বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কৃষি রাসায়নিক, আগাছানাশক গ্লাইফোসেটের নিবন্ধন পর্যালোচনায় বিজ্ঞানীদের কাজ সমন্বয়ে সমঝোতা স্মারক সই করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ) ও স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস)।
যৌথ কারিগরি দলে থাকবেন ইপিএর বালাইনাশক কর্মসূচি দপ্তর এবং এইচএইচএসের জাতীয় পরিবেশ স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ন্যাশনাল টক্সিকোলজি প্রোগ্রাম, জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউট, পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, সিডিসি ও এফডিএর বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা গ্লাইফোসেটের মিশ্রণ ও সারফ্যাক্ট্যান্টের বিষক্রিয়া, পেশাগত রোগতত্ত্ব, জৈব পর্যবেক্ষণ এবং মানুষ ও খাদ্যের মাধ্যমে সংস্পর্শ নিয়ে কাজ করবেন; অণুজীবজগতের মতো নতুন বিষয়সহ তথ্যের ঘাটতিও চিহ্নিত করবেন।
ইপিএ প্রশাসক লি জেলডিন বলেন, এই চুক্তি তাঁদের বিজ্ঞানীদের এইচএইচএসের গবেষণা সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে তথ্যের ফাঁক পূরণের সুযোগ দেবে। এইচএইচএস মন্ত্রী রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র বলেন, তাঁরা কঠিন প্রশ্ন করবেন, প্রমাণ যেদিকে নিয়ে যায় সেদিকেই যাবেন।
ইপিএ গ্লাইফোসেটের মানবস্বাস্থ্য ঝুঁকি ও ক্যানসার-সম্ভাবনার পর্যালোচনা হালনাগাদ করছে, যা ২০২৭ সালের শুরুতে শেষ হওয়ার কথা; এতে ফসল তোলার আগে প্রয়োগজনিত খাদ্য-সংস্পর্শ ও পেশাগত সংস্পর্শও দেখা হবে। নিবন্ধনের সিদ্ধান্তের একক এখতিয়ার ইপিএরই থাকবে, আর স্মারকটি কোনো ফল আগাম নির্ধারণ করে না বলে জানিয়েছে দুই সংস্থা।
কেনেডির 'মেক আমেরিকা হেলদি অ্যাগেইন' আন্দোলন বালাইনাশক, বিশেষ করে গ্লাইফোসেটের সমালোচনা করলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে গ্লাইফোসেটের প্রাপ্যতাকে জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার বলেছেন। অন্যদিকে সেন্টার ফর ফুড সেফটি বলেছে, এই সহযোগিতার ব্যবহারযোগ্য ফল পেতে বহু বছর লাগবে।
ছবি: Benjah-bmm27 / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: AGDAILY





মন্তব্য
(০)