ্চন, হেলাল উদ্দিন মোল্লা, হাজী আবু তাহেরসহ আরও অনেক খামারির। তাঁরা জানান, প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে।
খামারিদের দাবি, সহজ শর্তে ও বিনা সুদে ঋণ, নিয়মিত খামার পরিদর্শন আর চিকিৎসা ও কারিগরি পরামর্শ পেলে এই খাত আরও এগোবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।
লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হারুন অর রশিদ অভিযোগ সত্য বলে স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, নিয়মিত তদারকির নিয়ম থাকলেও জনবল সংকটে তা সম্ভব হচ্ছে না; সংকট কাটলে প্রতিটি খামারে গিয়ে সমস্যা শুনে পরামর্শ ও সরকারি সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
প্রতিবেদনটি ডেইলি বাংলাদেশের লালমোহন প্রতিনিধির প্রতিবেদন অবলম্বনে।
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ




মন্তব্য
(০)