সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৫°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৪৯%বাতাস কিমি/ঘ

শরীয়তপুরে বাড়ছে রবিশস্য ‘কালোজিরা’ চাষ

সব রোগের মহৌষধের কথা বললে প্রথমে চলে আসবে 'কালোজিরা'র নাম। এটি যেমন মসলা হিসেবে পরিচিত; তেমনই বহু গুণে গুণান্বিত। দিন দিন কালোজিরার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বাজারে চাহিদাও বেড়েছে কয়েক গুণ।তাই তো শরীয়তপুর জেলায় রবি ফসল হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছি ফসলটি। লাভজনক ফসলটি চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন স্থানীয়রা।

এগ্রোবিজ

সব রোগের মহৌষধের কথা বললে প্রথমে চলে আসবে 'কালোজিরা'র নাম। এটি যেমন মসলা হিসেবে পরিচিত; তেমনই বহু গুণে গুণান্বিত। দিন দিন কালোজিরার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বাজারে চাহিদাও বেড়েছে কয়েক গুণ।তাই তো শরীয়তপুর জেলায় রবি ফসল হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছি ফসলটি। লাভজনক ফসলটি চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন স্থানীয়রা।

শরীয়তপুর জেলা কৃষি অধিদপ্তর জানায়, গত মৌসুমে জেলার ছয়টি উপজেলায় ৩ হাজার ৬৮০ হেক্টর জমিতে কালোজিরা চাষ হয়েছে। যা প্রতি হেক্টর জমিতে ১ টন করে উৎপাদন হয়েছিল। এ বছর জেলায় কালোজিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৭২০ হেক্টর। তবে চলতি মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে ২০০ হেক্টর জমির চাষ কমে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫২০ হেক্টর। চাষ কমলেও ফলন হয়েছে সন্তোষজনক। যা অন্য বছরের তুলনায় হেক্টর প্রতি বাড়বে বলে ধারণা কৃষি বিভাগের।

সরেজমিনে জানা যায়, মাঠজুড়ে কালোজিরার হালকা নীলাভ বর্ণের ফুলে ছেয়ে আছে। এর মধ্যে কিছু কিছু ফল পুষ্ট হয়েছে। বেশিরভাগ ফলই তেলবীজে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সদর উপজেলার বিলাসপুর এলাকার কৃষক মাহতাবউদ্দিন শেখ (৬৬)। গত বছর ৫০ শতাংশ জমিতে করেছিলেন গম চাষ। তবে বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় তেমন একটা লাভের মুখ দেখেননি। এ বছর একই জমিতে করেছেন কালোজিরা চাষ। ফলন ভালো হওয়ায় দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন এ কৃষক।

মাহতাবউদ্দিন শেখ বলেন, 'মৌসুমের প্রথমে বৃষ্টি হওয়ায় ভাবছিলাম কালোজিরা বুনতে পারবো না। তবে আল্লার ভরসায় পরে বুনেই ফেলছিলাম। এত ভালো ফলন হবে কল্পনা করি নাই। বাজারে কালোজিরার বেশ ভালো দাম। আশা করছি, এইবার অনেক বেশি লাভবান হতে পারবো।'

আরও পড়ুন• কালীগঞ্জে রেকর্ড পরিমাণ সরিষা চাষকালোজিরার মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌচাষিরা

জাজিরার মূলনা এলাকার কৃষক শাহজালাল ঢালী বলেন, 'একসময় আমাদের এলাকায় কালোজিরার চাষ বন্ধ রেখেছিলাম। ধনিয়া আর সরিষাই বেশি চাষ করতাম। এখন কালোজিরার চাষ বাড়িয়ে দিয়েছি। বাকিসব ফসলের চাইতে কালোজিরার দাম অনেক বেশি। এতে আমরা বেশি লাভ করতে পারি।'

একই এলাকার রমজান বেপারী বলেন, 'আমার পাশের জমির মালিক গত বছর কালোজিরা চাষ করে অনেক লাভবান হয়েছিল। তাই এ বছর আমিও ১০ শতাংশ জমিতে কালোজিরা চাষ করলাম। ফলন দেখে মনে হচ্ছে, এবার অনেক বেশি লাভ করতে পারবো। আগামীতে আরও চাষের ইচ্ছা আছে।'

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) মোহাম্মদ রিয়াজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, 'কালোজিরা একটি লাভজনক ফসল। ওষুধি গুণাগুণ সম্পন্ন হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা বেশ ভালো। দিন দিন কৃষকদের মাঝে ফসলটি দারুণ সাড়া পাচ্ছে।'

তিনি বলেন, 'চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাতের কারণে আমাদের পরিমাণ কিছুটা কম হয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় গড় ফলন বেশ ভালো হওয়ায় উৎপাদন অনেক বাড়বে। কৃষির বিভাগের পক্ষ থেকে উৎপাদন বাড়াতে প্রতিটি উপজেলায় কৃষকদের পরামর্শের পাশাপাশি প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।'

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

বড় খুচরা বিক্রেতার সামনে এখনও দুর্বল ইউরোপের ফল-সবজি উৎপাদক সংগঠন: নিরীক্ষা প্রতিবেদন

বছরে একশ কোটি ইউরোর বেশি ইইউ সহায়তা পেয়েও ফল ও সবজি চাষিদের উৎপাদক সংগঠনগুলো সদস্য ও বাজার হারাচ্ছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় কোর্ট অব অডিটরস।

Agriland১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

৪৫ বছর ভেজালমুক্ত ঘানির তেল: সুনামগঞ্জের লস্কর আলীর সচ্ছলতা ও সম্মাননা

সুনামগঞ্জ সদরের সীমান্তঘেঁষা নারায়ণতলা গ্রামে ৪৫ বছর ধরে ঘোড়ায় টানা কাঠের ঘানিতে খাঁটি শর্ষের তেল উৎপাদন করছেন ৭১ বছরের মো. লস্কর আলী; এই ব্যবসায় সংসারে সচ্ছলতা এসেছে, এসেছে উপজেলা প্রশাসনের সম্মাননাও।

প্রথম আলো১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

ফার্মার স্কুলে শিখে ১০ কাঠায় বেগুন থেকে তিন মাসে ৬০ হাজার টাকা আয় চারঘাটের কৃষকের

রাজশাহীর চারঘাটে সিনজেনটা বাংলাদেশের ফার্মার স্কুলে ১৪ গ্রামের দেড় হাজারের বেশি কৃষক হাতে-কলমে চাষাবাদ শিখছেন; বেগুন, পাতাকপি ও মুলার আগাম চাষে বাড়ছে আয়।

সমকাল১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()