সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

বাজারে ‘হাঁড়িভাঙা আম’, কেজি ৪০ টাকা

আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময়ের ১০ দিন আগেই আম পাড়া শুরু করেছেন চাষিরা। সেই সুবাধেই শনিবার (১০ জুন) থেকে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙা আম।

ফল

আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময়ের ১০ দিন আগেই আম পাড়া শুরু করেছেন চাষিরা। সেই সুবাধেই শনিবার (১০ জুন) থেকে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙা আম।

এরই মধ্যে রংপুর নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন অস্থায়ী হাট, পদাগঞ্জ, সিটি বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে উঠতে শুরু করেছে এ আম।

আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছোট সাইজের হাঁড়িভাঙা আমের মণ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, মাঝারি সাইজের ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকা এবং বড় সাইজেরটা ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকা।

এ বছর হাঁড়িভাঙা আমের ফলন ভালো হলেও অনাবৃষ্টি-অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে আমের আকার খুব বেশি বড় হয়নি।

আরও পড়ুন: উদ্বোধনের পরদিনই কমলো ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনের আম বুকিং

পদাগঞ্জ এলাকার আমচাষি হুমায়ুন কবীর বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার আমের আকার কিছুটা ছোট হয়েছে। তবে ফলন আশানুরূপ। এবার আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় দশদিন আগেই আম পাড়া শুরু হয়েছে। আমার বাগানের মাঝারি সাইজের আম ১৩০০ টাকা মণ বিক্রি করেছি।

অনলাইনে আম সরবরাহকারী সাওমুন জুবায়ের সাকিন বলেন, গত বছর থেকে অনলাইনে আমের অর্ডার নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে তা সরবরাহ করছি। এবার শুরুর দিনেই মাঝারি সাইজের এক মণ আমের অর্ডার পেয়েছি। প্রতিমণ আম ঢাকায় পাঠাতে ক্যারেট, প্যাকিং ও কুরিয়ার মিলে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে।

হাঁড়িভাঙা আমচাষি পরিষদের সভাপতি আব্দুস সালাম সরকার বলেন, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা জেলা প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়ে বাজারজাতের তারিখ ২০ জুনের পরিবর্তে ১০ জুন করার দাবি জানিয়েছিলাম। প্রশাসন আমাদের আবেদনটি বিবেচনায় নিয়েছেন, এ জন্য আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে কৃতজ্ঞ।

আরও পড়ুন: সাড়ে ৪ হাজার কেজি আম নিয়ে ঢাকায় ছুটলো ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান মণ্ডল বলেন, এবার রংপুরে প্রায় তিন হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে সব জাতের আমের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৯০৫ হেক্টর জমিতে রয়েছে হাঁড়িভাঙা আম। যা গত বছরের চেয়ে ৪০ হেক্টর বেশি। আমের ফলন এবার গতবারের চেয়ে ভালো হওয়ায় প্রায় ৩৫ হাজার মেট্রিকটন আম উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করছি উৎপাদিত আমের বিক্রি এবার তিনশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত সময়ের আগে আম বাজারজাত না করার জন্য আম চাষিদের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এখন চাষিরা অনেক সচেতন। তারা আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল। প্রকৃতিগত সমস্যার কারণে আম আগাম পাকতে শুরু করে। যার কারণে আমরা আগাম আম পাড়ার সিদ্ধান্ত নেই। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চাষিরা আজ থেকে আম পাড়ছেন।

রংপুরের জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন জাগো নিউজকে বলেন, চাষিদের আবেদনের প্রেক্ষিতে শনিবার থেকে হাঁড়িভাঙা আম পাড়া শুরু হয়েছে। আম বাজারজাত করতে যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়, তা জেলা প্রশাসন থেকে মনিটরিং করা হবে।

আরও পড়ুন: আন্তরিকতার অভাবে বাড়ছে লোকসান, সেবা নিয়েও অসন্তুষ্টি

উল্লেখ্য আম পাড়র সময় এগিয়ে নেওয়ার জন্য সোমবার (৫ জুন) রংপুরের জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন চাষিরা। তাদের দাবি ছিল ২০ জুনের পরিবর্তে ১০ জুন থেকে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম সরবরাহের ব্যবস্থা করা। বুধবার (৭ জুন) দুপুরে এ সংক্রান্ত নোটিশ জারি করেছে রংপুর জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জিতু কবীর/জেএস/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()