সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°মেঘলাআর্দ্রতা ৭৭%বাতাস কিমি/ঘ

ঝিনাইদহে বাড়ছে ড্রাগনের ফুল ও ফল

দূর থেকে মনে হবে মাঠজুড়ে যেন মিটিমিটি জ্বলছে জোনাকি। কাছে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি লাইট আর নিচে সবুজ ড্রাগন গাছ ও সাদা ফুলের হাতছানি। যেন আঁধার রাতে আলো আর সবুজ-সাদার মিলনমেলা। ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চারাতলা গ্রামের একটি ড্রাগন বাগানে দৃশ্যটি চোখে পড়ে। বাড়তি ফলনের আশায় এমন পরিবেশ তৈরি করেছেন

ফল

দূর থেকে মনে হবে মাঠজুড়ে যেন মিটিমিটি জ্বলছে জোনাকি। কাছে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি লাইট আর নিচে সবুজ ড্রাগন গাছ ও সাদা ফুলের হাতছানি। যেন আঁধার রাতে আলো আর সবুজ-সাদার মিলনমেলা। ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চারাতলা গ্রামের একটি ড্রাগন বাগানে দৃশ্যটি চোখে পড়ে। বাড়তি ফলনের আশায় এমন পরিবেশ তৈরি করেছেন বিপ্লব জাহান। এদিকে বাগানের সৌন্দর্য দেখতে রাতে ভিড় করছেন অনেকেই।

জানা গেছে, প্রায় ৩ বছর আগে উপজেলার চারাতলা গ্রামে ১১ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হয় ড্রাগন বাগান। এখানে ৩০ হাজার গাছে প্রতি সিজনে ফলন হতো গড়ে ৪৫ টন। বাগানটিতে মাসে খরচ ২ লাখ টাকা। প্রতিদিন ১০-১২ জন শ্রমিক কাজ করেন। দেড় মাস আগে চীন থেকে ২ হাজার ৮০০ বিশেষ ধরনের লাইট এনে রাতে শুরু হয়েছে ড্রাগন ফলের পরিচর্যা। আলোর কারণে বাগানে ফুলের সংখ্যা গত মৌসুমের তুলনায় অনেক বেড়েছে। এখন প্রায় ৭০ হাজার ফুল ফুটেছে। যা অন্য সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ।

আরও পড়ুন: কমলা চাষে দ্বিগুণ লাভের স্বপ্ন দেখছেন ফারুক

রাতে শহর থেকে বাগান দেখতে আসা মেহনাজ পারভীন বলেন, 'ফেসবুক ও ইউটিউবে ড্রাগন বাগানের লাইট দেওয়ার দৃশ্য দেখেছি। তবে হরিণাকুণ্ডু ড্রাগন বাগানের লাইটের ব্যবস্থা করেছে এটা জানতে পেরে স্বামী আর সন্তান নিয়ে দেখতে এসেছি।'

স্থানীয় মনিরুল ইসলাম বলেন, 'সন্ধ্যায় এ পথ দিয়ে যারা চলাচল করেন, বাগানে লাইট দেওয়ার কারণে তারা দাঁড়িয়ে দেখেন। প্রতিদিন বাইরের অনেক লোকজন বাগানটি দেখতে আসেন।'

বাগানের ম্যানেজার মনিরুল ইসলাম বলেন, 'গত বছর ৪০-৪৫ টন ফল বিক্রি করেছি। এ বছর তার চেয়েও বেশি ফল হচ্ছে। কারণ চায়না থেকে বিশেষ লাইট এনেছি। এটি ব্যবহারে এখন ৭০ হাজার ফুল এসেছে। এখন বারো মাস ফুল ও ফল পাবো। বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা এবং ভোর ৩টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত লাইট জ্বালিয়ে রাখা হয়।'

আরও পড়ুন: চায়না কমলা চাষে সফল শরীয়তপুরের খলিল

ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি প্রশিক্ষণ অফিসার মোশাররফ হোসেন বলেন, 'ড্রাগন বাগানে এই লাইট ইন্ডোজ পদ্ধতিতে ফুল ও ফল বৃদ্ধি পায়। এতে চারাতলা গ্রামের কৃষক যেমন লাভবান হচ্ছেন; তেমনই অন্যরা এ পদ্ধতির মাধ্যমে বাড়তি লাভ করতে পারেন।'

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ/এসইউ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

দুর্গাপুরের পরিত্যক্ত কয়লার ডিপোতে ৫০০ মাল্টাগাছ: এক একরের বাগানে এবার ৬–৭ লাখ টাকা বিক্রির আশা তিন উদ্যোক্তার

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০২১ সালে বারি-৩ ও ভিয়েতনামি জাতের মাল্টা লাগান রনি মিত্রেরা; বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, গত বছর সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফল বিক্রি, এবার দ্বিগুণের সম্ভাবনা; বাগানে কেজি ৮০–১০০ টাকায় কিনছেন পাইকারেরা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

সিরাজগঞ্জে ৪০০ হেক্টরের লক্ষ্য ছাড়িয়ে পেয়ারা, বাগান থেকেই পাইকারি ৪০–৪৫ টাকা কেজি: থাই ও কাজী জাতে দ্বিগুণ লাভের আশা

রায়গঞ্জ, কাজীপুর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া ও সদরে বাম্পার ফলন; যমুনার চরেও বাগান বাড়ছে; এক বাগানে দিনে ৫–৭ শ্রমিক, চারা লাগানোর ছয় মাসে ফল, পাঁচ বছর ফল দেয়—জানালেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মাওলা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

চা চাষের অনুপযোগী এক একরে ১৪ হাজার ড্রাগনগাছ: কুলাউড়ার সিরাজনগর চা-বাগানে দ্বিতীয় বছরেই ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি

২০২৪ সালে ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়া বাগানে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাত; কীটনাশক ছাড়া চাষ, ফুল আসার ২৫–২৬ দিনে ফল; চা-শ্রমিকেরা বাড়তি কাজ ও বিনামূল্যে ফল পাচ্ছেন, বলছেন ম্যানেজার শামীম ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()