সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১০ কিমি/ঘবৃষ্টি ২.৮ মিমি

একসঙ্গে ৮০ বাচ্চার জন্ম দিতে পারে সাপ

বর্তমানে আমাদের দেশে রাসেলস ভাইপারের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কিত সবাই। দেশের অনেক জেলায় এই সাপের কামড়ে মারা গেছেন অনেকে। তবে আমাদের দেশে শুধু রাসেলস ভাইপার নয়, আরও অনেক বিষধর সাপের বসবাস। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই রয়েছে নানা প্রজাতির সাপ।

পরিবেশ

বর্তমানে আমাদের দেশে রাসেলস ভাইপারের প্রাদুর্ভাবে আতঙ্কিত সবাই। দেশের অনেক জেলায় এই সাপের কামড়ে মারা গেছেন অনেকে। তবে আমাদের দেশে শুধু রাসেলস ভাইপার নয়, আরও অনেক বিষধর সাপের বসবাস। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই রয়েছে নানা প্রজাতির সাপ।

জানেন কি? সব সাপ কিন্তু ডিম দেয় না। কিছু প্রজাতির সাপ আছে যেগুলো সরাসরি বাচ্চা দেয়। একসঙ্গে একটি সাপ ৮০টির মতো বাচ্চা দিতে পারে। মূলত সাপ হয় দুই ধরনের- ওভিপ্যারোয়াস ও ভিভিপ্যারোয়াস। ওভিপ্যারোয়াস প্রজাতির সাপেরা ডিমের মাধ্যমে বাচ্চার জন্ম দেয়। অন্যদিকে ভিভিপ্যারোয়াস প্রজাতির সাপ সরাসরি বাচ্চার জন্ম দেয়।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফির সমীক্ষা অনুযায়ী, ৭০ শতাংশ সাপ ওভিপ্যারোয়াস কিন্তু ৩০ শতাংশ সাপ ভিভিপ্যারোয়াস। জীবিত ও সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেওয়ার অনেক সুবিধা রয়েছে। বহু সাপ আছে যারা মা সাপের ডিম খেয়ে নেয়। আসলে বাচ্চা সাপের দেহ নিয়ন্ত্রণ করতে বাহ্যিক তাপমাত্রা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে সরাসরি বাচ্চা জন্ম দিলে সেই ভয় থাকে না। ডিম ফুটে বাচ্চা জন্মাবার ক্ষেত্রে প্রয়োজন উষ্ণতার। একবার ডিম পাড়ার পর সেই ডিমগুলিকে উষ্ণ স্থানে নিয়ে যাওয়া কষ্টসাধ্য। বহু সাপ আছে যারা শীতল জলবায়ুতে বাস করে, সেক্ষেত্রে বাচ্চাদের উষ্ণ রাখতে তারা সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়।

আরও পড়ুন

রাসেলস ভাইপাররাসেলস ভাইপার, যাকে বাংলায় অনেকেই চেনেন চন্দ্রবোড়া নামে। বর্তমানে সবার আতঙ্কের নাম এই সাপ। একটি স্ত্রী রাসেলস ভাইপারের প্রজননকাল মে থেকে নভেম্বর। তবে সবচেয়ে বেশি জুন-জুলাইয়ে। যৌনমিলনের পর স্ত্রীরা পেটে নিষিক্ত ডিম ধারণ করে রাখে এবং তা থেকে ৬ মাস পর ৬-৬৩টি বাচ্চা প্রসব করে। ১০টা বাচ্চা প্রসব করতে এদের ২-৩ ঘণ্টা সময় লাগে।

রিং নেক স্পোটিং কোবরারিংখাল, যা রিং নেক স্পোটিং কোবরা নামে পরিচিত। এরা অন্যান্য কোবরাদের থেকে প্রজনন অভ্যাসের ক্ষেত্রে একেবারে আলাদা। এরা খুবই আক্রমণাত্মক প্রাণী। মনে করা হয়, এদের এই বিশেষ ক্ষমতার জন্যই সরাসরি বাচ্চা জন্ম দিতে পারে। পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে ভাইপার এবং পিট ভাইপার। এদের প্রাকৃতিক বাসস্থান এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা। এই বিষাক্ত সাপেদের শীতল বায়ু পছন্দ।

