সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৩%বাতাস ১৭ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৮ মিমি

৩ ধরনের রোগ থেকে ড্রাগন ফল রক্ষার উপায়

ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল। যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এ ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এ গাছের কোনো পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারণত ১.৫ থেকে ২.৫ মিট

ফল

ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল। যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এ ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এ গাছের কোনো পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারণত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

ড্রাগন ফল সাধারণত তিন প্রজাতির হয়ে থাকে। যথা- লাল ড্রাগন ফল বা পিটাইয়া, কোস্টারিকা ড্রাগন ফল, হলুদ রঙের ড্রাগন ফল। বাংলাদেশে উদ্ভাবিত জাতগুলো হলো- বারি ড্রাগন ফল-১, বাউ ড্রাগন ফল-১ (সাদা), বাউ ড্রাগন ফল-২ (লাল), বাউ ড্রাগন ফল-৩। বিদেশি ড্রাগন ফলটি বেশ সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।

এরই মধ্যে ফলটি বাংলাদেশের ভোক্তা পর্যায় বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে সফল চাষাবাদ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এবার আসুন, আমরা ফলটির কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত রোগ এবং তার প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নিই।

জৈব ব্যবস্থাপনা• রোগমুক্ত চারা এবং জাত ব্যবহার করা।• আক্রান্ত অংশ বা ফল তুলে পুড়ে বা পুতে ফেলা।• পরিমিত সেচ প্রয়োগ করা।• রোগ দেখা দিলে পানি সেচ বন্ধ করতে হবে।• প্রত্যায়িত অথবা রোগমুক্ত এলাকা থেকে সুস্থ ও রোগমুক্ত বীজ সংগ্রহ করা।• যে জমি সব সময় ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতে থাকে সে জমিতে কখনোই চাষ না করা।• জমিতে হলুদ আঠালো ফাঁদ ঝুলিয়ে রাখা।• ফসলে পর্যাপ্ত আলো থাকা এবং আগাছামুক্ত চাষাবাদ।

মেনকোজেব গ্রুপের জেনেজেব (জেনেটিকা) বা কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের এগরবন (জেনেটিকা) ছত্রাকনাশক প্রতিটি আলাদা ভাবে ০.২% হারে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে। ওষুধ প্রয়োগের পাঁচদিন পর্যন্ত ফসল তোলা যাবে না। প্রয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসে কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

আরও পড়ুন

জৈব ব্যবস্থাপনা• অতি তাপ শুষ্ক পরিহার করা।• তাপমাত্রার ওঠা-নামা পরিহার করা।• জমিতে হলুদ আঠালো ফাঁদ ঝুলিয়ে রাখা।• পরিমিত সেচ প্রয়োগ করা। • পরিমিত সার প্রয়োগ করা।• ফসলে পর্যাপ্ত আলো থাকা এবং আগাছামুক্ত চাষাবাদ।• রোগমুক্ত চারা ব্যবহার করা।• আক্রান্ত অংশ তুলে পুড়ে বা পুতে ফেলা।

এজোক্সিস্ট্রবিন+সিপ্রোকোনাজল গ্রুপের মনা (জেনেটিকা) ছত্রাকনাশক প্রতিটি আলাদা ভাবে ০.২% হারে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে। ওষুধ প্রয়োগের পাঁচদিন পর্যন্ত ফসল তোলা যাবে না। প্রয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসে কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

জৈব ব্যবস্থাপনা• রোগমুক্ত চারা ব্যবহার করা।• আক্রান্ত অংশ তুলে পুড়ে বা পুতে ফেলা।• পরিমিত সেচ প্রয়োগ করা।• রোগ দেখা দিলে পানি সেচ বন্ধ করতে হবে।• প্রত্যায়িত অথবা রোগমুক্ত এলাকা থেকে সুস্থ ও রোগমুক্ত বীজ সংগ্রহ করা।• বপনের পর যত শীঘ্র সম্ভব গাছের গোড়ায় মাটি তুলে দেওয়া।• এ রোগ দেখামাত্র আক্রান্ত জমিতে সেচ প্রদান, নিড়ানি দেওয়া, মালচিং ইত্যাদি বন্ধ করা।• যে জমি সব সময় ভেজা বা স্যাঁতস্যাঁতে থাকে, সে জমিতে কখনোই চাষ না করা।• জমিতে হলুদ আঠালো ফাঁদ ঝুলিয়ে রাখা।

এজোক্সিস্ট্রবিন+সিপ্রোকোনাজল গ্রুপের মনা (জেনেটিকা) ছত্রাকনাশক প্রতিটি আলাদা ভাবে ০.২% হারে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে। ওষুধ প্রয়োগের পাঁচদিন পর্যন্ত ফসল তোলা যাবে না। প্রয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসে কৃষিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()