সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৭৮%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

কলা খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় কখন?

কলা অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি ফল। পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এই ফলটি শিশু থেকে বয়স্ক-সব বয়সের মানুষের জন্যই উপকারী। তবে শুধু কলা খেলেই হবে না, এটি কখন খাচ্ছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিক সময়ে খেলে কলার পুষ্টিগুণ শরীর সবচেয়ে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে। অন্য

ফল

কলা অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি ফল। পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এই ফলটি শিশু থেকে বয়স্ক-সব বয়সের মানুষের জন্যই উপকারী। তবে শুধু কলা খেলেই হবে না, এটি কখন খাচ্ছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিক সময়ে খেলে কলার পুষ্টিগুণ শরীর সবচেয়ে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে। অন্যদিকে ভুল সময়ে খেলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের নাস্তার পর থেকে বেলা ১১টার মধ্যে কলা খাওয়ার সময়টি সবচেয়ে উপযোগী। অর্থাৎ সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যবর্তী সময়টি কলা খাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। এ সময় শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম তুলনামূলক বেশি সক্রিয় থাকে। ফলে কলার কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও খনিজ সহজে কাজে লাগে এবং শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়।

এছাড়া সকালের মাঝামাঝি সময়ে কলা খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং দুপুর পর্যন্ত কর্মক্ষমতাও বজায় থাকে।

যারা নিয়মিত জিম করেন বা ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য কলা একটি আদর্শ খাবার। ব্যায়ামের ৩০ থেকে ৬০ মিনিট আগে একটি কলা খেলে এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। আবার ব্যায়ামের পর কলায় থাকা পটাশিয়াম ও কার্বোহাইড্রেট ক্লান্ত পেশি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে এবং শক্তির ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখে।

অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কলা খেয়ে থাকেন। তবে এটি সবার জন্য ঠিক নাও হতে পারে। খালি পেটে কলা খেলে কিছু মানুষের গ্যাস, অম্বল বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষ করে যাদের হজমের সমস্যা বা অ্যাসিডিটির প্রবণতা রয়েছে, তারা খালি পেটে কলা না খেয়ে অন্য খাবারের সঙ্গে বা নাস্তার পর খেলে বেশি স্বস্তি পেতে পারেন।

রাতে খাবারের পর ফল খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। তবে রাতে কলা খেলে কিছু মানুষের হজম ধীর হতে পারে। এতে পেট ভার লাগা বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। যাদের সর্দি-কাশি বা সাইনাসের সমস্যা থাকে, তাদের ক্ষেত্রে রাতের বেলায় কলা খেলে উপসর্গ বাড়ছে বলে কেউ কেউ অনুভব করেন। যদিও এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত, তবু ব্যক্তিভেদে শরীরের প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে।

কলা একা খাওয়ার পাশাপাশি দই, ওটস, বাদাম বা পিনাট বাটারের সঙ্গে খেলে আরও সুষম পুষ্টি পাওয়া যায়। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়ে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। সূত্র: ভেরিওয়েল হেলথ, হিন্দুস্তান টাইমস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()