ডেথ অ্যাডারবিশ্বের সবচেয়ে বিষধর সাপের মধ্যে অন্যতম এই ডেথ অ্যাডার। কিন্তু এরা মোটেই আক্রমণাত্মক নয়। পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়ায়। এদের লম্বা দাঁত আছে। এরা একবারে ৩০টি বাচ্চা সাপের জন্ম দিতে পারে।

ওয়েস্টার্ন ডায়মন্ডব্যাক র্যাটলস্নেকবিশ্বের বৃহত্তম র্যাটলস্নেকগুলোর মধ্যে অন্যতম। এগুলো আমেরিকা ও মেক্সিকোর মরুভূমিতে পাওয়া যায়। এরা সাধারণত একবারে ১০-২০টি সাপের জন্ম দেয়। নিজের শরীরে ৬ মাস তাদের লালনপালন করে।

গ্রিন অ্যানাকোন্ডাবিশ্বের বৃহত্তম সাপ। এরা প্রায় ২০ ফুট লম্বা এবং ১৫০ পাউন্ড পর্যন্ত ওজনের হতে পারে। তবে তারা বিষাক্ত নয়। দক্ষিণ আমেরিকায় পাওয়া এই সাপ। এরাও ডিম পাড়ে না বরং জীবিত বাচ্চার জন্ম দেয়।

ইস্টার্ন গার্টার সাপউত্তর আমেরিকায় পাওয়া যায়। এগুলোও তেমন বিষাক্ত নয়। গার্টার সাপও তাদের বাচ্চাদের জন্মের পরপরই শরীর থেকে বের করে দেয়। বাচ্চা সাপেরা সাধারণত ছয় ইঞ্চি লম্বা হয়। পরে এরা ২ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।

আইল্যাশ ভাইপার স্নেকসবচেয়ে সুন্দর সাপের মধ্যে একটি প্রজাতির সাপ এটি। এগুলো দক্ষিণ এবং মধ্য আমেরিকায় পাওয়া যায়। তবে বেশ বিষাক্ত। হলুদ, বাদামি, লাল, সবুজ রঙের এই সাপের বাচ্চারা জন্মের সময় ৭-৮ ইঞ্চি লম্বা হয়।

হলুদ পেটের সামুদ্রিক সাপতার জীবনের বেশিরভাগ সময় জলে কাটায়। সব সামুদ্রিক সাপের মতো এরাও বাচ্চার জন্ম দেয়। স্ত্রী সাপেরা সন্তান জন্ম দিতে অগভীর জোয়ারের জলাশয়ে যায়। ৬ মাস বাচ্চাদের নিজের শরীরে রাখে। সামুদ্রিক সাপগুলো মূলত এলাপিডে প্রজাতির। যেহেতু এরা পানিতে বাস করে তাই ডিম পাড়ার জন্য কিংবা সেই ডিম গরম রাখার জন্য উপযুক্ত কোন জায়গা নেই। তাই অধিকাংশ সামুদ্রিক সাপ সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়। একমাত্র সামুদ্রিক ক্রেট ডিম পাড়ে।

গার্টার সাপএই সাপগুলো কলুব্রিড পরিবারের সদস্য। এরা আকর্ষণীয় প্রাণী হিসেবে পরিচিত। গার্টার সাপের অস্বাভাবিক মিলনের অভ্যাস রয়েছে। এই প্রজাতির একাধিক পুরুষ সাপ একটি স্ত্রী সাপের সঙ্গে মিলনের জন্য অগ্রসর হয়। ফলে মাত্র একটি স্ত্রী সাপের সঙ্গে ২৫টি পুরুষ সাপের প্রজনন হতে পারে। শুধু মিলনের অভ্যাসে এরা আলাদা নয়, স্ত্রী গার্টার সাপগুলো কয়েক বছর ধরে শুক্রাণু সঞ্চয় করতে সক্ষম। পরিবেশগত অবস্থা অনুকূলে থাকলেই নিষিক্ত হওয়ার জন্য শুক্রাণু মুক্ত করার মাধ্যমে তারা তাদের সন্তানদের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। স্ত্রী গার্টার সাপ ২ থেকে ৩ মাস গর্ভবতী থাকে। একসঙ্গে ৩ থেকে ৮০টি বাচ্চার জন্ম দেয় এই সাপ।

আরও পড়ুন

সূত্র: এনডিটিভি, সিবিএস নিউজ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()