সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৫ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৪°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৯%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

ঈশ্বরদীতে ঢ্যাঁড়শের দ্বিগুণ দামে খুশি চাষিরা

পাবনার ঈশ্বরদীতে ঢ্যাঁড়শের ভালো ফলন ও বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় এবার খুশি চাষিরা। স্থানীয়ভাবে আষাঢ়ি ঢ্যাঁড়শ হিসেবে পরিচিত এ ফসলের ফলন খুব ভালো হয়েছে। পাশাপাশি অন্য বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দামে ঢ্যাঁড়শ বিক্রি করে চাষিরা বেশ লাভবান হচ্ছেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে ঢ্যাঁড়শের ভালো ফলন ও বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় এবার খুশি চাষিরা। স্থানীয়ভাবে আষাঢ়ি ঢ্যাঁড়শ হিসেবে পরিচিত এ ফসলের ফলন খুব ভালো হয়েছে। পাশাপাশি অন্য বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দামে ঢ্যাঁড়শ বিক্রি করে চাষিরা বেশ লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের পতিরাজপুর ও নিকরহাটা গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, শত শত হেক্টর জমিতে ঢ্যাঁড়শের আবাদ হয়েছে। ফলনও বেশ ভালো। মণপ্রতি ১৫০ টাকা চুক্তিতে নারী-পুরুষ ঢ্যাঁড়শ জমি থেকে তুলে বাজারজাতকরণের জন্য প্রস্তুত করছেন।

নিকরহাটা গ্রামের আজিম উদ্দিন বলেন, '১৬ বিঘা জমিতে ঢ্যাঁড়শ আবাদ করেছি। প্রতি বিঘায় আবাদে খরচ হয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। আশা করি ৫০-৬০ হাজার টাকার ঢ্যাঁড়শ বিক্রি হবে। সার, বীজ ও কীটনাশকের দাম না বাড়লে চাষিরা আরও লাভবান হতো।'

একই গ্রামের চাষি আইনুল হক জানান, সার-কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা কোনো ফসলেই লাভবান হতে পারছেন না। এবার ঢ্যাঁড়শের বাজারদর অন্যবারের তুলনায় বেশি হওয়ায় কৃষকরা কিছুটা হলেও লাভবান হতে পারবেন। এর আগে ঢ্যাঁড়শ প্রতি কেজি পাইকারি ২০ টাকার বেশি কখনো বিক্রি করতে পারেননি। এবার তো সর্বোচ্চ ৩৮ টাকা কেজি দরে আড়তে গিয়ে বিক্রি করেছেন। এখনো ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পতিরাজপুর গ্রামের ঢ্যাঁড়শ চাষি কবির মালিথা জানান, 'এবার ঢ্যাঁড়শের বাজার বেশ ওঠানামা করেছে। কোরবানির ঈদের পর প্রায় টানা একমাস ঢ্যাঁড়শ ৫-৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। তখন অনেকেই ঢ্যাঁড়শ গরু-মহিষকে খাইয়েছে। গত এক মাসে প্রতি কেজি ঢ্যাঁড়শ ২৫-৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অতীতে কখনো এতো বেশি দামে চাষিরা ঢ্যাঁড়শ বিক্রি করতে পারেননি।'

মুলাডুলি সবজি আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জাগো নিউজকে জানান, কাঁচামালের বাজারদর প্রতিদিনই ওঠানামা করে। গত ১৫ দিনে এ আড়তে ঢ্যাঁড়শ ২৮-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।

মুলাডুলি ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলিউজ্জামান জিয়া জানান, আষাঢ়ি ঢ্যাঁড়শের ফলন এবার ভালো হয়েছে। এটি উঁচু জমিতে আবাদ করা হয়। সাধারণত আষাঢ় মাসে ফলন শুরু হয় বলে কৃষকদের কাছে আষাঢ়ি ঢ্যাঁড়শ হিসেবে পরিচিত। ঢ্যাঁড়শের দাম ভালো পাওয়ায় এবার চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিতা সরকার জাগো নিউজকে বলেন, 'উপজেলায় এ বছর ৫৩০ হেক্টর জমিতে ঢ্যাঁড়শ আবাদ হয়েছে। উপজেলার মুলাডুলি, সাঁড়া ও সাহাপুর ইউনিয়নে ঢ্যাঁড়শের বেশি চাষ হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে এবং কৃষকরা বাজারমূল্য অন্য বছরের তুলনায় ভালো পাচ্ছেন।'

শেখ মহসীন/এসইউ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

হিমাগার গেটে আলু ৯ থেকে ১৪ টাকা, খরচ ২০ থেকে ২৫: লোকসানে উত্তরাঞ্চলের চাষি

সরকার নির্ধারিত ২২ টাকা দাম মিলছে না; কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা লোকসানে অনেক চাষি হিমাগার থেকে আলু তুলছেন না, আর মজুত আছে ১৫ লাখ টনের বেশি।

সমকাল৫ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ছাদকৃষি

রান্নাঘরের মসলা দিয়েই বারান্দা বা ছাদের টবে ছোট মসলার বাগান

ধনে, মেথি, মৌরি, কালোজিরা বোনা যায় বীজ থেকে আর আদা হয় অঙ্কুরসহ গাঁট থেকে; বারান্দা, ছাদ বা জানালার পাশের কয়েকটি টবেই শুরু করা যায় এই বাগান।

জাগো নিউজ ২৪৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

একঝলকে ৪ নভেম্বর: ঢ্যাঁড়সের খেত, কলাবতী ফুল আর বিলের শাপলা

প্রথম আলোর ‘একঝলক’ আয়োজনের কৃষি ও প্রকৃতির ছবিগুলো নিয়ে এই ছবির গল্প: ফরিদপুরের ঢ্যাঁড়সচাষি, সিরাজগঞ্জের কলাবতী, ডুমুরিয়ার শাপলা ও পানকৌড়ি।

প্রথম আলো৫ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)