সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস কিমি/ঘ

৫০০ গ্রাম ইলিশের কেজিই প্রায় ২ হাজার টাকা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বাজারে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৯০০ টাকা। ৮০০ গ্রাম ইলিশের কেজি দুই হাজার ৩০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা।

মৎস্য

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বাজারে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৯০০ টাকা। ৮০০ গ্রাম ইলিশের কেজি দুই হাজার ৩০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা।

জেলার সবচেয়ে বড় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আলীপুর-মহিপুর ঘাটে গিয়ে কথা বলি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসে আশ্রয় নেওয়া জেলেদের সঙ্গে।

চট্টগ্রামের বাশঁখালীর ট্রলার এফবি আল-আসফাক ৪ জুলাই ১৫ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সমুদ্রে যাত্রা করে। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে সমুদ্রে জাল ফেলে সামান্য কিছু মাছ পায়। এভাবে তিনদিনের মাথায় মাছের দেখা পায় মাত্র ২০০ পিসের। ওজন হয় একশো ৬৩ কেজি। মাছের সাইজের ওপর নির্ধারণ করে তিনটি দামে মাছগুলো বিক্রি করেন ট্রলারের মাঝি সালাহউদ্দিন (৪২)।

মাঝি জানায়, তিনবারের পরে আর সমুদ্র থাকা সম্ভব হয়নি। হঠাৎ উত্তাল হয় সমুদ্র। জীবন রক্ষার্থে সবচেয়ে কাছের অবতরণ কেন্দ্র আলীপুরে চলে আসেন রাতে। মঙ্গলবার মহিপুর আড়তে বিক্রি করেন চারমন মাছ যার দাম মাছের সাইজের ওপর ভিত্তি করে।

মাঝির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি করেছেন এক লাখ তিন হাজার টাকা মন। ৮০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি করেছেন ৮৬ হাজার টাকা মন আর ৬৫০ গ্রামের ইলিশ ৭৬ হাজার টাকা মন।

এ মাঝির ভাষ্য, ইলিশের দাম বেশি হয়েছে তাতে আমি সাড়ে সাত লাখ টাকার বাজার নিয়ে সমুদ্রে গিয়ে ৩ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করলাম। আমার লোকসান হলো ৪ লাখ টাকা। এখন মাছের দাম বেশি এটা যেমন ঠিক তেমনি লোকসান গুনতে হচ্ছে এটাও সত্যি।

তিনি দাবি করেন, জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সমুদ্র উত্তাল থাকে। এ সময়ে মাছ ধরতে হয় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এ সময়টাতে স্বাদের ইলিশ পাওয়া যায়। তবে ইলিশ সংকট হওয়ায় দামটা চড়া। পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়া গেলে দামটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

ওই বন্দরে ট্রলার নোঙর করে আছে নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে আসা এফবি মা-বাবার দোয়া ট্রলার। ট্রলারেরে মাঝি তৈয়বুর রহমান। তিনি জানান, বর্তমানে ইলিশের দাম বেশি। কারণ গত ৩ মাস আমরা সাগরে মাছ ধরতে পারছি না। মে-জুন গেল ৫৮ দিনের অবরোধ আর অবরোধের পরে একমাস আবহাওয়া খারাপ। তিন মাস যদি মাছ সংকট থাকে এরপরে অল্প মাছ বাজারে ওঠায় দামটা বেশি তবে মাছের পরিমাণটা বাড়লে দামটা কমে যাবে।

মহিপুর ঘাটের জেলে জিয়াবুল জানায়, সরকার সিদ্ধান্ত ইলিশের দাম নির্ধারণ করবে। কিন্তু একজন জেলে কীভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইলিশ সংগ্রহ করে তার খোঁজ নেন না। ইলিশের দাম বেশি তারপরও আমরা লোকসান গুনছি। জেলেদের কষ্ট কেউ জানতে চায় না। তাই বলবো, ইলিশের দাম নির্ধারণ করলে তৈল, বরফসহ আমাদের সব সরঞ্জামাদির দাম ও নির্ধারিত হতে হবে।'

কুয়াকাটার খান ফিসের পরিচালক জাহাঙ্গীর খান জানান, ইলিশের দাম কেন বেশি এ খবর আমরাও জানি না। আমরা প্রতিদিন ঢাকাসহ যে সব মোকামগুলোতে মাছ পাঠাই। সেখান থেকে তাদের বিক্রির ওপরে নির্ভর করে আমাদের যে দাম দেওয়া হয়। সেরকম দামে জেলেদের কাছ থেকে ক্রয় করি। আর কোনো কারণ আমাদের জানা নেই। মাছের পরিমাণটা বেড়ে গেলে দামটা নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আশিকুর রহমান জানান, লম্বা সময়ে জেলেরা সমুদ্র নামতে না পারার কারণে ইলিশের দামটা বৃদ্ধি তবে ইলিশের পরিমাণটা বাড়লে দাম কমে আসবো। তারপরও যাকে কোনো অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তৈরি করতে না পারে সেজন্য আমাদের তদারকি রয়েছে।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/আরএইচ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ইলিশের উল্টো যাত্রা

একসময় গল্পটা ছিল উল্টো। পদ্মা-মেঘনার ইলিশ সীমান্ত পেরিয়ে যেত পশ্চিমবঙ্গের বাজারে। কলকাতার বাঙালির কাছে বাংলাদেশের ইলিশ ছিল বিশেষ আকর্ষণের নাম। দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশের ইলিশ ভারতে যাওয়ার খবর নিয়ে সংবাদমাধ্যমে উৎসবের আবহ তৈরি হতো। আর এখন সেই গল্পে যেন হঠাৎ উল্টো পাতা খুলেছে। ভারত থেকে ইলিশ আসছে বাংল

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৭ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মা-মেঘনার ইলিশ কেন এত সুস্বাদু: রহস্য মাছে নয়, তার খাবারে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে, মোহনার প্ল্যাঙ্কটনে চর্বি জমেই স্বাদ তৈরি হয়; দেশের ইলিশের মাত্র ২ শতাংশ সরাসরি পদ্মার, বড় ও সুস্বাদু ইলিশের বেশির ভাগ আসে মেঘনার অববাহিকা থেকে।

প্রথম আলো১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

হাতিয়ায় জালে ২৮০ কেজির শাপলাপাতা মাছ, সংরক্ষিত প্রজাতি বিক্রি হলো ৯০ হাজার টাকায়

বন্য প্রাণী আইনে শিকার ও বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও মেঘনায় ধরা পড়া সাত মণ ওজনের মাছটি চেয়ারম্যানঘাটে কেটে টুকরা করে বিক্রি হয়েছে; জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, মৎস্য আইনে সরাসরি নিষিদ্ধ নয়, তবে বন আইনে বিপন্ন প্রজাতি।

প্রথম আলো১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()