দেশে কোনো ফলে কখনো ফরমালিন দেওয়া হয় না। ফরমালিন দেওয়ার বিষয়টি ভুল ধারণা বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান।
তিনি বলেন, 'ফলে কখনো ফরমালিন দেয় না। ফরমালিন দেওয়ার বিষয়টি রং পারসেপশন (ধারণা)।'
গত শনিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর বাড্ডায় জাগো নিউজ কার্যালয়ে 'ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ: সমস্যা ও সম্ভাবনা' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
আরিফুর রহমান বলেন, 'উদ্ভিদ উৎসে ফরমালিন কোনো কাজই করে না। কাজ করে না কারণ এটি উদ্বায়ী পদার্থ। আপনি যতই ফলে ফরমালিন দেন, আপনার উদ্ভিদেও দেন, এটি ধীরে ধীরে উড়ে যাবে। ফলে ফরমালিন দেয়, এটি একটি রং পারসেপশন।
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা
ফলে কখনো ফরমালিন দেওয়া হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, হয়তো কেউ কিছু কার্বাইড দিতে পারে। এটির ব্যবহার অনেকটাই কম। এখন আপনারা দেখেন, ইথোফেনসহ আরও কিছু প্রোডাক্ট আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ভিন্ন দেশে স্বীকৃত। সেই প্রোডাক্টগুলো দিলে আমাদের পণ্যের সেলফ লাইফও বাড়ে।
তিনি আরও বলেন, এর পরও সেগুলো আমরা সুপারিশ দিতে পারছি না, অনুমোদন দিতে পারছি না। কারণ এখানে আমাদের একটু মিস ম্যানেজমেন্টের একটা পারসেপশন থাকার কারণে। এজন্য আমাদের সঠিক তথ্য সরবরাহ করতে হবে।
জাগো নিউজের সম্পাদক কে. এম. জিয়াউল হকের সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের সাবেক উপাচার্য, গবেষক ও কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পোস্ট হারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরী, বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক ও ফল বিশেষজ্ঞ ড. মো. মেহেদী মাসুদ, বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক (খাদ্য ও কৃষি) এনামুল হক, প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইলিয়াছ মৃধা, হাসেম ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হাসেম, বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ইকতাদুল হক, ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, কাজু অ্যান্ড কফি অ্যাগ্রোর নির্বাহী পরিচালক মো. মাহাতাব আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি উদ্যোক্তা ইসমাইল খান শামীম ও নওগাঁর কৃষি উদ্যোক্তা সোহেল রানা।
ইএইচটি/এএসএ/ এমএফএ





মন্তব্য
(০)