এক প্রজন্ম আগের তুলনায় আমেরিকানরা এখন প্রায় দ্বিগুণ মধু খাচ্ছেন, আর তার বেশির ভাগই আসছে অন্য দেশ থেকে—বলছে ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস।
১৯৯০ সালে একজন গড় মার্কিন ভোক্তা বছরে এক পাউন্ডের সামান্য বেশি মধু ব্যবহার করতেন। ২০২৫ সালে মাথাপিছু ব্যবহার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৯ পাউন্ডে; তার আগে ২০২৪ সালে তা রেকর্ড ২.০ পাউন্ডে উঠেছিল।
ইআরএস এই বৃদ্ধির পেছনে দুটি কারণ একসঙ্গে কাজ করার কথা বলছে—জনসংখ্যা বেড়েছে, আর মাথাপিছু খাওয়াও বেড়েছে। দুটিই চাহিদাকে একই দিকে ঠেলছে, অথচ দেশীয় উৎপাদন সেই তাল রাখতে পারেনি।
ঘাটতি পূরণ করেছে আমদানি। ২০২৫ সালে মার্কিন মধু সরবরাহের ৭৮ শতাংশই এসেছে আমদানি থেকে—সবচেয়ে বেশি ভারত, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও ভিয়েতনাম থেকে।
অন্য দেশের মৌচাষিদের জন্য এই সংখ্যাটিই ভাবার মতো। বিশ্বের অন্যতম বড় মধুর বাজার এখন নিজের ভোগের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি কেনে বিদেশ থেকে, আর নাম আসা চারটি দেশের প্রতিটিতেই ক্ষুদ্র মৌচাষির বড় খাত রয়েছে।
দাম নিয়েও একটি সতর্কবার্তা আছে এই প্রবণতায়। যে বাজার প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর, সেখানে রপ্তানিকারক দেশের মৌচাষি কত দাম পাবেন তা ঠিক করে দেয় সরবরাহকারীদের মধ্যকার প্রতিযোগিতা—কেবল মার্কিন চাহিদার জোর নয়।
তথ্য এসেছে ইআরএসের সুগার অ্যান্ড সুইটেনার ইয়ারবুক টেবিলস থেকে, যা তৈরি করেছেন ভিদালিনা আবাদাম, ডি. অ্যাডেলিন ইয়ে ও সিমলা টোকগোজ; বিস্তারিত আলোচনা আছে ২০২৬ সালের জুনের সুগার অ্যান্ড সুইটেনার আউটলুকে।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)