নওগাঁর ব্যাপারী আব্দুল সালাম। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) ১০টা গরু নিয়ে গাবতলী হাটে আসেন তিনি। এর মধ্যে নয়টি গরু বিক্রি হলেও একটি গরু বিক্রি করতে পারেননি তিনি। প্রায় ১৪ থেকে ১৫ মণ মাংস হবে বিক্রি না হওয়া ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির। এখন সেই গরু গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে সালামের।
রোববার (১০ জুলাই) ঈদুল আজহার দিনেও গাবতলী গরুর হাটে শতাধিক গরু দেখা যায়। বেশিরভাগ অবিক্রীত গরু ব্যাপারীরা নিয়ে গেছে বলে জানা যায়। তবে অনেক ব্যাপারী বড় গরু নিয়ে হাটে বসে আছেন বিক্রির আশায়। ক্রেতারাও তুলনামূলক কম দামে বড় গরু কিনতে হাটে আসছেন।
আবদুস সালাম বলেন, বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সাদা গরুটি চার লাখ, সাড়ে চার লাখ পর্যন্ত দাম বলে গেছেন ক্রেতারা। তখন আমি পাঁচ লাখ টাকা চেয়েছিলাম। কিন্তু অন্য গরু বিক্রি হলেও এই গরুটা বিক্রি হয়নি। এখন এর দাম দুই লাখ বা দুই লাখ ২০ হাজার বলছে ক্রেতারা। আমি তিন লাখ হলেই ছেড়ে দেবো।
তিনি বলেন, বড় গরু বেচার জন্য ছোট গরুগুলো আগে বিক্রি করেছি। একটা বড় গরুতে এরই মধ্যে এক লাখ টাকা লোকসান করেছি। এখন এ গরুরও দাম কম বলছে ক্রেতারা। গত দুই বছর ধরে বড় গরু বিক্রি করে লোকসান করছি।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, ঈদের দিন গরু কম থাকায় দাম খুব একটা কম বলছেন না বিক্রেতারা। বড় গরুর দাম কিছুটা কম বললেও ছোট ও মাঝারি গরুর চড়া দাম চাইছেন তারা।
মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন নামের এক ক্রেতা জানান, ঈদের দিন নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করা যায়। ভিড় কম থাকে এ কারণে আজ তারা এসেছেন।
তিনি বলেন, গতকাল (শনিবার) গরুর দরদামই করতে পারিনি। আমি একটা দাম বললে, অন্য আরেক জন আরেকটি দাম বলে। আমরা বড় গরু কোরবানি দেব আগামীকাল।
এসএম/আরএডি/এএসএম





মন্তব্য
(০)