সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°ভারী বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

বৃক্ষমেলায় তরুণদের পছন্দের শীর্ষে ইনডোর প্ল্যান্টস

রাজধানীতে চলমান জাতীয় বৃক্ষমেলায় গাছপ্রেমীদের মাঝে তরুণদের ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে। তাদের আগ্রহ শুধু ফুল ও ফলের গাছ নয়। তরুণ-তরুণীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ঘর সাজানোর উপযোগী নানা রকম ইনডোর প্ল্যান্টস।

ফল

রাজধানীতে চলমান জাতীয় বৃক্ষমেলায় গাছপ্রেমীদের মাঝে তরুণদের ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে। তাদের আগ্রহ শুধু ফুল ও ফলের গাছ নয়। তরুণ-তরুণীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ঘর সাজানোর উপযোগী নানা রকম ইনডোর প্ল্যান্টস।

শুক্রবার (১১ জুলাই) সরেজমিনে বৃক্ষমেলা ঘুরে দেখা যায়, মানি প্ল্যান্টস, স্নেক প্ল্যান্ট, পিস লিলি, স্পাইডার প্ল্যান্টের মতো ইনডোর প্ল্যান্টস বা গাছগুলো সাজিয়ে রেখেছেন নার্সারির মালিকরা । কেউ কিনছেন নিজ বাসার ছাদ কিংবা বারান্দা সাজাতে, কেউ উপহার দেওয়ার জন্য নিচ্ছেন বাহারি পটসহ শৌখিন গাছ। আবার কেউ কেউ কিনছেন বেডরুম, পড়ার টেবিল কিংবা ড্রইংরুম সাজানোর জন্য।

মেলায় স্টলগুলো ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এসব ইনডোর প্ল্যান্টস বিক্রি হচ্ছে ছোট-বড় অনুযায়ী, বিভিন্ন জাতের, বিভিন্ন দামে। ক্যাকটাস বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ৫০ হাজার টাকায়, জিজিপ্ল্যান্ট ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা, মানি প্ল্যান্ট ৫০ থেকে ১৫০০ টাকা, লাকি বাম্বো ৩৫০ থেকে ৫৫০০, ভিক্টোরিয়া ৪৫০ থেকে ১৫০০, কাটা পাতা মনোস্টরি ২০০ থেকে ১২০০, স্নেক প্ল্যান্ট ২০০-৩০০ টাকা, এগ্লোনিমা ২০০ থেকে ৪৫০০, জেব্রা সাকুলান ৪৫০ থেকে ৪০০, বলকামিনি ২০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, এখন ইনডোর প্ল্যান্টসের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। মেলায় আসা তরুণরা বেশি খোঁজ নিচ্ছেন কোন গাছ কম আলোতে টিকে থাকবে, কোনটা ঘরের বাতাস পরিশোধনে ভালো কাজ করে এসব।

মা বাবার দোয়া নার্সারির কর্ণধার আব্দুল খালেক জাগো নিউজকে বলেন, ইনডোর গাছগুলো আসলে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য। তরুণ- তরুণীরা তাদের ঘর সাজাতে এগুলো কেনেন। কেউ আবার প্রিয়জনকে উপহার দেন। বহু গাছপ্রেমী তাদের ঘরে শোপিজ বা লাক্সারি আইটেমের চেয়ে গাছ দিয়ে ঘর সাজাতে পছন্দ করেন। এতে করে অক্সিজেনও পাওয়া যায়, ঘরের সৌন্দর্যও বাড়ে।

তিনি বলেন, ঘরে প্রাকৃতিক পরিবেশ রাখতে গাছ জরুরি। এখন তরুণরা গাছের প্রতি ঝুঁকছেন। আবার বয়স্ক মানুষ ফুল-ফল ও ঔষধি গাছ কিনছেন।

স্কয়ার এগ্রো ডেভেলপমেন্ট এর দোকানি সায়রা আলম বলেন, আমাদের এখানে ইনডোর প্ল্যান্টসের মধ্যে এয়ার প্ল্যান্ট ২০০ থেকে ১০০০, অর্কিড ১০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এগুলো বেশি চলে।

রংধনু নার্সারিতে পাওয়া যাচ্ছে ক্যাকটাস সেটসহ বিভিন্ন ধরনের ইনডোর গাছ। ৭ পদের গাছ দিয়ে তৈরি একটি ক্যাকটাস সেট ৫০০ থেকে ২০০০ পর্যন্ত রয়েছে।

রাজধানীর উত্তরা থেকে আসা ফারজানা ইসলাম বলেন, আমি রুম সবুজ রাখতে পছন্দ করি । ইনডোর গাছগুলো জায়গা কম নেয়, আবার ঘরের পরিবেশও ভালো রাখে। আমার পড়ার টেবিল, ড্রেসিং টেবিলে ইনডোর প্ল্যান্টস দিয়ে সাজিয়ে রেখেছি। মেলায় এসব গাছের দাম একটু বেশি। কিন্ত ঘুরে ঘুরে বাহারি রকমের এসব গাছ কিনতে যায়।

বাবার সঙ্গে ঘুরতে এসেছে আব্দুল্লাহ আল আমিন। জাগো নিউজকে তারা বাবা ইসমাইল হোসেন বলেন, আমার ছেলে স্কুলে গাছ উপহার পেয়েছে একবার। সেই থেকে সে বারান্দায় এই পর্যন্ত ৭টি গাছ লাগিয়েছে। তার পড়ার টেবিলেও গাছ রেখেছে।

আরএএস/এএমএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()