সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৬%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

হাতিয়ায় জালে ২৮০ কেজির শাপলাপাতা মাছ, সংরক্ষিত প্রজাতি বিক্রি হলো ৯০ হাজার টাকায়

বন্য প্রাণী আইনে শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও মেঘনায় ধরা পড়া সাত মণ ওজনের মাছটি চেয়ারম্যানঘাটে কেটে টুকরা করে বিক্রি হয়েছে; জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, মৎস্য আইনে সরাসরি নিষিদ্ধ নয়, তবে বন আইনে বিপন্ন প্রজাতি।

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে সাত মণ বা ২৮০ কেজি ওজনের একটি শাপলাপাতা মাছ। বুধবার বিকেলে মাছটি হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাটে আনা হলে তা দেখতে ভিড় জমে যায়। পরে ঘাটেই কেটে টুকরা করে প্রায় ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় মাছটি। বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই মাছ শিকার, সংগ্রহ, ক্রয়-বিক্রয় ও বাজারজাত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ; তবু বিক্রিতে জেলেদের কোনো বাধার মুখে পড়তে হয়নি।

স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভাসানচরের কাছে মেঘনায় ‘চরঘেরা’ জাল ফেলেছিলেন একদল জেলে; বিকেলে সেই জালে তরুণাস্থিময় সামুদ্রিক মাছটি আটকা পড়ে। বুধবার ঘাটের জামাল মেম্বারের মৎস্য আড়ত থেকে ডাকের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকায় মাছটি কেনেন এক স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী, যিনি পরে টুকরা করে স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করেন।

ঘটনার সময় ঘাটে থাকা সুবর্ণচরের বাসিন্দা আবদুল বারী জানান, শাপলাপাতা মাছ ধরা আইনত দণ্ডনীয় হলেও জেলেরা তা জানেন বলে মনে হয়নি।

ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির (ডব্লিউসিএস) তথ্যমতে, শাপলাপাতা মাছের ১৬টি প্রজাতি আছে; বাংলাদেশে পাওয়া ৮ থেকে ১০ প্রজাতির মধ্যে দুটি মহাসংকটাপন্ন ও তিনটি সংকটাপন্ন। পিতাম্বরী বা নাঙলা এবং ঘণ্টি শাপলাপাতা মহাসংকটাপন্ন; পান্ন্যা, শিংচোয়াইন ও ঠোট্ট্যা ঘাপরি সংকটাপন্ন। চিত্রাহাউশ, ছোটলেজি, কালি, ফুল, বাদুড়, বাদা, থাইন ও চুনি প্রজাতিও এ দেশে পাওয়া যায়, যার কয়েকটি বিক্রিনিষিদ্ধ।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ জানান, ঘটনাটি তাঁর জানা আছে। তাঁর ভাষ্য, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে শাপলাপাতা মাছ ধরা সরাসরি নিষিদ্ধ নয়; তবে বন্য প্রাণী ও বন আইনে এটি ‘বিপন্ন বা বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত এবং ওই আইনে ধরা বা বিক্রি নিষিদ্ধ।

নোয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোল্লা মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের মুঠোফোন একাধিকবার বন্ধ পাওয়া যায়; জেলা বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিলও ফোন ধরেননি। উপকূলে আইন প্রয়োগে দুই বিভাগের এই ফাঁকের মধ্যেই সংরক্ষিত প্রজাতির মাছ খোলা ঘাটে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

ডাম্পিং স্টেশন নেই, পৌরসভার বর্জ্য আর পয়োনিষ্কাশনের পানি যাচ্ছে ভৈরবের মেঘনায়

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নদীর তীরে ময়লার স্তূপ, সরাসরি নদীতে পড়ছে পৌরসভার বর্জ্য ও প্লাস্টিক, ভরাট হচ্ছে খাল-বিল; জলজ প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য হুমকিতে।

দৈনিক বাংলা২ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও দুই বছর ধরে কমছে ইলিশ, ৫.৭১ লাখ থেকে ৫ লাখ টনে

দুই দশকে দ্বিগুণের বেশি বাড়ার পর ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে; গবেষকেরা দুষছেন দুর্বল বাস্তবায়ন, নদীদূষণ, চরের পরিবর্তন আর অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনকে।

বাংলা ট্রিবিউন২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

১৯৮৩ সালের পর প্রথম মাছ-পুকুর শুমারি: ৩১.৮২ কোটির প্রকল্পে পরামর্শকেই ২৩.৩৪ কোটি

অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ জরিপ পদ্ধতি উন্নয়নের প্রকল্পে একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ধরেছে মৎস্য অধিদপ্তর; অধিদপ্তর বলছে ৩০ লাখ স্পটের তুলনায় এটা কম, অর্থনীতিবিদের প্রশ্ন যৌক্তিকতা নিয়ে।

জাগো নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)