কানাডার অন্টারিও প্রদেশের এলোরায় নতুন অন্টারিও পোলট্রি গবেষণা কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। প্রদেশের পোলট্রি শিল্পের গবেষণা সক্ষমতা বাড়ানোই এর লক্ষ্য। প্রাদেশিক সরকার এগ্রিকালচারাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অন্টারিওর (এআরআইও) মাধ্যমে ২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বেশি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
কেন্দ্রটি ১ হাজার ৫০০-র বেশি মুরগি ও টার্কি উৎপাদনকারী এবং প্রায় ৫০০ ডিম ও পুলেট খামারিকে সহায়তা দেবে। গবেষণা হবে পশুকল্যাণ, পুষ্টি, প্রজনন, মাংসের মান, জিনতত্ত্ব, জৈব নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা, মুরগির পালের স্বাস্থ্য ও উৎপাদন দক্ষতা নিয়ে।
প্রদেশ সরকার জানিয়েছে, এতে ডিমপাড়া মুরগি ও পুলেট, ব্রয়লার এবং হ্যাচারির জন্য আলাদা অংশ থাকবে, সঙ্গে থাকবে বিশেষায়িত ও বাণিজ্যিক গবেষণা শাখা। ২০২৮ সালের গ্রীষ্মে কাজ শেষ হওয়ার কথা, নির্মাণকালে ২২০টির বেশি কর্মসংস্থান হবে।
প্রকল্পটি অন্টারিও সরকার, এআরআইও, গুয়েল্ফ বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রদেশের চারটি পোলট্রি বোর্ডের অংশীদারত্বে হচ্ছে: চিকেন ফার্মার্স অব অন্টারিও, এগ ফার্মার্স অব অন্টারিও, অন্টারিও ব্রয়লার হ্যাচিং এগ অ্যান্ড চিক কমিশন এবং টার্কি ফার্মার্স অব অন্টারিও, যারা অর্থও দিচ্ছে। নকশা পর্বের একাংশের জন্য সাসটেইনেবল কানাডিয়ান এগ্রিকালচারাল পার্টনারশিপ থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার এসেছে।
প্রদেশের কৃষিমন্ত্রী স্যাম উস্টারহফ (Sam Oosterhoff) বলেন, এ বিনিয়োগ খামারিদের বর্তমান সমস্যা মোকাবিলা ও খাতটির ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য। গুয়েল্ফ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. রেনে ভ্যান অ্যাকার বলেন, কেন্দ্রটি গবেষক, খামারি ও শিল্পকে যুক্ত করে বাস্তব সমাধান বের করবে। শিল্প সংগঠনগুলো বলছে, বাড়তি গবেষণা সক্ষমতা রোগ প্রতিরোধ, পশুকল্যাণ, টেকসই উৎপাদন আর নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে সহায়তা করবে।
এআরআইও অন্টারিওর কৃষি-খাদ্য গবেষণা অবকাঠামোর মালিক; এর আওতায় প্রায় ৫ হাজার ৬০০ একরের ১৪টি গবেষণা কেন্দ্র ও ২০০টির বেশি ভবন রয়েছে, যার বেশিরভাগ গুয়েল্ফ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করে।
ছবি: Ryan Hodnett / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)