সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°ভারী বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

কলকাতায়ও খেজুরের দাম চড়া

বিশ্বব্যাপী পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছে এই মাস অত্যন্ত পবিত্র। এই মাসে রোজা ও ইফতার একে অপরের পরিপূরক। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। রোজা এবং ইফতারের সঙ্গে সবচেয়ে পরিচিত একটি নাম হচ্ছে খেজুর। ইফতারে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি

ফল

বিশ্বব্যাপী পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের কাছে এই মাস অত্যন্ত পবিত্র। এই মাসে রোজা ও ইফতার একে অপরের পরিপূরক। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। রোজা এবং ইফতারের সঙ্গে সবচেয়ে পরিচিত একটি নাম হচ্ছে খেজুর। ইফতারে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি খেজুর থাকবেই। খেজুর ছাড়া যেন ইফতার পরিপূর্ণ মনে হয় না।

কলকাতায় খেজুরের পাশাপাশি শুকনো ফল বা ড্রাই ফ্রুটসের চাহিদাও প্রচুর। খেজুর, কাজু বাদাম, কিসমিস, চেরিসহ বেশ কিছু শুকনো ফলের সমন্বয়ে ড্রাই ফ্রুটস সাজানো হয়। রমজান মাসে কলকাতার বাজারে দেশ-বিদেশের খেজুর পাওয়া যায়। কিছু খেজুর পাওয়া যায় প্যাকেট বন্দি অবস্থায় আবার খোলা ভাবেও বিভিন্ন ধরনের খেজুর পাওয়া যায়। তবে খোলা খেজুরের চাহিদাই বেশি থাকে।

তবে চাহিদা থাকলেও এবারের রমজানে বিক্রি-বাট্টা বিশেষ নেই বলে জানিয়েছেন কলকাতার খেজুর বিক্রেতারা।শিয়ালদহ বৈঠকখানা বাজারের পাইকারি খেজুর বিক্রেতা রাজেন্দ্র সাউ বলেন, খুচরা খেজুর প্রতি কেজি ৯০ রুপি।আর পাইকারি এক পাল্লা (৫ কেজি) নিলে ৪০০ রুপি। রমজান বলে দাম একটু বেশি।

অপর এক পাইকারি খেজুর বিক্রেতা মনিন্দ্র কুমার যাদবের মতে, রমজান বলে খেজুর আগের তুলনায় প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ রুপি বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মনিন্দ্র কুমার যাদব বলেন, যে খেজুর আগে প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ রুপিতে বিক্রি হতো সেই খেজুর এখন ৯০ থেকে ৯৫ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতা সাহেব গাজি বলেন, রমজান বলে খেজুরের দাম বেড়ে গেছে। আগে ৭০ থেকে ৮০ রুপিতে বিক্রি হতো। সেই খেজুর ১০০ থেকে ১২০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাহারি প্যাকেট মোড়া গাঢ় বাদামী রঙের খেজুর আরব মুলুক থেকে জাহাজে করে পৌঁছেছে কলকাতার মার্কেটে। এসব খেজুর কলকাতা থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এই খেজুর প্রতি প্যাকেট ২৫০ থেকে ৩৫০ রুপি আবার কোথাও ৪০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

এর পাশাপাশি কাজু বাদামের দামও চড়া। ভালো কাজু বাদাম প্রতি কেজি ৮০০ রুপি। কোথাও আবার ৭০০ রুপি আবার কোথাও ৬৫০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কিসমিস ২৫০ থেকে ৩০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে রমজানের শুরু থেকে বাংলাদেশেও খেজুরের দামে আগুন লেগেছে। প্রতি বছরই রোজায় খেজুরের দাম কিছুটা বাড়ে। তবে এবারের মূল্যবৃদ্ধি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। সাধারণ মানের বিভিন্ন জাতের খেজুরও সাধারণ মানুষের অনেকটা নাগালের বাইরে। বাজারে অন্য নিত্যপণ্যের দামে চিড়েচ্যাপ্টা মানুষের কাছে ইফতারিতে খেজুর হয়ে উঠেছে রীতিমতো বিলাসী পণ্য।

এবছর পাইকারিতে পাঁচ কেজি মরিয়ম খেজুর মানভেদে চার হাজার ৩শ থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর ছিল ২ হাজার ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ চার হাজার টাকা। কালমি খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২০০ টাকায়, যা বিগত বছর ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতি পাঁচ কেজি আজওয়া খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকায়, যা গত বছর ছিল ২৬শ থেকে সর্বোচ্চ ৩২শ টাকা। এবছর মাবরুম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩৫শ থেকে চার হাজার ৫শ টাকায়, যা গত বছর ছিল ২২শ থেকে শুরু করে ৩২শ টাকা। গত বছর সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া মেডজুল এবার বিক্রি হচ্ছে সাড়ে সাত হাজার থেকে আট হাজার টাকায়। বিগত বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি খেজুরের দাম বেড়েছে ২শ থেকে ৬শ টাকা পর্যন্ত।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()