সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯১%বাতাস কিমি/ঘ

সেচের জন্য পাম্প অপারেটরের কাছে জিম্মি অর্ধশতাধিক আদিবাসী কৃষক

রাজশাহীর দেওপাড়া ইউনিয়নের পাম্প অপারেটরের কাছে জিম্মি অর্ধশতাধিক আদিবাসী কৃষক। দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। তবে অতিরিক্ত অর্থ দিলে মেলে পানি। সঙ্গে রয়েছে শ্রেণি বৈষম্যের অভিযোগ। বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বলছে সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফসল

রাজশাহীর দেওপাড়া ইউনিয়নের পাম্প অপারেটরের কাছে জিম্মি অর্ধশতাধিক আদিবাসী কৃষক। দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। তবে অতিরিক্ত অর্থ দিলে মেলে পানি। সঙ্গে রয়েছে শ্রেণি বৈষম্যের অভিযোগ। বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বলছে সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বর্ষাপাড়া গ্রামের গভীর নলকূপ থেকে অন্তত ২০০ কৃষক ২৫০ বিঘা জমিতে পানি সেচ দিয়ে থাকেন। এরমধ্যে স্থানীয় আদিবাসী কৃষকের সংখ্যা রয়েছে ৫৬ জন।

আদিবাসীদের অভিযোগ, শ্রেণি বৈষম্যের কারণে তারা বরাবরই বঞ্চিত হচ্ছেন তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে। স্থানীয় পাম্প অপারেটর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের জিম্মি করছেন। শুধুমাত্র আদিবাসী হওয়ার কারণেই টাকা দেওয়ার পরও সময়মতো পানি দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ আদিবাসী কৃষকদের।

আদিবাসী কৃষক রানী দেবী বলেন, আমাদের পানি দিতে চায় না। আমরা আদিবাসী বলে আমাদের সব সময় ছোট করে দেখে। পাশাপাশি আমাদের নিজেদের কার্ড আছে। সেই কার্ড দিয়ে আমরা সেচ প্রদান করি। যারা এই ডিপের আওতার বাইরে তাদের কাছে অপারেটর বেশি দামে পানি বিক্রি করেন। আমাদের দিচ্ছি বলে থামিয়ে রাখেন।

আরেক আদিবাসী অনিল মারান্ডী বলেন, একটু পাইপ ফেটে গেলেই টাকা দিতে হয়। একটা পাইপ ফেটে গেলে ৩০ টাকা করে নেয়। এমন ৩০ জন কৃষক হলে ৯ হাজার টাকা হয়। একটা পাইপ মেরামত করতে কতো টাকা লাগে?

তিনি বলেন, জাতিগত কারণেই আমাদেরকে পানি ঠিকভাবে দেওয়া হয় না। আমরা এর প্রতিকার চাই। এই ধানের ওপর আমাদের সারা বছরের খাবার নির্ভর করে। আমাদের ওপর এমন অত্যাচার করলে আমাদের মরে যেতে ইচ্ছা হয়।

তবে পাম্প অপারেটর হাসেম আলী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বরেন্দ্র অফিসে পাইপ মেরামতের কোনো সিস্টেম নেই। সেটা মেরামত করেছি। সেটার জন্যই ২০-২৫ হাজার টাকা নিয়েছি। আমি সঠিক নিয়মেই পানি দিই। কোনো অভিযোগ নেই।

অপরদিকে বিএমডিএ কর্তৃপক্ষ বলছে, অপারেটরদের বিরুদ্ধে কোনো সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, আমরা তদন্ত করছি। তদন্তে অপারেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, অপারেটরের যদি কোনো গাফিলতি থাকে তাহলে তদন্তে সেটি উঠে আসবে। কোনো গাফিলতি পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, শ্রেণি বৈষম্য দূর করতে মোটিভেশনাল কর্মসূচির পাশাপাশি আদিবাসীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে প্রশাসন। এসব কৃষকদের যদি কোনো ধরনের কিছুর দরকার হয় জেলা প্রশাসন সহায়তা করবে।

সাখাওয়াত হোসেন/এফএ/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()