সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৬%বাতাস কিমি/ঘ

বীজ থেকে গাঁদা ফুল রোপণ করবেন যেভাবে

এই সময়ে গ্রামের প্রায় বাড়িতে গাঁদা ফুল গাছ দেখা যায়। গাছে গাছে এখন ফুলের সমারোহ। এই ফুলের বীজ থেকেও গাছ গাঁদা ফুল গাছ চাষ করতে পারবেন।

ফুল

এই সময়ে গ্রামের প্রায় বাড়িতে গাঁদা ফুল গাছ দেখা যায়। গাছে গাছে এখন ফুলের সমারোহ। এই ফুলের বীজ থেকেও গাছ গাঁদা ফুল গাছ চাষ করতে পারবেন।

• বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে শীতের শুরুর দিকেই গাঁদা বীজ রোপণ করতে শুরু করুন।

• একটি ছোট পাত্র বা ট্রেতে মাটি দিয়ে ভরাট করুন, যা হালকা ভেজা। নিচে ড্রেনেজ গর্ত রাখুন।

• মাটির উপরিভাগে সমানভাবে গাঁদা বীজ রাখুন। শুধু তাদের মাটিতে হালকা চাপ দিলেই হবে।

• আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য ভার্মিকুলাইটের পাতলা আবরণ দিয়ে বীজ ঢেকে দিন। তারপর পুরো ট্রে বা পাত্রটিকে প্লাস্টিকের মোড়ক বা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।

• গাঁদা বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য সরাসরি রোদ জরুরি নয়। পাত্রটি গরম কোথাও রাখুন। প্রায় চার-পাঁচ দিনের মধ্যে প্রথম স্প্রাউটগুলো বের হতে শুরু করবে।

• বীজ অঙ্কুরিত হতে শুরু করার পর প্লাস্টিকের মোড়ক সরিয়ে দিন। আরও বিকাশের জন্য আলো-বাতাস দিন।

• ট্রে বা পাত্রটি এমন জায়গায় রাখুন, যেখানে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সরাসরি রোদ থাকে। গাঁদা গাছ জন্মানোর জন্য রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশ জরুরি।

• পাত্রের আর্দ্রতা থাকা উচিত। অতিরিক্ত পানি দেওয়া এড়িয়ে চলুন। কেননা স্যাঁতসেঁতে ছত্রাক অতিরিক্ত ভেজা মাটিতে জন্মাতে পারে।

• এরপর চারাগুলো বাগানে প্রতিস্থাপন করতে পারেন। একবার কয়েকটি নতুন পাতা গজালে গাছটি যথেষ্ট শক্তিশালী হয়।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফুল

সম্পর্কিত খবর

ফুল

ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখে যে গাছ: পিস লিলি

কম আলোতেও বেড়ে ওঠা পিস লিলি অন্দরসজ্জায় জনপ্রিয়; নাসার গবেষণা বলছে, এটি ঘরের বাতাস থেকে বেনজিন ও ফরমালডিহাইডের মতো টক্সিন দূর করে।

সমকাল১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গোল নয় তবুও কেন এর নাম ‘গোলগাছ’

গোলগাছ কিংবা গোলপাতা কোনোটিই গোল নয়। তাহলে এই গাছ ও পাতার অঙ্গে-সঙ্গে গোল শব্দটি যুক্ত হলো কীভাবে? সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফুল অথবা ফলের নামানুসারে কোনো গাছ বা উদ্ভিদের নাম নির্ধারণ করা হয়। গোলফল যখন ছড়িয়ে থাকে তখন দেখতে ঠিক পরিপাটি গোলগাল কাঁঠাল এবং কেয়া ফলের মতো। মূলত ছড়ায়-ছড়ায় ঝুলতে থাকা চোখ-

জাগো নিউজ ২৪৩১ আগস্ট ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()