রবি ২০২৬-২৭ মৌসুমের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে জয়পুরহাটে জেলা কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির (ডিএটেক) সভা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, জয়পুরহাটের আয়োজনে ৭ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১২টায় খামারবাড়ির প্রশিক্ষণ হলে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মনজু আলম সরকার।
সভায় বিগত খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি কার্যক্রমের কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা হয়। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়—প্রযুক্তি বিস্তারে প্রদর্শনী বাস্তবায়নে সব গবেষণা প্রতিষ্ঠান উপজেলার সঙ্গে সমন্বয় করবে; আসন্ন রবি মৌসুমে চাষযোগ্য ফসল ও জাত নির্বাচন এবং বীজ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেওয়া হবে; সার মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত চলবে; ভেজাল ও নিম্নমানের বীজ বিক্রি রোধেও ভ্রাম্যমাণ আদালত বসবে।
মাটির স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দিয়েছে কমিটি: মাটি পরীক্ষা করে জমিতে সঠিক পরিমাণে সার প্রয়োগ, সার সুপারিশ প্রণয়নে মৃত্তিকা গবেষণায় নমুনা পাঠানো এবং মাটির স্বাস্থ্য বিবেচনায় জৈব সার ব্যবহারের কথা বলা হয়। কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তি বিস্তারে প্রতি ব্লকে ২০ জন করে ‘কৃষিকথা’ গ্রাহক তৈরি এবং চলতি আমন মৌসুমে রোগ ও পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়।
সভা সঞ্চালনা করেন এবং বিগত খরিপ-২ কর্মপরিকল্পনার রেজল্যুশন পাঠ করেন অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মো. রাফিউল ইসলাম। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা ছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বারটান, বিএসআরআই, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বিনা, বিজেআরআই, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, এসআরডিআই, বিএডিসি (বীজ বিপণন), কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, কৃষক প্রতিনিধি, বীজ-সার-বালাইনাশক ডিলার ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ ৪০ জন সভায় ছিলেন।
এগ্রিনিউজবিডির প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: এগ্রিনিউজবিডি





মন্তব্য
(০)