সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘ

হাঁসে লাখপতি সুনামগঞ্জের খামারিরা

হাওরে হাঁসের কদর বেড়েছে। নিজেদেরসহ পর্যটকদের মাংসের চাহিদা মেটাতে এখন হাঁসের খামারে ঝুঁকছেন স্থানীয়রা। এ বছর হাঁসের মাংসের দাম অন্য বছরের চেয়ে বেশি হওয়ায় খামারিদের এখন হাঁসপালনে আগ্রহও বেড়েছে।

লাইভস্টক

হাওরে হাঁসের কদর বেড়েছে। নিজেদেরসহ পর্যটকদের মাংসের চাহিদা মেটাতে এখন হাঁসের খামারে ঝুঁকছেন স্থানীয়রা। এ বছর হাঁসের মাংসের দাম অন্য বছরের চেয়ে বেশি হওয়ায় খামারিদের এখন হাঁসপালনে আগ্রহও বেড়েছে।

এছাড়া হাওর-বাওড়ের এই জেলায় রয়েছে অসংখ্য খাল-বিল ও জলাশয়। যা হাঁস পালনের জন্য ভালো সুযোগ ও সম্ভাবনাময় স্থান বলা যায়।

সুনামগঞ্জ শহরতলির লালারচর গ্রামের সুকান্ত পালের একসময় ভাঙা ঘর ছাড়া আর কিছুই ছিল না। মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে করেন হাঁসের খামার। বর্তমানে তিনি একজন হাঁসের সফল খামারি। বছরে দুবার হাঁসার বাচ্চা এনে বড় করে বিক্রি করে পরিবারের আর্থিক কষ্ট দূর করেছেন তিনি। গত পাঁচ বছর ধরে এই ব্যবসা করছেন তিনি। দু'বছর হলো তারা চার ভাই এবং ষাটার্ধ্ব বাবা সমর পালও হাঁসের খামারে কাজ করেই সময় কাটান বেশি।

সুকান্ত পাল জানালেন, দিরাইয়ের দত্ত গ্রাম থেকে আশ্বীন মাসের ২৫ তারিখে প্রতিটি ৩৬ টাকা করে ৬০০ হাঁসের বাচ্চা এনেছিলেন। যা পাঁচ মাসে বিক্রয় উপযোগী করে তুলতে তার খরচ হয় ৭০ হাজার টাকা। দু'দিন আগে তার একশ হাঁস ৪০ হাজার টাকা দাম হাকেন এক পাইকারি বিক্রেতা। কিন্তু তিনি দেননি, আশা করছেন একশ হাঁস এবার ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। হাঁস বিক্রি করে সুকান্ত এখন লাখপতি।

কেবল সুকান্ত পালই নয়, জেলায় ৪ হাজার ৭শ জন এই হাঁসের খামার গড়ে তুলেছেন। এসব খামার ও গৃহস্থ পরিবারে ২৭ লাখ ৩০ হাজার ৪৪২টি হাঁস রয়েছে বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাওর-বাওরের এই জেলা সুনামগঞ্জে রয়েছে নানা পর্যটন স্থান। যে জায়গাগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা ঘুরতে আসেন। এক সময় পর্যটকদের খাবারের তালিকায় মোরগ, হাওরের সুস্বাদু মাছ ও পাখি থাকলেও বর্তমানে তা বদলে গেছে। খাবারের তালিকায় প্রথম পছন্দের খাবার হিসেবে থাকছে হাঁসের মাংস।

ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা সামিরা চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, এক সময় হাঁস আমার খেতে ভালো লাগত না। কিন্তু সুনামগঞ্জে এসে হাঁসের মাংস খেয়ে এতটা স্বাদ পেয়েছি যে এখন হাঁসের মাংসকে পছন্দের তালিকায় প্রথম রেখেছি।

সিলেট থেকে আসা নাদিয়া বেগম জাগো নিউজকে বলোন, হাঁসের মাংসের তরকারি এমনিতেই আমার খুব ভালো লাগে। তবে সুনামগঞ্জের হাঁসের মাংসের আলাদা স্বাদ।

দিনাজপুর থেকে আসা রাহুল, সায়মন ও জিলান জাগো নিউজকে বলেন, আমরা তিনজন সুনামগঞ্জে বেড়াতে এসেছি। এখানে এসে সবাই বলছে হাঁসের মাংস নাকি অনেক মজা। তাই তিন বন্ধু মিলে দুপুরের খাবার হাঁসের মাংস দিয়ে করলাম। যে স্বাদ পেয়েছি তা জীবনেও ভুলব না।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলরা জানান, সুনামগঞ্জে দুই ধরনের হাঁস পালন করা হয়। খাকী ক্যাম্বেল, যেটির উৎপত্তিস্থল ইংল্যান্ড। আরেকটি হচ্ছে জিনিডিং, এর উৎপত্তিস্থল চীন। এই দুই ধরনের হাঁসই প্রাপ্তবয়স্ক হলে দুই থেকে আড়াই কেজি ওজনের হয়।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভিএফএ মনোরঞ্জন দাসের মতে, হাওরের কিছু খাল, ডোবা লিজ না দেওয়া না হলে হাঁসের খামার আরও বেড়ে যেত এবং সুনামগঞ্জ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে আরোও লাভবান হতো।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগ বিনামূল্যে ভ্যাকসিনসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে খামারিদের। সুনামগঞ্জে হাঁসের মাংস জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আগামীতে যাতে আরো বেশি হাঁসের খামার গড়ে ওঠে সেদিকে তারা নজর দিচ্ছেন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

ডিমের ভেতরেই লিঙ্গ নির্ণয়: পাঁচ বছরে ইউরোপের ৪০ শতাংশ বাজারে, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধায়

ডিম ফোটার আগেই বাচ্চার লিঙ্গ নির্ণয়ের প্রযুক্তি পাঁচ বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের লেয়ার বাজারের শূন্য থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে, পুরুষ বাচ্চা মারার ওপর নিষেধাজ্ঞার জোরে; যুক্তরাষ্ট্রে কেবল প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডগুলো এটি নিয়েছে, খুচরা বিক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে নারাজ।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

NoFence আনল তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 ও পশুপাল ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম

নরওয়ের ভার্চুয়াল ফেন্সিং কোম্পানি NoFence তাদের তৃতীয় প্রজন্মের গবাদিপশুর কলার N3 বাজারে এনেছে—স্যাটেলাইট ব্যাকআপ আর এমন সফটওয়্যার নিয়ে, যা চারণের হিসাব নিজে লেখে, সময়সূচি ধরে পাল সরায় এবং গরমে আসা গাভি চিহ্নিত করে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()