সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°ভারী বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

ফলের নাম খইয়া নাকি জিলাপি?

বিলকিস নাহার মিতু

ফল

বিলকিস নাহার মিতু

বিচিত্র এই পৃথিবীতে রয়েছে বিচিত্র ধরনের গাছ, ফুল ও ফল। এর মধ্যে বিচিত্র একটি ফল হলো খৈ ফল। স্থানভেদে কেউ কেউ একে খইয়া বাবলা, দখিনী বাবুল বলে থাকে। আবার জিলাপির মতো দেখতে হওয়ায় কোনো কোনো অঞ্চলে জিলাপি ফল নামেও ডাকা হয়।

বৈশাখ বা জ্যৈষ্ঠ মাসে এই ফল পাকে। গ্রামের ছেলেমেয়েরা এই ফল প্রচুর খেয়ে থাকে। ফল পাকলে গাছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি বসে। এর উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম Pithecellobium Dulce, গ্রিক ভাষায় Pithecellobium; যার অর্থ বানরের ফল। আর ল্যাটিন Dulce মানে মিষ্টি এবং এটি Fabaceae পরিবারের উদ্ভিদ।

মধ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকার নিজস্ব এই উদ্ভিদ ৩০-৫০ ফুট পর্যন্ত বাড়তে পারে। খৈ ফল কয়েক ধরনের হয়। ভেতরে সাদা ও সবুজ, সাদা ও গোলাপি বা গাঢ় লাল রঙের হয়ে থাকে। খেতে অনেক সুস্বাদু, মিষ্টি স্বাদযুক্ত আবার কিছুটা কষযুক্ত। এর গাছের কাণ্ড, শাখা-প্রশাখা লম্বা ও এলোমেলো। গাছে প্রচুর কাঁটা থাকে এবং বাকল ধূসর রঙের হয়ে থাকে। কাঞ্চনের পাতার মতো খৈ গাছের পাতা এবং রং সবুজ ও জোড়ায় জোড়ায় সংযুক্ত।

ফাল্গুন মাসে খৈ ফুল ফোটে। হালকা হলুদাভ ও ছোট ছোট ফুল হয়। এর কলি থোকা থোকা হয়ে থাকে। খৈ ফলের বীজ গোলাকৃতি ও কালো রঙের। খৈ গাছের বাকল ডায়রিয়া, আমাশয় ও যক্ষ্মা রোগের জন্য উপকারী। খৈ ফলের বীজ আলসারে আরাম দেয় এবং এর পাতা কাশি নিঃসরণ ও পিত্তাশয়ের রোগে ব্যবহৃত হয়। অনেকে খৈ ফল ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খান।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের আনাচে-কানাচে এই গাছের জন্ম হয় এবং বাণিজ্যিকভাবে এর কোনো চাষ হয় না। তবে শহরে মাঝেমধ্যে এই ফল বিক্রি করতে দেখা যায়। কিন্তু ফিলিপাইনে এই গাছ ফলের জন্য চাষ করা হয়। সাধারণত ফলের বীজ থেকেই চারা উৎপন্ন হয় আবার ডাল কেটে লাগালেও গাছ হয়। এই গাছ গোড়া থেকে কেটে দিলেও পাশ থেকে নতুন করে চারা গজিয়ে গাছ হয়।

গ্রামাঞ্চলে অনেকে এটি বাড়ির বেড়া হিসেবে দিয়ে থাকে। মাদারীপুর, শরীয়তপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও ভোলায় এই গাছ দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে এই গাছের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। গাছটি টিকিয়ে রাখতে হলে চাষের ব্যবস্থা নিতে হবে। তবেই দেশীয় বৃক্ষ রক্ষা পাবে।

লেখক: শিক্ষার্থী, সরকারি বিএল কলেজ, খুলনা।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()